
আওয়ামী লীগের ক্ষমতার শেষ বছরে বাড়ছে মন্ত্রিসভার পরিধি। ইতোমধ্যে বঙ্গভবনে ডাক পেয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা নারায়ণচন্দ্র চন্দ। এছাড়া ডাক পেয়েছেন রাজবাড়ীর সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, লক্ষ্মীপুরের সাংসদ এ কে এম শাহজাহান কামাল এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ পড়াবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘তিনজন নতুন এবং একজন পুরনো। পুরনো থেকে একজন পূর্ণমন্ত্রী হবেন। আর দুজন নতুন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী হবেন।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সোমবার চারজনের শপথ আয়োজনের জন্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়কে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
আর মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের বঙ্গভবনে নিয়ে যেতে বিকেলে সচিবালয় থেকে চারটি গাড়িতে ওই চারজন বঙ্গভবনে শপথের জন্য উপস্থিত হয়েছেন।
গত ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক মারা যান। এরপর থেকে তার পদটি শূন্য রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্রকে সেই দায়িত্বই দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
৭২ বছর বয়সী নারায়ণচন্দ্র চন্দ খুলনা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনবার। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় দফায় সরকার গঠন করলে নারায়ণচন্দ্রকে দেওয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।
অন্যদিকে বিজয় বাংলা কিবোর্ডের উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার (৬৮) যেহেতু সংসদ সদস্য নন, তাকে মন্ত্রিসভায় আনতে হবে টেকনোক্র্যাট হিসেবে। তাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে।
৬৩ বছর বয়সী কাজী কেরামত আলী গত নির্বাচনে রাজবাড়ী-১ আসন থেকে চতুর্থবারের মত এমপি নির্বাচিত হন। তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
আর লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সাংসদ শাহজাহান কামাল (৭২) দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ভাই অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি। তবে তাদের কাকে কোন দায়িত্ব দেয়া হবে তা শপথের পরেই জানা যাবে।
এখন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ৩০ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সংখ্যা হলো ২ জন। মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রয়েছেন ৫ জন, মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত রয়েছেন একজন।
পি




