ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের সমর্থনের ব্যাখ্যা দিলো প্রেস উইং

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম
ফাইল ছবি

আসন্ন গণভোটে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নিরপেক্ষতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে—সাম্প্রতিক সময়ে এমন প্রশ্ন ওঠার প্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং একটি স্পষ্টকরণ ব্যাখ্যা দিয়েছে।

প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে মূল্যায়ন করলে এ ধরনের সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই। বরং সংকটময় এ সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়, তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাবকেই নির্দেশ করে।

ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার শুধু দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত হয়নি। দীর্ঘদিনের অপশাসনের ফলে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক সংকট, জনঅনাস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এ সরকার গঠিত হয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যে, এ সরকারের মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।

প্রেস উইং জানায়, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে ব্যাপক পরামর্শের মাধ্যমে যে সংস্কার প্রস্তাব প্রণয়ন করেছেন, বর্তমান সংস্কার প্যাকেজ তারই ফল। সে কারণে এ সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেয়ার পরামর্শ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝার শামিল। অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের মুহূর্তে সেই সংস্কার থেকে নিজেকে দূরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।

আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রেস উইং জানায়, অন্তর্বর্তী হোক বা নির্বাচিত—কোনো সরকারপ্রধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নিয়ে নীরব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। গণতন্ত্রে প্রত্যাশা করা হয়, নেতারা জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।

ব্যাখ্যায় বলা হয়, গণভোট কোনো টেকনোক্র্যাটিক প্রক্রিয়া নয়, এটি সরাসরি জনগণের মতামত জানার একটি গণতান্ত্রিক মাধ্যম। সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যখন তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন, তখন ভোটারদের সিদ্ধান্ত আরো তথ্যভিত্তিক ও অর্থবহ হয়।

ব্যাখ্যায় গণতান্ত্রিক বৈধতার তিনটি মূল প্রশ্নও তুলে ধরা হয়—ভোটাররা সেই অবস্থান প্রত্যাখ্যান করতে স্বাধীন কি না, বিরোধী পক্ষ প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারছে কি না এবং পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য কি না। ব্যাখ্যায় বলা হয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই সব শর্ত অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

সংস্কার ও গণভোটকে বাংলাদেশের বাস্তব সংকটের প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করে প্রেস উইং জানায়, এটি কোনো বিমূর্ত নীতিগত প্রশ্ন নয়। বরং দীর্ঘদিনের শাসনব্যর্থতার জবাব, যা বছরের পর বছর নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্বিগ্ন করেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন ও তত্ত্বাবধানকারী সংস্থার রাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশকে সংকটে ফেলেছে।

আরও পড়ুন

এ বাস্তবতায় সংস্কারের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানকে ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহিতার প্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যিনি নিজে সংস্কারের সমস্যা চিহ্নিত করেছেন এবং সমাধানে ঐকমত্য তৈরির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার জন্য নীরব থাকা হবে অসংগত ও দায়িত্বহীন—এমন মন্তব্য করা হয় ব্যাখ্যায়।

আন্তর্জাতিক নজির তুলে ধরে প্রেস উইং জানায়, বিশ্বজুড়ে বহু দেশে সরকারপ্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরিবর্তনসংক্রান্ত গণভোটে প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোট, স্কটল্যান্ডের ২০১৪ সালের স্বাধীনতা গণভোট, তুরস্কের ২০১৭ সালের সাংবিধানিক গণভোট, কিরগিজস্তান ও ফ্রান্সের বিভিন্ন গণভোটে সরকারপ্রধানদের ভূমিকার উদাহরণ দেয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানদের অবস্থানকে অগণতান্ত্রিক বলা হয়নি, বরং এটিকে রাজনৈতিক জবাবদিহিতার স্বাভাবিক প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। নেতারা যা সঠিক মনে করেন তার পক্ষে কথা বলেন এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেন।

গণভোটের বৈধতা নেতাদের নীরবতার ওপর নির্ভর করে না, এটি নির্ভর করে ভোটারদের স্বাধীনভাবে পক্ষে বা বিপক্ষে মত দেয়ার সুযোগের ওপর।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যের কথাও ব্যাখ্যায় তুলে ধরা হয়। গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয়। প্রধান উপদেষ্টা ও তার উপদেষ্টারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক লাভ বা দলীয় সুবিধা চান না। তাদের দায়িত্ব স্পষ্টভাবে সময়সীমাবদ্ধ ও অন্তর্বর্তী।

জেলা পর্যায়ে সরকারি প্রচারণা নিয়ে ওঠা উদ্বেগের বিষয়ে প্রেস উইং জানায়, এসব কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব জনগণের কাছে স্পষ্ট করা, বিশেষ করে যেখানে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি সচেতন অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ক্রান্তিকালীন সময়ে এ ধরনের সরকারি সম্পৃক্ততা স্বাভাবিক এবং এটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত বা অনৈতিক প্রচারণা বলা যায় না। জন পরিসরে থাকা আলোচনায় সরকারের উপস্থিতি বিরোধী মত দমন করে না, বরং নিশ্চিত করে যে নাগরিকরা বুঝে-শুনে সংস্কার বিষয়ে মতামত দিতে পারেন।

ব্যাখ্যায় আরো বলা হয়, এই সময়ে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সমর্থনে নয় বরং দ্বিধা ও নীরবতায়।

অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারের দায়িত্ব নিয়েছে, তা সমর্থন না করলে জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ এবং পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হবে।

ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান সংস্কারমূলক ম্যান্ডেট, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের অঙ্গীকার, আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চা এবং ভোটারদের প্রতি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণের হাতেই থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের নিশ্চয়তা। নেতৃত্ব সেই সিদ্ধান্ত কেড়ে নেয় না, বরং তা স্পষ্ট ও অর্থবহ করতে সহায়তা করে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল পুরো দেশ। আর এই আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়সওয়াল।  তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেখানে নানা ঘটনাবলি ঘটছে এবং আমরা সেসব ঘটনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের অভিমুখে কাজ করতে চাই। বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়ায়। বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকায় সকালে কিছু কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এলে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।  তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম। এ ছাড়া ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে।  জয়সওয়াল বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে কোনও নতুন আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানানো হবে। আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত: জয়সওয়াল
দফাদার এখন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদার হবেন ‘গ্রাম পুলিশ’
ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। ‘দফাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ পদবি পরিবর্তন করে ‘গ্রাম পুলিশ’ করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. বোরহান উদ্দীনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৯৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও চাকরির শর্তাবলি সম্পর্কিত বিধিমালা, ২০১৫ সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, মূল বিধিমালার সর্বত্র ব্যবহৃত ‘দফাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ এবং ‘মহল্লাদার’ শব্দের পরিবর্তে ‘গ্রাম পুলিশ’ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ সংশোধন অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব আতিকুল ইসলাম প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন। আরটিভি/এসআর  
দফাদার এখন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’, মহল্লাদার হবেন ‘গ্রাম পুলিশ’
পুলিশের এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) অব পুলিশ নিয়োগ-২০২৬ এর লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা এবং বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টারসের রিক্রুটমেন্ট ও প্ল্যানিং-২ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ফল প্রকাশ করা হয়।  এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০০০ জন পরীক্ষার্থী। ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) অব পুলিশ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে লিখিত ও মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা এবং বুদ্ধিমত্তা ও মৌখিক পরীক্ষার (Aptitude Test and Viva-voce) ফলাফলের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে জেলাভিত্তিক শূন্যপদের বিপরীতে প্রাথমিকভাবে সুপারিশকৃত ২০০০ জনসহ অপেক্ষমান প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজারবাগ, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচী যথাসময়ে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড হতে প্রার্থীর নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশের এএসআই নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদযাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ ঘোষণা
আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ঢাকা-দাম্মাম-ঢাকা রুটে আবারও নিয়মিত ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার সময়সূচিতে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে। দাম্মাম রুটে ৭ নভেম্বর থেকে নিয়মিত ফ্লাইট শুরু হবে। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন দিনের বেলায় এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। অন্যদিকে, রিয়াদগামী যাত্রীদের উল্লেখযোগ্য অংশ বিকল্প পথে সৌদি আরবে যাতায়াত করায় এ রুটে বর্তমানে পর্যাপ্ত যাত্রী চাহিদা নেই। এ কারণে ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছে তারা। আরটিভি/এসআর  
সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর তারিখ ঘোষণা
আরও পড়ুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন
এবার বেসরকারি শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে নতুন খবর
‘তিন মাসে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার’