ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

বৈশাখী ভাতা ও পেনশন নিয়ে বড় সুখবর পেতে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
ফাইল ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেল। নতুন এই সুপারিশে মূল বেতনের পাশাপাশি বৈশাখী ভাতা এবং পেনশনের হারে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুখবর দিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এই সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে কমিশন।

বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন। নতুন পে-স্কেলে এই ভাতার হার কয়েক গুণ বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার জোরালো সুপারিশ করা হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় এবং উৎসবের গুরুত্ব বিবেচনা করে এই প্রস্তাবনা দিয়েছে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন।

এছাড়া, পেনশনভোগীদেরকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। যারা মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত যাতায়াত ভাতার আওতা বাড়ানো এবং নিম্ন ধাপের কর্মচারীদের জন্য বেশি হারে বাড়িভাড়ার সুপারিশও থাকছে এই প্রতিবেদনে।

আরও পড়ুন

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গ্রেডভেদে বেতন ১০০ শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে, সর্বনিম্ন বেতন (২০তম গ্রেড) বর্তমানের ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২০ হাজার টাকায়। অন্যদিকে বর্তমানের ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা হচ্ছে সর্বোচ্চ বেতন (১ম গ্রেড)।

কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক এবং ১ জুলাই থেকে পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর এটি বিভিন্ন কমিটি দ্বারা যাচাই-বাছাই করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছর ধরে একই বেতন কাঠামোতে চলছিলেন প্রায় ১৫ লাখ সরকারি চাকরিজীবী। নতুন এই উদ্যোগের ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
দিল্লি না, পিন্ডি না, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই দীপ্ত উচ্চারণের মধ্য দিয়ে দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেছেন, ইতিহাস সচেতন বর্তমান প্রজন্ম ৭ নভেম্বরের প্রেরণায় উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ আর পথ হারাবে না। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা রক্ষায় সিপাহী-জনতার ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে স্বপরিবারে গৃহবন্দি করেছিল। কিন্তু দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই ষড়যন্ত্র রুখে দেয়। এর মাধ্যমেই জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর হিসেবে ৭ নভেম্বরের জন্ম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশে পুনরায় একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। বিডিআর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করেছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাজারো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে সেই পরাজিত অপশক্তির পুনরায় পতন ঘটেছে এবং দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একটাই পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’ দেশের নাগরিকদের পরিচয়ের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—সবার একটাই গর্বিত পরিচয়, ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক থাকবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়, এটি আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। তিনি তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশে বর্তমান সরকারের বদ্ধপরিকর হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার মূল মন্ত্রকে ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকেই দায়িত্ব নিতে হবে। তারেক রহমান উপস্থিত হাজারো কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীর উদ্দেশে স্লোগান ধরেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ’। এ সময় পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে উপস্থিত জনতা সমস্বরে বলে ওঠেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপন কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এবং বাংলাদেশ স্কাউটস-এর যৌথ উদ্যোগে এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
দিল্লি না, পিন্ডি না, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন।
৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস / বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
নয়াপল্টনে ঘোড়ার গাড়ি ও হাতির উপস্থিতি উৎসুক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী এ আয়োজন শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে।
বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু, নেতৃত্বে তারেক রহমান
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
‘সিপাহি-জনতা ভাই ভাই, জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘সিপাহি বিপ্লব জিন্দাবাদ, জেনারেল জিয়া জিন্দাবাদ’এমন নানা স্লোগানে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর উত্তাল হয়ে উঠেছিল ঢাকা সেনানিবাস ও রাজধানীর রাজপথ। ব্যারাক ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈনিকেরা।
যেসব স্লোগানে উত্তাল হয়েছিল ৭ নভেম্বরের রাজপথ
আরও পড়ুন
২০২৭ সাল ঘিরে বড় সুখবর, দুই ঈদে থাকছে লম্বা ছুটি
সর্বজনীন পেনশন নিয়ে বড় সুখবর!
সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার
চলতি বছর সুখবর পাচ্ছেন ৪৩ লাখ কৃষক