ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

গণভোট প্রচারে ছয় মন্ত্রণালয় নিচ্ছে ১৪০ কোটি টাকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
গণভোট।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতিতে সরকারের নির্বাচনি ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জাতীয় নির্বাচনের জন্য বরাদ্দের সঙ্গে গণভোট আয়োজনের অতিরিক্ত বাজেট যুক্ত হওয়ায় মোট নির্বাচনি ব্যয় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি, পরিচালনায় এক হাজার ২০০ কোটি এবং অন্যান্য কার্যক্রমে ব্যয় হবে। এ ছাড়া গণভোটের প্রচারে নির্বাচনি ব্যয় থেকে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা পাচ্ছে ছয় মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাজেট শাখা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ইসির বাজেট শাখা থেকে জানা যায়, গণভোটের প্রচারে ছয়টি মন্ত্রণালয় মোট প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যবহার করবে। এর মধ্যে সাংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ৪৬ কোটি, তথ্য মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৭১ লাখ, ধর্ম মন্ত্রণালয় ৭ কোটি, এলজিইডি ৭২ কোটি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৫২ লাখ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। চারটি মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বরাদ্দ পেয়েছে। আর সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর অর্থ নেবে। এ ছাড়া ইসির নিজস্ব জনসংযোগ শাখা গণভোটের প্রচারে ব্যয় করছে ৪ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

বাজেট শাখা আরও জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ব্যয় হবে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, পরিচালনায় ব্যয় হবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। সব মিলিয়ে নির্বাচনি ব্যয় ৩ হাজার কোটি টাকার ওপরে গিয়ে ঠেকেছে।

এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, প্রথমে আমরা নির্বাচনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে দুই হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। পরে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট করার নির্দেশনা দেয় সরকার। সে মোতাবেক অর্থ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত বাজেটের চাহিদা পাঠানো হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। সব মিলিয়ে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। সেইসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ অনুযায়ী কিস্তির টাকা সময়মতো পেয়েছে ইসি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট পেপার, কর্মী, যাতায়াত, খামসহ নির্বাচনি সামগ্রী বাবদ খরচ করছি। কিছু প্রচার-প্রচারণা ও কেনাকাটা কমিশন নিজেই করছে। এ ছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের এনওসির পরিপ্রেক্ষিতে এলজিইডি (সিসি ক্যামেরা), সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়, ধর্ম, তথ্য, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গণভোটের পক্ষে প্রচারের জন্য আমাদের বরাদ্দ থেকে অর্থ নিয়েছে। তারা কীভাবে প্রচার করছে এবং কাকে দিয়ে প্রচার করছে সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।

এদিকে মাঠপর্যায় থেকে জানা যায়, গণভোটের জন্য সারাদেশে তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণা হচ্ছে না। শুধু টেলিভিশন, রেডিও’তে এবং লিফলেট বিতরণেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি সরকারি মন্ত্রণালয়সহ উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচন অফিসে গণভোটের হ্যাঁ’তে ভোট দেওয়ার জন্য বড় বড় ব্যানার প্রদর্শিত হচ্ছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সিসি ক্যামেরা, ব্যানার, ফেস্টুনসহ গণভোটের প্রচার সামগ্রী তৈরি ও বিতরণের জন্য কোন কোন উপদেষ্টার সুপারিশের ভিত্তিতে তৃতীয় পক্ষকে কাজ দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে তাদের মধ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
শ্রমিক আন্দোলনকে সহিংসতার পথে নিয়ে যাচ্ছে কারা?
পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক আন্দোলনে নেতৃত্ব, সহিংসতা ও উসকানির পেছনে পতিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।
শ্রমিক আন্দোলনকে সহিংসতার পথে নিয়ে যাচ্ছে কারা?
‘একটি রাজনৈতিক দল আন্দোলনে ঢুকে অরাজকতার চেষ্টা করছে’
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। 
‘একটি রাজনৈতিক দল আন্দোলনে ঢুকে অরাজকতার চেষ্টা করছে’
ডিসেম্বরকে টার্গেট করে শ্রমিক আন্দোলন, নেপথ্যে আওয়ামী লীগ: গোয়েন্দা প্রতিবেদন
তৈরি পোশাক খাতে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন ও নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে কাজে লাগিয়ে ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, কারখানা ভাঙচুর এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিসেম্বরকে টার্গেট করে শ্রমিক আন্দোলন, নেপথ্যে আওয়ামী লীগ: গোয়েন্দা প্রতিবেদন
‘পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে ভয়ংকর ছক কষছে নিষিদ্ধ আ.লীগ’
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার। ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনে সাধারণ শ্রমিকদের ব্যবহার করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি গোয়েন্দা সূত্রের। তবে আগাম তথ্য থাকার পরও সরকার কার্যকর প্রস্তুতি নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য- এরকম খবর মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দেশের প্রায় সব পত্রিকার প্রথম পাতায় জায়গা পেয়েছে।
‘পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে ভয়ংকর ছক কষছে নিষিদ্ধ আ.লীগ’
আরও পড়ুন
তিন মাসে ৬১৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র
শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ৬৭০ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে