ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

তারেক রহমানকে ফোন করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, হলো যে আলাপ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৪ এএম
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ে অর্জনের জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাতে ফোন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ফোনে পাকিস্তান সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ ফোনালাপের কথা জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ফোনালাপে শেহবাজ শরিফ বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক ও জোরালো বিজয়ের জন্য পাকিস্তান সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি সফলভাবে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রতিফলন।

আরও পড়ুন

দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে শেহবাজ শরিফ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও অগ্রগতির জন্য পারস্পরিক সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এ আলোচনায় দুই নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করেন এবং পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়ন ও দুই দেশের জনগণকে কাছাকাছি আনার ক্ষেত্রে তার অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

ফোনালাপকালে শেহবাজ শরিফ তারেক রহমানকে সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণও জানান। জবাবে তারেক রহমানও তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ভবিষ্যতে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হন উভয় নেতা।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, সাইনবোর্ড এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে। বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত কয়েকদিন যাবৎ গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকার শ্রমিকরা বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আসছিল।  এসব ঘটনায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া গতকাল পুলিশের গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ও কারখানার গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। আরটিভি/এসআর
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
শ্রমিক অসন্তোষ, মজুরি বৃদ্ধির দাবি এবং একের পর এক কারখানা বন্ধের ঘটনায় চাপে রয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অসন্তোষ নিরসনে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে আজ গঠিত মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) শুধু সভা আয়োজন নয়, দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়নই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিজিএমইএ, ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রথম সভার মধ্য দিয়ে ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি, মালিকপক্ষের সক্ষমতা এবং শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। গত রোববার (১ নভেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ছয় সদস্যের এ মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন। একই দিন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।বাংলা সংবাদ বোর্ড গঠনের পেছনে রয়েছে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের মজুরি বৃদ্ধির দাবি। বর্তমানে পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। অন্যদিকে, শ্রমিকদের দাবি, এ মজুরি বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে।  দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে বর্তমান মজুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। ফলে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা গুরুত্ব পায়, সেটিও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এদিকে মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা এলেও শ্রমিকদের আন্দোলন থেমে থাকেনি। গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  ১ নভেম্বর বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিক অসন্তোষে দেশের পাঁচটি শিল্পাঞ্চলের ৫২৯টি কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। ওই দিন প্রায় ৯ লাখ ৮৭ হাজার শ্রমিক কর্মস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যান। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে মালিকপক্ষের মধ্যে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যত দ্রুত সম্ভব মজুরি বোর্ডের সভা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। তিনি বলেন, আমরা কারখানাগুলো চালু রাখার চেষ্টা করছি। শিল্প ও শ্রমিকদের স্বার্থে শ্রমিকদের ভাঙচুর ও বিক্ষোভ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যদিকে, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দ্রুত নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার পাশাপাশি তা কার্যকরের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা জানানোর দাবি রয়েছে। সংশোধিত শ্রম আইন অনুযায়ী, নতুন মজুরি কাঠামো ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা পোশাকশিল্পের চলমান সংকট নিরসনের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। তবে শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সামর্থ্যের মধ্যে সমন্বয় করা সহজ হবে না। একদিকে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করা, অন্যদিকে শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা-দুই দিক সামলাতে হবে বোর্ডকে।  তাই আজকের সভায় শুধু আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু নয়, নতুন মজুরি নির্ধারণের সময়সীমা ও পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে কী দিকনির্দেশনা আসে, সেদিকেই নজর থাকবে শ্রমিক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবার। আরটিভি/এসআর
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে এবং বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকরা।
শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের
গাজীপুরে আন্দোলনের সময় আহত সেই পোশাক শ্রমিক মারা গেছেন
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনের সময় গাজীপুরে আহত পোশাক শ্রমিক তৌফিক শেখ (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবিবর রহমান তবির ছেলে তিনি। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহফুজ। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তৌফিকের মরদেহ গ্রামের বাড়ি এসে পৌঁছেছে। আগামীকাল বুধবার তার দাফন হবে। কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিক মারা যান। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছয়ঘরিয়ে গ্রামে তার জানাজা হবে। এরপর গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। স্বজনরা জানান, তৌফিক ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। বাবার মৃত্যুর পর জীবন-জীবিকার তাগিদে তৌফিক এক বন্ধুর মাধ্যমে গাজীপুরের পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। তিনি বাংলাবাজার এলাকায় বাসা ভাড়ায় বসবাস করতেন। তৌফিক শেখের বড় ভাই হারুন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, কয়েক দিন ধরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছে। সোমবার আন্দোলন চলাকালে তৌফিক হামলার ঘটনার দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি বলেন, এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে আন্দোলনরত শ্রমিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা গেছে আমার ভাই। আরটিভি/এসআর
গাজীপুরে আন্দোলনের সময় আহত সেই পোশাক শ্রমিক মারা গেছেন
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দখল করার আগেই পোশাক শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত কয়েক দিনের মতো আজও উত্তপ্ত রয়েছে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা। পদ্মার মোড়ে জড়ো হয়ে একসঙ্গে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ দুই দফায় কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে এই ঘটনা ঘটে। তবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পরও শ্রমিকরা বিচ্ছিন্নভাবে আশপাশের বিভিন্ন গলি ও সড়কে অবস্থান নেন। এতে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই ঘটনার পর সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে পদ্মার মোড় ও হেমায়েতপুর এলাকার আটটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।  কারখানাগুলো হলো— দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওভেন লিমিটেড, দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওয়াশ লিমিটেড, সামশ স্টাইলিং ওয়্যার লিমিটেড, রূপকথা অ্যাপারেলস লিমিটেড, পদ্মা ক্যান্স লিমিটেড, ব্যাবিলন ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেড, অবনী নিট ওয়্যার লিমিটেড এবং জিন্স ম্যানুফ্যাকচার লিমিটেড। এ ছাড়া ম্যাক্সকম ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড ও পাইওনিয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানা দুটিতে কর্মবিরতি চলছে। আরটিভি/এসআর
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দখল করার আগেই পোশাক শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ
আরও পড়ুন
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
হার্ভার্ডে ভর্তির স্বপ্ন, প্রতারণার ফাঁদে প্রাণ গেল পাকিস্তানি তরুণীর