ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শহীদ মুগ্ধের অসুস্থ বাবার চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মুগ্ধের বাবা সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি হন।

সোমবার (৩০ মার্চ) তার জটিল হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দলের মাধ্যমে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

শহীদ মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমানের অসুস্থতার খবর জানামাত্র বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে এবং পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন

এরপর আজ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুনের উপস্থিতিতে একটি প্রতিনিধিদল হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যায়। তারা মুগ্ধের বাবার সার্বিক চিকিৎসার তদারকি করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মীর মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন এবং মুগ্ধের বড় ভাই দিপ্ত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন— ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মুস্তাকিম বিল্লাহ, জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিউটের ড্যাব সাধারণ সম্পাদক ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক এটিএম নুরুন্নবী শাহ, সহকারী পরিচালক ডা. মেজবাহ উদ্দিন আহমদ, সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক ডা. সরোয়ার হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ডা. সাদেকুল ইসলাম, ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আজহারুল ইসলাম হামীম, মো. আমান উল্লাহ, অপু দেবনাথ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমারনে পক্ষে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ শহীদ মীর মুগ্ধের বাবার চিকিৎসা প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
হঠাৎ শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ
বাইক, গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ
জরিমানা ছাড়া মোটরযানের যাবতীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
বাইক, গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
শেখ হাসিনাকে ভারতে ঢুকতে দেয়া ছাড়া ওই সময় ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবা‌বে ভারতীয় হাইক‌মিশনার এ কথা ব‌লেন।  দীনেশ ত্রিবেদী করেন, ঐতিহাসিক ও পুরোনো বন্ধু হিসেবে তৎকালীন সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারতের যা করা উচিত ছিল, তারা ঠিক সেটাই করেছে। শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনুমতি না দিলে কী ঘটতে পারত তা কারও জানা নেই। তিনি বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং আমরা আশা করি, প্রার্থনা করি যে, এমনটা যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন। তি‌নি আরও ব‌লেন, সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। আমি টেলিভিশনে দেখছিলাম এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে তিনি অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। তাই সেই সময়ে, শেখ হাসিনা তখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া আমাদের দায়িত্ব ছিল। ভারতীয় হাইক‌মিশনার ব‌লেন, অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল? আমরা যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি যে কী দাঁড়াতো তা আমার জানা নেই। সুতরাং এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ। তি‌নি আরও বলেন, বাকিটা আমার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আপনিও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবেন বলে আশা করি। আর আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে। আরটিভি/টিআর
শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য দাবার বোর্ড হতে চাই না।
বাংলাদেশ অন্য খেলোয়াড়দের ‘দাবার বোর্ড’ হতে চায় না: শামা ওবায়েদ
গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কেরানীগঞ্জ: ডিএমপি কমিশনার
আগামী তিন মাসের মধ্যে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়াতে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, মিরপুরের উচ্ছেদ অভিযানে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে মহাখালী বাস টার্মিনালের নতুন জায়গা দেখতে এসে এ কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার। মহাখালী বাস টার্মিনালের নতুন করে বরাদ্দকৃত জায়গা দেখতে আসেন বাস মালিক সমিতির নেতারা। এ সময় ৮০টি বাস রাখার মতো নতুন জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ডিএমপি কমিশনার বলেন, বর্তমান সরকার বাস ডিপো ও টার্মিনাল আলাদা করার কাজ করছে। মহাখালী টার্মিনাল নিজ জায়গায় থাকলেও ডিপো নিয়ে যাওয়া হবে পূর্বাচলে। এ ছাড়া ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল তিন মাসের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেরানীগঞ্জে চুনকুটিয়াতে। আলাদা করা হবে টার্মিনাল ও ডিপো। এদিকে সম্প্রতি মিরপুরের সিটি করপোরেশনে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি। এ সময় মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা বলেন, ঢাকার বাস টার্মিনাল এলাকার যানজট নিরসনে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আরটিভি/ এসকেডি
গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কেরানীগঞ্জ: ডিএমপি কমিশনার
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার কাছে ২টি ডাবল ডেকার বাস উপহার চাইলেন ইবি উপাচার্য
ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
‘২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার’
এবার ভারতে ককরোচ পার্টির ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচি