ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে ১৯২ আরবান হেলথকেয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী চিন্তা ও পরিকল্পনার ফলেই দেশের বিভিন্ন নগরে নির্মিত ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনে হস্তান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত বা আংশিক ব্যবহৃত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে পুনরায় জনগণের সেবায় কার্যকরভাবে নিয়োজিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, একটি প্রকল্পের আওতায় দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন ও ২৩টি পৌরসভায় এসব আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, প্রকল্প চলা সময়ে এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে নগর এলাকার বিপুল জনগোষ্ঠী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছে। তবে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রই ধীরে ধীরে অচল বা অব্যবহৃত হয়ে পড়ে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও কোথাও জনবল সংকট, কোথাও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি, আবার কোথাও তদারকির অভাবে কেন্দ্রগুলো কাক্সিক্ষতভাবে পরিচালিত হচ্ছিল না। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে এবং জনগণ প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, একটি ভবন বা অবকাঠামো নিয়মিত ব্যবহার না হলে তা দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়। নতুন করে আবার বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে একই ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ করা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়।

তিনি বলেন, এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই প্রধানমন্ত্রী একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যাতে বিদ্যমান স্থাপনাগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায় এবং জনগণ সর্বোচ্চ সুবিধা পায়।

তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাথে দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সম্মতিক্রমে সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চিঠি জারি হওয়ার মধ্য দিয়েই কার্যত হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে জটিল কোনো আনুষ্ঠানিকতা রাখা হয়নি, যাতে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা যায়।

হস্তান্তর প্রক্রিয়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা ইনভেন্টরি প্রস্তুত করা হবে। এরপর তা সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কেন্দ্রগুলো পরিচালনার পথ সুগম হবে।

তিনি আরও বলেন, হস্তান্তরের পর এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্ব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বহন করবে। এর মধ্যে রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা, মেরামত এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ। তবে বর্তমানে ঠিক কত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স বা কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব কেন্দ্রে নিয়োজিত হবেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করবে ঠিক কতসংখ্যক ডাক্তার, নার্স বা কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব কেন্দ্রে নিয়োজিত হবেন।

প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে নগর এলাকার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠী সহজেই তাদের নিকটবর্তী কেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা পাবে, ফলে বড় হাসপাতালের ওপর চাপও কিছুটা কমবে।

গত ২২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এপ্রিল ২০২৬ এর মধ্যেই ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কাছে হস্তান্তর সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ভবনসমূহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।

একই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পৌরসভাগুলোর ক্ষেত্রে সিইও বা প্রশাসকরা এই হস্তান্তর কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সভায় আরো জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ ৪১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৩০টি, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৫টি, খুলনায় ২৮টি এবং রাজশাহীতে ১৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র অবস্থিত। বাকি কেন্দ্রগুলো অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় ছড়িয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন

সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে মতামত দেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছি। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে খুব দ্রুত এই উদ্যোগের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির আদলে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নৌপথের টার্মিনাল ও ফেরিঘাটে বাড়তি নজরদারি, অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং ৩৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূজার ছুটিতে মানুষ যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বস্তিতে গ্রামের বাড়ি কিংবা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথে ভোগান্তি কমানো এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, এবার পূজার ছুটি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দীর্ঘ হওয়ায় যাত্রী চলাচল বাড়তে পারে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদযাপনে বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি অন্য ধর্মের মানুষও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামে কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে যেতে পারেন। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই ঈদের ছুটির মতো বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং পরিবহনসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথ সভা হয়েছে। সভায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, সদরঘাটসহ দেশের বিভিন্ন নৌবন্দর ও টার্মিনাল ছুটি শুরুর আগেই প্রস্তুত রাখা হবে। পাটুরিয়াসহ দেশের ১২ থেকে ১৩টি চালু ফেরিঘাটে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীচাপ বাড়লে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত ফেরি ও লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হবে, যাতে নিয়মিত পরিবহনের বাইরে বাড়তি যাত্রী ও যানবহন পারাপার করা যায়। ছুটির সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নৌবন্দর ও ফেরিঘাটে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হবে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মন্ত্রণালয় থেকে তা সার্বক্ষণিক তদারকি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের কথা জানিয়ে রাজীব আহসান বলেন, ঈদের মতো এবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিজিবি ও আনসার সদস্যদেরও কাজে লাগানো হবে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঘাট বা সড়কে কোনো জটিলতা তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ২৫ থেকে ৩০ জন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৫টি মোবাইল কোর্ট প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘাটগুলোতে নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং অনুমতি ছাড়া বাস প্রবেশ রোধে স্থায়ী ব্যারিকেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেরিতে ওঠানামার সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস থেকে যাত্রী নামানো এবং ফেরি থেকে বাস ওঠানামার নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঝড় বা বৈরী আবহাওয়া তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে নৌযান চলাচল ও যাত্রী নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সদরঘাটের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ পথে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হলে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলগামী সড়কপথের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। দীর্ঘদিনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা কাটিয়ে সদরঘাটকে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার কাজ চলছে। নৌপথের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বড় লঞ্চে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পরিবহন সম্ভব। ঈদের সময় প্রতিদিন শতাধিক বড় লঞ্চ চলাচল করলেও স্বাভাবিক ছুটিতে এ সংখ্যা কম থাকে। তবে নৌপথের সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগালে সড়কপথের ওপর থেকে যাত্রীচাপ কমানো সম্ভব হবে। সবশেষে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের নেওয়া সমন্বিত প্রস্তুতির ফলে পূজার ছুটিতে মানুষ নিরাপদে ও স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। আরটিভি/এসআর
দুর্গাপূজায় যাত্রীদের নিরাপত্তায় থাকছে ৩৫ মোবাইল কোর্ট: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ৬১টি ফ্লাইটের অন্তত ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী। এসব ফ্লাইটের মধ্যে ২২টি সরাসরি ও ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে গাছপালা কাটা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের কয়েকটি এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য
নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সাথে বৈঠক করেছেন নেদারল্যান্ডস সরকারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার এইচ.ই. স্টিভেন কোলেট। 
নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক
আরও পড়ুন
নবম পে-স্কেল অনুমোদন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুঃসংবাদও
তারেক রহমানকে পাঠানো চিঠিতে যা লিখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ