ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুগদা হাসপাতাল ১ হাজার শয্যায় উন্নীত হচ্ছে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১০:৫২ এএম
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

রোববার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করার প্রস্তাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সম্মতি পাওয়ায় স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।

হাবিবুর রশিদ বলেন, মুগদা হাসপাতালকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনকল্যাণমুখী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সবুজবাগ, মুগদা ও বাসাবো এলাকার মানুষ আরও উন্নত ও বিস্তৃত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মুগদা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন হাসপাতালটির সম্প্রসারণ কার্যক্রম উপেক্ষিত ছিল। পরে নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ৫০০ থেকে ১ হাজারে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

হাবিবুর রশিদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি ডিও লেটার দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় এবং আজ রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকেও চূড়ান্ত সম্মতি পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালটিতে প্রতিদিন রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। বিদ্যমান অবকাঠামো ও শয্যাসংখ্যা দিয়ে রোগীদের চাপ সামাল দিতে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ বাস্তবতায় হাসপাতালটিকে এক হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের আওতায় নতুন ভবন নির্মাণ, বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং জনবল বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, হৃদরোগ, কিডনি, নিউরোসার্জারি ও শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।

সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালটি এক হাজার শয্যায় উন্নীত হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় জনগণ স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবার সুযোগ পাবেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর অন্যান্য বড় সরকারি হাসপাতালের ওপর রোগীর চাপ কিছুটা কমবে।

উল্লেখ্য, সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২ এর উপসচিব শুক্লা সরকার স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫০০ থেকে ১০০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুকরণের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়।

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবকে দেওয়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যাবতীয় বিধি-বিধান, আনুষ্ঠানিকতা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্তে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫০০ হতে ১০০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুকরণে অর্থ বিভাগের সম্মতি নির্দেশক্রমে জ্ঞাপন করা হলো।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে দুই নেতার মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর প্রথম দিনেই তিনি কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এসব বৈঠকের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করেন পেজেশকিয়ান। বৈঠকে দুই নেতা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আরটিভি/টিআর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক
আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশ আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। একইসঙ্গে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ বিমান ও মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাওয়ায় তিনি উভয় পক্ষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের সেরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের আরও ১১টি কেনার চুক্তির জন্য বোয়িং ও বিমানকে অভিনন্দন। কর্মকর্তারা জানান, নিউইয়র্কে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে, যা বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিট। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের জন্য আরেকটি উভয়পক্ষের জয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরের সঙ্গে একই সময়ে অনুষ্ঠেয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য তিনি অপেক্ষায় রয়েছেন। বিমান কর্মকর্তারা জানান, গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তির আওতায় ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার অতিরিক্ত হিসেবে নতুন ১১টি উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর ফলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের পরিকল্পিত উড়োজাহাজ সংগ্রহের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫টিতে। তবে অতিরিক্ত ১১টি উড়োজাহাজের মডেল, মূল্য, অর্থায়নের শর্ত এবং সরবরাহের সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, বিমান আরও ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার পৃথক একটি প্রস্তাবও বিবেচনা করছে। আরটিভি/টিআর
আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশে মেটার কার্যালয় খোলার আমন্ত্রণ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মেটার চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ প্রস্তাব দেন।
বাংলাদেশে মেটার কার্যালয় খোলার আমন্ত্রণ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক