ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও ব্যয় সাশ্রয়ে কাজ করছে সরকার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও ব্যয় সাশ্রয় করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর বনানীতে ‘কৌশলগত সম্পদে দেশীয় বিনিয়োগের অগ্রাধিকার’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব ভিত্তি শক্তিশালী করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সমন্বয়ে অংশগ্রহণমূলক বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও ব্যয় সাশ্রয় করতে কাজ চলছে।

বৈঠকে আলোচকরা বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। অথচ দেশীয় অনেক প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানে কাজ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

আরও পড়ুন

বক্তারা আরও জানান, বিদেশি বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৌশলগত খাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের ন্যূনতম সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক যৌথ উদ্যোগ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি করতে হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শনিবার দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায়
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নির্মাণকাজের জন্য শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজশাহী ও বগুড়ার বেশকিছু এলাকায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না।
শনিবার দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায়
‘স্থপতিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করতে চায় সরকার’
স্থপতিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, কর্মসংস্থান এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
‘স্থপতিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করতে চায় সরকার’
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
বিরোধী দল যদি বিরোধী দলের মতো ভূমিকা পালন না করে এবং সেই সুযোগে ফ্যাসিবাদী শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তবে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার দায় জামায়াতকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপি আয়োজিত দেশজুড়ে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। শামা ওবায়েদ বলেন, ১৭ বছর নির্যাতন দেখেছি, হামলা-মামলা দেখেছি, গুম দেখেছি। ছাত্র-জনতা যখন স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছে এবং দেশ যখন স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তখন আবারও ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎ খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছে। ইউনূস সরকারের সময়ও এ খাতে কোনো কাজ হয়নি। বর্তমান সরকার সুচারুভাবে এ খাতকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দলের মধ্যে যেন স্বৈরাচারী শক্তি প্রবেশ করে কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যারা আড়াল করতে চায় এবং অপমান করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধেও বিএনপির অবস্থান রয়েছে। বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি নগরকান্দা সদর পেট্রোল পাম্প থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নগরকান্দা এমএন একাডেমি মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ১০ অক্টোবর দিবসটি পালিত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দৃশ্যত স্বাস্থ্যবান অথবা নীরোগ থাকাটাই স্বাস্থ্য নয়; বরং শারীরিক, মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকার নামই স্বাস্থ্য। সুতরাং, কোনোভাবেই মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’-এ মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হবে। তারেক রহমান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কেবল চিকিৎসার বিষয় নয়, এটি মানুষের মর্যাদা, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কাউকে তার মানসিক সমস্যার জন্য অবহেলা বা বিচ্ছিন্ন না করে তার কথা শুনতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ সহজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবনযাপনকারীদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে শোনা এবং সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা প্রকৃত পরিবর্তনের পূর্বশর্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্ব পাবে। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগলেও সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, সেবার সীমিত সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকে যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। এ কারণে সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা, গুণগত মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রান্তিক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য, শিশু-কিশোরদের মানসিক সুস্থতা এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকেও সরকার যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শুনতে হবে, সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। তিনি বলেন, সরকার, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে কেউ সংকোচ বোধ করবে না, সহায়তা চাইতে কেউ লজ্জিত হবে না কিংবা নিজেকে একা বা অবহেলিত মনে করবে না। সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ মর্যাদা, আশা ও সম্ভাবনা নিয়ে সুস্থ ও অর্থবহ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের ও বিশ্বের সব মানুষের সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন এবং দিবসটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। আরটিভি/এসআর
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী
সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষ করে বিমানবন্দরে হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সৌদি আরবে হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা
আরও পড়ুন
লংমার্চকারীদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে: প্রতিমন্ত্রী সাকি 
দেড় মাসের জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী