ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
আজ দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়

জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং সকলের সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সৈনিকসহ দেশের সাধারণ মানুষ দেশকে যেভাবে কল্পনা করে, সরকার চেষ্টা করছে পর্যায়ক্রমে দেশটাকে সেভাবেই গড়ে তুলতে। আমি বহু বছর দেশে থাকতে পারিনি। কেন পারিনি সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না।

কারণ সেসময় দেশে ভালো-মন্দ কী হয়েছে, তা নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। কিন্তু এখন আমরা দেশকে ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।

দেশ গঠনে সবার দায়িত্ব রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সবারই নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে সেগুলো পালন করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্খিত দেশটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আজ ঈদের দিনে আসুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এবং তাঁর রহমত কামনা করি।

তিনি যাতে আমাদের সকলকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন।'

তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা যাতে সারাদেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে পারি এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি-আল্লাহর কাছে এটাই চাওয়া।'

আরও পড়ুন

ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এই প্রীতিভোজের আয়োজন করে। এতে অফিসার ও সৈনিকরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর অফিসার, সৈনিক এবং তাদের সন্তানদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

পরে তিনি ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করে।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা সেনানিবাসে তাঁর শৈশবকালের স্মৃতি রোমন্থন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে আরও উঠে আসে প্রতিদিন বিকেলে শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে সাইকেল চালিয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা।

তারেক রহমান বলেন, ‘ওই সময়ে প্রায় প্রতিদিন বিকেল বেলা বন্ধুদের সঙ্গে বের হতাম ৭/৮ টা সাইকেল নিয়ে। সাইকেল চালাতে চালাতে সিগনালের কাছে মসজিদটার ওখানে যেতাম। সেই মসজিদটা এখন আরও অনেক সুন্দর! তখন পুরোপুরি সাদা চুনের পেইন্ট করা ছিল।'

তিনি আরও বলেন, ‘মূল বিষয়টা হচ্ছে যে এই এলাকাটা বহু পুরানো। আমরা যেখানে বসে আছি, একসময় এখানে জঙ্গলের মত ছিল। আপনারা এখন অনেক সুন্দর একটা জায়গা দেখছেন কিন্তু তখন রাস্তাটা সরু ছিল।

আমি আজ এমন একটা স্থানে এসেছি, যেখানে আমার জীবনের বিরাট একটা বড় অংশ জড়িয়ে আছে। আমার ভালো-মন্দ, কষ্ট-ব্যথা, সুখ-দুঃখের বিশাল স্মৃতি এই পুরো এলকিায় মিশে একাকার আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ঈদ, আনন্দের দিন। আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম কারণ এই জায়গাটায় এলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। কারণ ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকের ভেতরে ঘুরে বেড়াতাম, তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।'

অফিসার ও সৈনিকদের দেশমাতৃকার প্রতি দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেশের প্রয়োজনে অনেকেই হয়ত আজ ছুটিতে যেতে পারেননি। স্বাভাবিকভাবে ঈদের সময় মানুষ পরিবারের সঙ্গেই থাকতে চায়। আপনাদের স্যাক্রিফাইসের জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশ এবং জাতি আপনাদের এই আত্মত্যাগকে অবশ্যই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।' সেনা সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের দায়িত্ব পালন ও কল্যাণের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে। সাম্প্রতিক একটা ভিডিওকে আপনাদের সাফল্যের মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কয়েক মাস আগে একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছিল; দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন ধরানো হয়েছিল। আপনারা সেখান থেকে প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।’

তিনি বলেন, দেশের এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে সৈনিকরা জীবন দেয়। আর আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, সেই জীবন এবং সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা। আর সেটির প্রথম শর্ত হচ্ছে নিজের দেশ সম্পর্কে সবার আগে চিন্তা করা। কারণ আমরা সবাই এই দেশটাকে ভালো অবস্থানে দেখতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজের সকল স্তরের মানুষ চায়, তাদের সন্তানেরা যেনো সুন্দরভাবে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় এবং পরিবারের সদস্যরা যাতে সুচিকিৎসার সুযোগ পায়।

সাধারণত মানুষ যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে, আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।’

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাক শিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও অসন্তোষের মধ্যে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শুরু হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়।  বোর্ডের শিল্প শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে গত ১ নভেম্বর নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনের পাশাপাশি পোশাক শিল্পের জন্য পৃথক মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। নতুন বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এবিএম সামছুদ্দিন। অন্যদিকে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিল্পের মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা বোর্ডের সঙ্গে কাজ করেন। শ্রম আইনের ১৩৯ ধারা অনুযায়ী, মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ অথবা উভয় পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কোনো শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের উদ্যোগ নিতে পারে। সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। এদিকে, ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবারও ঢাকা ও গাজিপুরের কয়েকটি এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আরটিভি/এসআর  
পোশাক শিল্পের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকেই শ্রমিকরা কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন এবং সিংহভাগ কারখানাতেই উৎপাদন কার্যক্রম চালু রয়েছে।  তবে আশুলিয়ায় স্বস্তি ফিরলেও পাশের সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হেমায়েতপুর ও পদ্মার মোড় বাসস্ট্যান্ডসহ আশপাশের এলাকার বেশ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই শ্রমিকরা তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড ও পদ্মার মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারশেল) নিক্ষেপ করে। জবাবে শ্রমিকরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে শ্রমিকদের একটি অংশ শান্ত হয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। শিল্পাঞ্চলে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এদিকে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে দুটি পৃথক কারখানা কর্তৃপক্ষ ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
আশুলিয়ায় কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খামে স্বাক্ষর করেন এবং বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে তা অবমুক্ত করেন।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের আবারও তীব্র ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে এবং শ্রমিকেরা পাল্টা ইট-পাটকেল ছুড়লে পুরো কাঠেরপুল এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা একজোট হয়ে এই বিক্ষোভ আন্দোলনে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে যোগ দেন। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।  দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পাল্টাপাল্টি ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে কাঠেরপুল ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ওই এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বিজিবির অন্তত চার প্লাটুন সদস্য মোতায়েন আছে। এর আগে গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য হিউম্যান চেইন করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও তা ভেঙে শ্রমিকরা মূল সড়কে উঠে আসেন। আরটিভি/এসআর        
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও ইট-পাটকেলে রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা 
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশে সফররত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা মন্ত্রীর শ্রদ্ধা 
আরও পড়ুন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো ৭১ এর রাজাকার’
বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর