
‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’ বৈশাখকে এভাবেই আহ্বান করেছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পুরনো বছরের সব গ্লানি, অপ্রাপ্তি, বেদনা ভুলে নব আনন্দে জাগ্রত হবে গোটা জাতি। আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪২৫।বাংলা নতুন বছরের শুভ সূচনা। শুভ নববর্ষ। স্বাগত ১৪২৫।
বাঙালির প্রাণের আর মনের মিলন ঘটার দিন আজ৷ বাঙালি ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিচ্ছে সব বিভেদ, জরা আর দুঃখ ভুলে৷ যা কিছু পুরনো আর জীর্ণ- তাকে বাদ দিয়ে বাঙালি গাইছে নতুনের গান৷ প্রার্থনা একটাই- জাতি যেন পরাভূত করতে পারে সকল অশুভ শক্তি। চৈত্রের রুদ্র দিনের পরিসমাপ্তি শেষে আজ বাংলার ঘরে ঘরে নতুন বছরকে আহ্বান জানাবে সব বয়সের মানুষ। বাঙালির জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন বৈশাখের প্রথম দিন।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সৌদিতে আগুনে পুড়ে বাংলাদেশিসহ নিহত ৯
--------------------------------------------------------
নতুন বছরের সূর্য ওঠার সাথে সাথে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রাজধানীতে বর্ষবরণ। আছে চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকায় এবং সারা দেশে আছে আরও নানা আয়োজন।
এসব আয়োজনে কাছে আসার, কাছে টানার নিখাদ বাঙালিয়ানা। আছে এক অনাবিল আনন্দে অবগাহনের আহ্বান। আজ গ্রাম থেকে শহর, গলি থেকে রাজপথ, আঁকা-বাঁকা মেঠো পথ থেকে অফুরান প্রকৃতি সবখানেই বৈশাখী আমেজ থাকবে।
মুড়ি-মুড়কি, মণ্ডা-মিঠাইয়ের সঙ্গে নাচে-গানে, ঢাকে-ঢোলে, পালাগানে জাতি মেতে উঠবে উৎসবে। ব্যবসায়ীরা খুলবে নুতন হিসেব নিয়ে হালখাতা। চলবে মিষ্টিমুখের আসর।
রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বৈশাখী সব আয়োজন বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে ডিএমপি থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মুখোশও। নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিকট আওয়াজের শব্দদূষণকারী ভুভুজেলা বাঁশি।
নববর্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ ও দুই আইনজীবীর মাধ্যমে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন :
এমকে




