ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সার্বক্ষণিক নির্ভরতার জায়গা হলো ঢাকা মেডিকেল: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দেশের ইতিহাসের সাক্ষী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু চিকিৎসা ক্ষেত্রেই নয়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান- প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে যারা আর বেঁচে নেই, কিন্তু যাদের অবদানে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের সেবায় অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে, তাদেরও স্মরণ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু দেশ-বিদেশের সেরা চিকিৎসকই তৈরি করেনি; এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক, গবেষক, সমাজনেতা ও মুক্তিযোদ্ধাও তৈরি হয়েছেন যারা অন্যের জীবন রক্ষায় নিজেদের জীবন ও স্বার্থ বিলিয়ে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে রাজধানীর মানুষের ‘সার্বক্ষণিক নির্ভরতার জায়গা’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, হাসপাতালের প্রতিটি কক্ষ ও করিডোরে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের আনন্দ-বেদনার গল্প রচিত হয়। এখানে যেমন অনেক জীবনের অবসান ঘটে, তেমনি অসংখ্য নতুন জীবনেরও সূচনা হয়। স্টেথোস্কোপের এক প্রান্তে একজন চিকিৎসকের কান থাকে, অন্য প্রান্তে স্পন্দিত হয় একটি মানুষের জীবন। চিকিৎসক ও রোগীকে ঘিরে আবর্তিত হয় একটি পরিবারের অগাধ বিশ্বাস।

চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের মনোজগতে চিকিৎসকের অবস্থান সুস্থ জীবনের রক্ষক হিসেবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের এক অনুষ্ঠানে বলা কথার পুনরাবৃত্তি করে বলেন, চিকিৎসকেরাই প্রকৃত অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। রোগে-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন চিকিৎসকেরা। একজন চিকিৎসকের পরামর্শ ও আন্তরিক ব্যবহারও রোগীর কাছে ওষুধের মতো কার্যকর হয়ে ওঠে। তাই পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি।

হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদারে সরকার প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আরও পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীর শূন্যপদ দ্রুত পূরণের জন্যও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

‘Prevention is better than cure’- এই নীতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়। পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, হৃদরোগ ও ক্যানসারের মতো বিষয়গুলোতে আগেভাগে স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ পেলে রোগের নিরাময় অনেক সহজ হয়। নিয়মিত পরীক্ষা, সচেতনতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক রোগ শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় সম্ভব।

এ লক্ষ্যেই সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী হেলথ কেয়ারার হবেন, যারা পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন। তিনি বলেন, একটি সুস্থ জাতি শুধু হাসপাতাল দিয়ে গড়ে ওঠে না; পারিবারিক সচেতনতা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরামর্শ, নিরাপদ খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও দায়িত্বশীল জীবনাচরণের ওপরও শারীরিক সুস্থতা নির্ভর করে।

আরও পড়ুন

স্বাস্থ্যখাতে বাজেট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাখাতের পর এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যখাতে। চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে এ বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বাজেট বাড়ানো নয়, বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও চিকিৎসা ব্যয়ও কমানো হয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ৫০০ উপজেলার মধ্যে বর্তমানে মাত্র পাঁচটিতে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় এটি অপ্রতুল হওয়ায় রোগীদের শহরমুখী হতে হয়। এ কারণে বর্তমানে ৩১ থেকে ৫১ শয্যার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সব হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকার হাসপাতালের ভবন নির্মাণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ। শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বিশেষায়িত শিশুচিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজলভ্য হবে।

মেডিকেল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে মেডিকেল বর্জ্যের বিজ্ঞানসম্মত অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সবাইকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ এবং হাসপাতালগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, আজকের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নদের হাত ধরেই চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সবজিতে ব্যবহার হচ্ছে মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক
দেশে সবজিতে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ ও ফলে ৪ শতাংশ বেশি কীটনাশক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। খেজুরে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫ শতাংশ ও শুঁটকি মাছে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক পাওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান কীটতত্ত্ববিদ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) পরিচালক ড. নির্মল কুমার দত্ত। কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)। ড. নির্মল কুমার দত্ত বলেন, বর্তমানে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। ফলে পোকামাকড় রাসায়নিক কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে যাচ্ছে। এ জন্য রাসায়নিক কীটনাশক বেশি লাগছে। আবার অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে উপকারী পোকামাকড় মারা যাওয়ায় ক্ষতিকর পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। কীটতত্ত্ববিদ নির্মল কুমার দত্ত জানান, দেশে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন করে ২৫টির বেশি ক্ষতিকর পোকার আগমন ঘটেছে। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। ড. নির্মল কুমার দত্ত আরও জানান, দেশে প্রায় আট হাজার কীটনাশক অনুমোদিত। যাচাই করে এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ কীটনাশক শতভাগ বিশুদ্ধ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। সিটি ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, পোকামাকড় মারতে বালাইনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে নকল বালাইনাশকের কারণে পোকামাকড় না মরে উল্টো তাদের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবা জাহান বলেন, জৈব বালাইনাশক মূলত প্রকৃতিতেই রয়েছে। এ জন্য উপকারী পোকামাকড়কে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিএআরসির পরিচালক ড. মো. মাহফুজ আলম ও প্রধান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আল মোবাচ্ছের হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. নিজামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক কাওসার আজম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাইফুল মাসুমসহ কৃষি বিটের সাংবাদিকেরা। আরটিভি/এসআর  
সবজিতে ব্যবহার হচ্ছে মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অ্যাটর্নি-জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পাসপোর্ট হারালে কড়াকড়ি, জেনে নিন নতুন নিয়ম
সাম্প্রতিক সময়ে পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা নষ্ট হওয়ার ঘটনায় পুনঃইস্যুর আবেদন বেড়েছে। এ পরিস্থিতি এড়াতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।  
পাসপোর্ট হারালে কড়াকড়ি, জেনে নিন নতুন নিয়ম
ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাসভাড়ার পর এবার বাড়ানো হয়েছে লঞ্চের ভাড়া। তবে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। 
ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে যা বললেন রেলমন্ত্রী
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ-আজারবাইজান নতুন চুক্তি
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ-আজারবাইজান নতুন চুক্তি
আরও পড়ুন
রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী
দুবাইয়ের শাসকের ভাইয়ের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক
নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী