ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ডাক অধিদপ্তরের সকল কার্যালয়কে তামাকমুক্ত ঘোষণা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সব কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) ডাক অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল কার্যালয় ও পোস্ট অফিসকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা প্রদান করেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধন ২০২৬) অনুযায়ী পাবলিক প্লেসে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ আইন বাস্তবায়ন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন সব কার্যালয় ও পোস্ট অফিসে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি।

সভায় জানানো হয়, গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস), ২০১৭-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৩ কোটি ৮৪ লাখ মানুষ বিভিন্ন জনসমাগমস্থল, গণপরিবহন ও রেস্টুরেন্টে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫-এর তথ্য অনুযায়ী, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।

বক্তারা বলেন, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ব্যক্তির স্বাস্থ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, কর্মক্ষেত্র, পরিবেশ ও সামগ্রিক উন্নয়নেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে ডাক অধিদপ্তরের এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বেসরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন

সভাপতির বক্তব্যে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম বলেন, ডাক অধিদপ্তরকে ধূমপান ও তামাকমুক্ত প্রতিষ্ঠান ঘোষণা শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি সুস্থ, নিরাপদ ও জনবান্ধব কর্মপরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সারা দেশে ডাক অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ১০ হাজার ডাকঘরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিদিন সেবা নিতে আসা লাখো মানুষ তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাবেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আক্তার ডলি, তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরামের আহ্বায়ক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব শিবানী ভট্টাচার্য, তামাকবিরোধী ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধি এবং ডাক অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক আলীমুল আমীন
সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীনকে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ারের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ রদবদলের কথা জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীন এর আগে ১৭তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও সিলেট এরিয়া কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে, প্রায় চার বছর পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ারকে অবসরের আগে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন) এ টি এম আবু আসাদ জানান, মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তার অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই তাঁকে নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক আলীমুল আমীন
অতিরিক্ত ভাড়া নিলে জরিমানা-রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত নিলে রুট পারমিট ক্যানসেল করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সেই সঙ্গে ফাইনের ব্যবস্থা থাকবে এবং আগামীতে রুট পারমিট দেওয়া নিয়েও জবাবদিহি করতে হবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। নতুন নির্ধারিত বাস ভাড়ার প্রজ্ঞাপন আজই প্রকাশ করা হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গেজেট হয়ে যাওয়া মানেই হচ্ছে কার্যকর হয়ে যাবে। জ্বালানি সংকট বিশ্বব্যাপী এবং একটা অবধারিত পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে। ‘জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহন ভাড়া বাড়ার একটা যৌক্তিক দাবি থাকে। একটি প্রক্রিয়াও প্রচলিত আছে দীর্ঘদিন ধরে যে, জ্বালানির দাম যদি ১ টাকা বাড়ে, ভাড়া বাড়ে ১ পয়সা এবং এটা সহনীয়।’ রবিউল বলেন, এই সরকারের আমলে এর আগেরবার লিটারপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম যখন ১৫ টাকা বেড়েছিল, তখন ভাড়া ১৫ পয়সা বাড়ানোর যৌক্তিক দাবি ছিল। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যবস্থাপনার খরচ বেড়েছে। সেটা বিবেচনায় নেওয়া দাবি তাদের ছিল। মেইনটেনেন্স কস্ট বাড়ার পরও ভাড়া না বাড়ালে ওদের লস হয়। সেটা আমরা গতবার আমলে নেইনি। আমরা বর্ধিত ভাড়া ১১ পয়সা করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তিনি বলেন, এবার ২০ টাকা বেড়েছে লিটারপ্রতি, তাতে প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ২০ পয়সা বাড়ে। এর নিচে তারা কোনোভাবেই মানতে চায়নি। তারা আরও দাবি জানিয়েছিল মেইনটেনেন্স ব্যয়ও যেন আমরা এবার কনসিডারেশনে নেই। একটা সুসংবাদই বলতে পারেন যে ২০ পয়সার পরিবর্তে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিবেচনায় অনেক কিছু আছে। কিন্তু বাস্তবতার জায়গাটা হচ্ছে যে পরিবহন সেক্টরের ব্যয়ও বেড়েছে, মেইনটেনেন্স ব্যয়ও বেড়েছে। ডলারের দাম বেড়েছে, সেখানে তারা প্রায় ২০ পয়সার মতো দাবি করেছে। এ কথা তো অস্বীকার করবেন না, যাদের ভেহিকল আছে তারা জানেন যে এক্সেসরিজের প্রাইসটা কেমন বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী বেড়েছে, বাংলাদেশেও বেড়েছে। সরকার সমন্বয় করার চেষ্টা করেছে সব সময় জনস্বার্থ বিবেচনা করে। ভাড়া কমাতে পারলে ভালো লাগতো। অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমি আমার একবারের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, গতবার বাড়িয়েছিলাম ১১ পয়সা, কার্যকর হয়েছে, তার চেয়ে বেশি কেউ নেয়নি। এবার ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, এর ব্যত্যয় ঘটবে না এবং ঘটতে দেওয়া হবে না। ‘বিচ্ছিন্নভাবে দুএক জায়গায় এ রকম চেয়েছে, এই প্রবণতাটা আমাদের দেশে আছে। আমাদের দেশে পরিবহন সেক্টর একেবারে সুশৃঙ্খল, একেবারে নীতি-আদেশ মেনে চলে তা তো না! এটা তো স্বীকার করতেই হবে,’ যোগ করেন তিনি। সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যদি কেউ এই নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেয়, তার রুট পারমিট ক্যানসেল হবে, ফাইনের ব্যবস্থা থাকবে এবং আগামীতে রুট পারমিট থাকবে কি না, পাবে কি না সেটা নিয়েও জবাবদিহি করতে হবে।’ এ প্রসঙ্গে রবিউল আরও বলেন, ‘আপনি জেনে খুশি হবেন, গতবার আমরা কিন্তু রেলের ভাড়া বাড়াইনি। এবারও এখন পর্যন্ত বাড়ানোর চিন্তা করছি না।’ আগামী পরশু বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে এবং ওই দিনই লাঞ্চ ভাড়া নিয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা হবে, জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
অতিরিক্ত ভাড়া নিলে জরিমানা-রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি বাড়ল ৫৭ শতাংশ
বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫০০ টাকা করেছে সরকার। আগে থেকেই মাত্রাতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের বোঝায় জর্জরিত কর্মীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিদেশে কর্মসংস্থানের খরচ আরও বাড়িয়ে দেবে। নতুন এই ফি বিদ্যমান হারের চেয়ে ৫৭.১ শতাংশ বেশি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান স্বাক্ষরিত ২০ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশোধিত এই ফি আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যেতে বাংলাদেশি কর্মীদের ৪ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ফি বাবদ নতুন করে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি বিদেশ গমনেচ্ছু অনেক কর্মীর জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কার্যক্রম পরিচালনা ব্যয় বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবার পরিধি বাড়াতে এবং এসব কর্মসূচির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে ফি সংশোধন করা হয়েছে। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নানামুখী কল্যাণমূলক সেবা দিয়ে থাকে। আরটিভি/এসআর
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি বাড়ল ৫৭ শতাংশ
ডিআইজিসহ পুলিশের ৩১ পদে বড় রদবদল
বাংলাদেশ পুলিশে বড় রদবদল নিয়ে এসেছে সরকার। ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পর্যায়ের মোট ৩১ জন কর্মকর্তা নতুন দায়িত্ব পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।  হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে পুলিশের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট, সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে এবং ওই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে পার্বত্য জেলা এপিবিএন কার্যালয় বদলি করা হয়েছে। এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া সুপার নিউমারারি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রয়েছেন বদলির তালিকায়। আরটিভি/এসআর
ডিআইজিসহ পুলিশের ৩১ পদে বড় রদবদল
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।  সম্প্রতি চীনের ইউনান প্রদেশে তার সফরের কথা উল্লেখ করে সেখানে পাওয়া উষ্ণ আতিথেয়তা, আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহযোগিতার প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চীনের বিদ্যমান সহযোগিতারও প্রশংসা করেন ডেপুটি স্পিকার। ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও চীনের জনগণের উন্নয়নে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে চায়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।প্রবাসী নেটওয়ার্কে যোগদিন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৮০ সালের চীন সফরের সময়ই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ভবিষ্যতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি লাভ করে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এ সফর বাংলাদেশ-চীনের মধ্যকার সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করবে। ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-চীন পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ সময় উভয়পক্ষ সংসদীয় পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সফর, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে মংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন এবং তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে পাওয়া সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য ডেপুটি স্পিকার এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে ডেপুটি স্পিকার রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের উপরাষ্ট্রদূতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
অনলাইনে ট্র্যাক করা যাবে চিঠি ও পার্সেল