ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

আগাছা মারতে ৭৭ দেশে নিষিদ্ধ প্যারাকোয়াট, দেশে মরছে মানুষ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কৃষিতে আগাছানাশক হিসেবে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক ‘প্যারাকোয়াট’ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। ২০১৩ সালে দেশে প্যারাকোয়াট পানে বিষক্রিয়ায় একটি মৃত্যুর রেকর্ড পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে একই রাসায়নিক পানে বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ২১২।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে গত জুলাইয়ে বিষক্রিয়া নিয়ে ভর্তি হন ১১৭ জন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, তাদের বেশির ভাগই আগাছানাশক পান করেছিলেন। জেলায় আত্মহত্যার প্রবণতা আগে থেকেই বেশি; তবে সাম্প্রতিক সময়ে আগাছানাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা বেড়েছে।

দেশে আত্মহত্যার উপকরণ হিসেবে অত্যন্ত বিষাক্ত আগাছানাশক প্যারাকোয়াটের ব্যবহারও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের ১০টি হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা এক গবেষণায় ১ হাজার ৪২০টি প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ার ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। ২০২৪ সালেই বিষক্রিয়ার ৪৯৩টি ঘটনায় ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

‘ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ল্যাবরেটরি প্রোফাইল অব প্যারাকোয়াট পয়জনিং: এ টক্সিকোলজিক্যাল ক্রাইসিস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণাটি গত মে মাসে আমেরিকান সোসাইটি অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। গবেষণায় ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এডিনবরার গবেষকেরাও অংশ নেন। গবেষকদের দাবি, বাংলাদেশে প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়া নিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় গবেষণা।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ায় একটি মৃত্যুর ঘটনা পাওয়া গেলেও ২০২৪ সালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২১২। আক্রান্তদের ৭৮ দশমিক ২ শতাংশের বয়স ১২ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে শিক্ষার্থী ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ, গৃহিণী ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং কৃষক ১৪ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, ২০১৩ সালে বাংলাদেশে ৫৩ টনের বেশি প্যারাকোয়াট আমদানি হয়েছিল। ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৯৫ টনে। বর্তমানে বিশ্বের ৭৭টি দেশে রাসায়নিকটি নিষিদ্ধ।

কৃষি–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, গ্রামাঞ্চলে শ্রমিক সংকট ও মজুরি বৃদ্ধির কারণে কৃষকেরা হাতে আগাছা পরিষ্কারের বদলে আগাছানাশকের ওপর বেশি নির্ভর করছেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, মাত্র ১০ থেকে ২০ মিলিলিটার প্যারাকোয়াট পান করলেও ফুসফুস ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যেতে পারে। তীব্র কিডনি বৈকল্য, বমি ও পেটব্যথাসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ ধরে যন্ত্রণার পর রোগীর মৃত্যু হয়।

গবেষণার প্রধান লেখক বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. ফজলে রাব্বি চৌধুরী বলেন, প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ার নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। পাকস্থলী পরিষ্কার, স্টেরয়েড, সাইক্লোফসফামাইড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, হেমোডায়ালাইসিস বা হেমোপারফিউশনের মতো চিকিৎসা দেওয়া হলেও কোনোটির কার্যকারিতা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, প্যারাকোয়াটের সঙ্গে পারকিনসন্স রোগ ও বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের যোগসূত্রও পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের বড় জনগোষ্ঠীকে এটি ঝুঁকিতে ফেলছে।

টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল ফয়েজ বলেন, গবেষণায় প্যারাকোয়াটের মারাত্মক ক্ষতি প্রমাণিত হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় এটি নিষিদ্ধ করা জরুরি।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোপাল দাশের নেতৃত্বে ২০২৫ সালের এক গবেষণায় দেশে নিবন্ধিত ৩৪৩টি সক্রিয় কীটনাশক উপাদান বিশ্লেষণ করে ২৫টি উচ্চঝুঁকির কীটনাশক শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে পাঁচটি আগাছানাশক। অধ্যাপক গোপাল দাশের মতে, এগুলোর মধ্যে প্রথমেই প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধ করা উচিত।

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, প্যারাকোয়াটসহ ক্ষতিকর রাসায়নিকের ক্ষতির মাত্রা নিরূপণে পেশাজীবী ও গবেষকদের নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিষিদ্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গবেষণায় দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে। দেশটিতে ২০০৬ সালে প্যারাকোয়াট নিষিদ্ধের পর ২০১০ সালে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যাজনিত মৃত্যুর হার প্রতি লাখে ৫ দশমিক ২৬ থেকে কমে ২ দশমিক ৬৭-তে নেমে আসে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্যারাকোয়াটের বিকল্পও রয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রমিজ উদ্দিনের মতে, যান্ত্রিক আগাছা দমন, ইন্টিগ্রেটেড উইড ম্যানেজমেন্ট এবং তুলনামূলক কম বিষাক্ত কিছু আগাছানাশক ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় প্যারাকোয়াটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদান
চট্টগ্রামের হালিশহর কেন্দ্রীয় খাদ্যগুদামের (সিএসডি) ১৩৫ টন চালে এই বিষাক্ত উপাদানের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আফলাটক্সিনযুক্ত খাবার দীর্ঘদিন খেলে মানুষের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদান
বাংলাদেশ ব্যাংকের পর এবার ১২ ঘণ্টা বন্ধ ডিজিটাল ভূমিসেবার সার্ভার
জরুরি নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে ভূমিসেবার ওয়েবসাইট। পিএইচপিতে শনাক্ত নিরাপত্তা ত্রুটির পরিপ্রেক্ষিতে সিস্টেমের নিরাপত্তা উন্নয়নে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। 
বাংলাদেশ ব্যাংকের পর এবার ১২ ঘণ্টা বন্ধ ডিজিটাল ভূমিসেবার সার্ভার
ইউরোপের তিন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হ‌লো ৩৫ বাংলাদেশিকে
ফেরত বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি থেকে এসেছেন ১৯ জন, গ্রিস থেকে এসেছেন ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে এসেছেন ৬ জন।
ইউরোপের তিন দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হ‌লো ৩৫ বাংলাদেশিকে
সৌদি প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছে সরকার: শামা ওবায়েদ
সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, সৌদি আরবে আটকে পড়া প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে নিহত ১১ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। অন্যদের মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। শাহেদ আহম্মদের পরিবারকে দ্রুত সরকারি অনুদান পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মদের মরদেহ শুক্রবার সকাল ৮টা ১২ মিনিটের দিকে ঢাকায় পৌঁছায়। বিমানবন্দরের ৮ নম্বর কার্গো গেটে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। পরে তা পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় শাহেদ। শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তিনি সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন। দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আগে থেকে কোনো তথ্য জানায়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়নি। পররাষ্ট্র আরও প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবে শিরশ্ছেদ হওয়া দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ ঘটনায় রায়ের কপি চেয়েছে সরকার, যাতে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, পবিত্র মক্কা নগরের একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন করা। তবে এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেনি বলে কনস্যুলেটের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। চিঠির তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে জেদ্দা কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পাওয়া তালিকায় নজরুল ও সুইটির নাম ছিল। তবে তাদের শাস্তির বিষয়ে সেখানে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। নজরুল ও সুইটি সৌদি আরবের আল মাজাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তালিকা অনুযায়ী, নজরুলকে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। পরদিন সুইটিকে ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয়। নজরুল ছিলেন জেদ্দা সংশোধনাগারে, আর সুইটি ছিলেন জেদ্দা নারী কারাগারে। সৌদি আরবে তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত অপরাধ বা ব্যভিচারের অভিযোগে আগে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই বলেও কনস্যুলেটের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কনস্যুলেটের চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের নৈতিকতাসংক্রান্ত মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সর্বনিম্ন সাজা এক মাসের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ সাজা ১৫ বছরের কারাদণ্ড। আরটিভি/টিআর
সৌদি প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছে সরকার: শামা ওবায়েদ
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের ‘বড় উদ্যোগ’ 
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে ডিজিটাল ফরেনসিক ও সাইবার ল্যাব স্থাপন, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের ‘বড় উদ্যোগ’ 
আরও পড়ুন
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে সুস্থতার পথে বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
সৌরশক্তিচালিত সেচে বদলাচ্ছে কৃষি, কমছে ব্যয়