ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন বোর্ড গঠন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত ২ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বোর্ডগুলো গঠন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী পদাধিকারবলে তিনটি ট্রাস্টেরই চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডে নিপুণ রায় চৌধুরী ও সুবর্না সিকদারকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং তপন চন্দ্র মজুমদারকে সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এ ছাড়া জয়দেব রায় জয়, দুলাল বিশ্বাস, বিপ্লব কুমার দে, রাজীব ধর তমালসহ ২০ জনকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন আন্না মিন্জ ও মাধবী মার্মা। বোর্ডে সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন জন গমেজ। এ ছাড়া পিউস কস্তা, কুইনটেন রিবেরো ও রীতা রোজলীন কস্তাসহ সাতজনকে সদস্য মনোনীত করা হয়েছে।

অন্যদিকে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাচিং প্রু ও দীপেন দেওয়ান এবং সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াকে মনোনীত করা হয়েছে। এ ছাড়া সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, মাসাথোয়াই মারমা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মংশৈহ্লা চৌধুরীসহ সাতজন এতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন। তিনটি ট্রাস্টেই ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবে থাকবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পদাধিকারবলে নিযুক্ত ব্যক্তিরা ছাড়া মনোনীত ট্রাস্টিদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর। তবে নতুন ট্রাস্টি মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্বে বহাল থাকবেন। সরকার চাইলে যেকোনো সময় যেকোনো ট্রাস্টি পরিবর্তন বা পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।

এর আগে ২০২৪ সালের শেষ দিকে গঠিত তিনটি ট্রাস্টের পূর্ববর্তী বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও মনোনীত সব সদস্যকে অব্যাহতি দিয়ে এই নতুন বোর্ডগুলো পুনর্গঠন করা হলো।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৭টা ৪০ মিনিটে একটি সামরিক বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে একটি দল: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—যারা এই স্লোগানে বিশ্বাস করে না, যারা এই নীতিতে বিশ্বাস করে না, তারা এখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে।  তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, দেশের কয়েকটি জায়গায়, কয়েকটি কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে এই হাজারো মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই। পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে—যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কতগুলো লোক আছে, একটি দল আছে, যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে। যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে, জনগণের কাছে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ সময় এসেছে বাংলাদেশের জনগণকে সচেতন হওয়ার। আমি আপনাদেরকে আহ্বান জানাব, আজকে থেকে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে, যাতে কেউ বাংলাদেশে আর কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। যাতে করে বাংলাদেশের অর্থনীতি, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের যে পরিবর্তন, সেটি পরিবর্তন করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, কাজ শুরু হয়েছে, এটিকে যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। তিনি বলেন, সোমবার একটি অনুষ্ঠান ছিল ঢাকায়। অনুষ্ঠানটি ছিল ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে, সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল, শত শত ছাত্রকে, শত শত সাধারণ নিরীহ মানুষকে হত্যা করে দিয়ে গিয়েছিল। সেই সকল শহীদের স্মরণে আমরা সোমবার ঢাকার ওসমানী উদ্যানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। ২৪-এ যে শহীদ পরিবার আছে, জুলাই যোদ্ধা যারা আছে, তাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে তাদেরকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। যে সকল জুলাই যোদ্ধা আহত হয়েছেন, তাদেরকে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। তারেক রহমান বলেন, আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে সেদিন দাওয়াত দিয়েছিলাম, যারা মুখে বলে ২৪-কে তারা ধারণ করে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? এমনকি জুলাই শহীদদেরকে সম্মান জানানোর জন্য, তাদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য, তাদেরকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সকল দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ ৭১ সালে তারা যেভাবে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি, ২৪-এর জুলাই আন্দোলনকেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি কথা বলছে, তাদের কর্মে আরেকটি প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এখন চায় একটি স্থিতিশীলতা, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। বাংলাদেশের জনগণ চায় শান্তিতে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। সোজা কথায় যদি বলি, বাংলাদেশের জনগণ একদিকে যেমন চায় গণতান্ত্রিক চর্চা করতে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ চায় কর্মসংস্থানসহ শান্তিতে তারা সামনে এগিয়ে যেতে পারে। অর্থনৈতিক অধিকার যেমন বাংলাদেশের মানুষ চায়, রাজনৈতিক অধিকারও একই সঙ্গে মানুষ চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যেভাবে ১২ তারিখের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের জনগণকে তাহলে বিএনপির প্রতি সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। যাতে সেই সকল ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, যারা ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে, তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, যখনই তারা সুযোগ পেয়েছে, তখনই দেশকে তারা ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে চেয়েছে, তাদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে। তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতির স্বার্থে, কৃষক ভাইদের অগ্রগতির স্বার্থে, মানুষের অগ্রগতির স্বার্থে এই যে রাজশাহীতে যে পদ্মা নদী আছে, আমরা দেখেছি কীভাবে আমাদের এই পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কীভাবে এই পদ্মা নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিএনপি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে বাংলাদেশের দুটি বড় নদী আমাদের, একটি হচ্ছে তিস্তার ওখানে, উত্তরে; আরেকটি হচ্ছে রাজশাহীতে পদ্মা নদী। এই দুটি নদীতে আমরা ব্যারাজ তৈরি করব, যাতে করে আমাদের পানির সমস্যা আমরা দূর করতে পারি। তিনি আরও বলেন, এই পানির সমস্যা যারা তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলব। দরকার হলে বাংলাদেশের মানুষের পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যতদূর আমাদেরকে যেতে হয়, আমরা চেষ্টা করব। ততদূর যেতে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের পানির হিস্যা আমরা নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আরটিভি/এমএম
দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে একটি দল: প্রধানমন্ত্রী
ডিজে পার্টি থেকে উপার্জিত অর্থের ৭০% পেতেন জহির  / অভিযান থামাতে তদবির করেন সেই অতিরিক্ত ডিআইজি
ঢাকার পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ ৮৫ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
অভিযান থামাতে তদবির করেন সেই অতিরিক্ত ডিআইজি
ইউনিয়ন নির্বাচনে দলের কেউ মুনাফিকি করলে ক্ষমা করবেন না প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পেছনে কাজ করতে হবে, এই পথে কেউ অন্তরায় হয়ে থাকলে সে দল থেকে ছিটকে পড়বে।
ইউনিয়ন নির্বাচনে দলের কেউ মুনাফিকি করলে ক্ষমা করবেন না প্রধানমন্ত্রী: আইনমন্ত্রী
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সংযুক্ত করা হলো সেই অতিরিক্ত ডিআইজিকে
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিয়েপার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সংযুক্ত করা হলো সেই অতিরিক্ত ডিআইজিকে
আরও পড়ুন
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা করা হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন সাংবাদিক বাছির জামাল