ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নতুন ১৫০ গ্যাসকূপ খননের ‘মাস্টারপ্ল্যান’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

২০৩০-৩১ সালের মধ্যে নতুন ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে গভীর সমুদ্রে নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে এই মহাপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ তার প্রশ্নে জুলাই ২০২৬-এ একটি এলএনজি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্যাস সরবরাহে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।

তিনি জানতে চান, ভবিষ্যতে এ ধরনের আকস্মিক সংকটে শিল্পখাত যেন বড় ক্ষতির মুখে না পড়ে, সেজন্য গ্যাস সরবরাহের বিকল্প উৎস, এলএনজি রিজার্ভ সক্ষমতা, শিল্পাঞ্চলভিত্তিক অগ্রাধিকার সরবরাহ এবং জরুরি জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে কি না।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, আকস্মিক বা সাময়িক সংকটকালে শিল্পখাত যেন গ্যাস সংকটের সম্মুখীন না হয়, সেজন্য সরকার ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। একইসঙ্গে দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মোট ৪,৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বি-মাত্রিক (২ডি) এবং ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার ত্রি-মাত্রিক (৩ডি) সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে গ্যাসের ঘাটতি পূরণ ও এলএনজি অবকাঠামো জোরদার করার বিষয়ে তিনি জানান, দেশে বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে বর্তমানে গড়ে দৈনিক প্রায় ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। ভবিষ্যতে আকস্মিক সংকট সামাল দিতে মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

তারেক রহমান জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী কুতুবজোম ভাসমান টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং ল্যান্ড-বেইজড টার্মিনাল থেকে ২০৩০ নাগাদ রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূল বিবেচনায় গভীর সমুদ্রে সুবিধাজনক স্থান নির্বাচন করে জরুরি ভিত্তিতে একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে ভোলার গ্যাসকে দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে ও জাতীয় স্বার্থে ব্যবহারের বিস্তারিত পরিকল্পনাও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডে বা মেইনল্যান্ডে নিয়ে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে তা বাস্তবায়নে অন্তত সাত বছরের মতো সময় লেগে যাবে। তাই সরকার বিকল্প ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। ভোলায় যাতে বিপুল পরিমাণ শিল্প-কারখানা স্থাপন করা যায়, সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। অনেক শিল্প উদ্যোক্তা সেখানে গ্যাসভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আন্তরিক চেষ্টা চালাচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে এই গ্যাস ব্যবহার করে শিল্পায়ন হলে একদিকে যেমন ভোলায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনীতির আকারও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

তারেক রহমান বলেন, সেখানে একটি বড় সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এর পাশাপাশি একই স্থানে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরেকটি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভোলার গ্যাস সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি বিশেষ কৌশলগত উন্নয়ন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩১ মেয়াদি এই উন্নয়ন পরিকল্পনায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ভোলার আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য, স্থানীয় প্রাকৃতিক সম্পদ, সাধারণ মানুষের চাহিদা, উপকূলীয় জলবায়ু ঝুঁকি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় নিয়েই সাজানো হচ্ছে এই সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান।

অন্য এক প্রশ্নে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান দেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিকল্প উৎসের সমন্বিত পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।

এসময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন ও আগামী দিনের লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের বিশাল চাহিদা মেটাতে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সরকারের সবচেয়ে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জ্বালানি খাতের রূপান্তর নিশ্চিত করতে সরকার এরই মধ্যে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, কৌশলপত্র অনুযায়ী, সার্বিক সম্ভাবনা ও বর্তমান বাস্তবতাকে মাথায় রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের সুনির্দিষ্ট জাতীয় লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এ লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ২০৩০ সাল নাগাদ বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এর মধ্যে একক প্রযুক্তি হিসেবে সর্বাধিক জোর দেওয়া হয়েছে সৌরবিদ্যুতের ওপর।

তারেক রহমান আরও বলেন, পরিকল্পনা অনুসারে, দেশের বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও সরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার করে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫,৫০০ মেগাওয়াট এবং বিশালাকার ভূমিভিত্তিক সৌরপ্রকল্প থেকে আরও ৪,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সংস্থান রাখা হয়েছে। বাকি ঘাটতি পূরণে বায়ু বিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সোলার ও কৃষিভিত্তিক অ্যাগ্রিভোলটেইক্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হবে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনের এ বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করে তুলতে সরকার আমদানিনীতি ও শুল্ক কাঠামোয় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি অবকাঠামো তৈরির জন্য অতীব জরুরি উপাদান যেমন—সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, বিশেষায়িত ব্যাটারি ও স্ট্রাকচার আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমুদয় কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং দুই শতাংশের অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে এবং সাধারণ গ্রাহকদের সম্পৃক্ত করতে সম্প্রতি একটি বিশেষ মূল্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ সরকারি প্রণোদনা হিসেবে এই উৎপাদন ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১.২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম হিসাব করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা স্থির করা হয়েছে। এ সুবিধার আওতায় নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুসরণ করে যেসব সাধারণ বা বাণিজ্যিক গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখের মধ্যে ছাদভিত্তিক ব্যবস্থা স্থাপন করবেন, তারা নিজস্ব প্রয়োজন মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করে টানা ৩ বছর, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি নির্ধারিত এই ১০ টাকা ৫০ পয়সা হার সুবিধা পাবেন।

তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগকে সুনির্দিষ্ট আইনি ও নীতিগত কাঠামোয় আনতে সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা কার্যকর করেছে। সরকারি মালিকানাধীন ভূমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে প্রকল্প তৈরির নির্দেশিকা ২০২৬, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিশেষ নীতিমালা ২০২৫, সার্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫ এবং হালনাগাদ নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫ এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

সরকারপ্রধান আরও জানান, পাশাপাশি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গ্রহণ করা হয়েছে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ২০২৫, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত সমন্বিত ব্যবসায়িক মডেল, অনশোর উইন্ড গাইডলাইন এবং কার্বন ক্রেডিট প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত পথনির্দেশিকা, যা দেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ নিরাপত্তায় মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। গুঞ্জন রয়েছে, নকভির মেয়াদ না বাড়লে আগামী বছরের এপ্রিলেই এসিসি প্রধানের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার। কিন্তু সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব। এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এবার সেই পালা বাংলাদেশের। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েও দিয়েছেন। এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়মানুযায়ী মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ ধরা হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা শেষ হবে ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। অবশ্য এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও আছে।  গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। তবে সে ক্ষেত্রে সব সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট নিজেদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আরটিভি/এসআর
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
৪ জেলায় নতুন ডিসি
দেশের ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৪ জেলায় নতুন ডিসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
আগামী জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং তা ৬ জুন পর্যন্ত চলবে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান জনগণের সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে আমাদের প্রতি- আগামী যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করার প্রয়োজন, আমরা করব।  তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে বা নির্বাচনের কোনো কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে বিএনপি সরকার থাকবে না। এটা আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে এবং যারা প্রার্থী, তাদের আমরা এই নিশ্চয়তা দিতে চাই। আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
জনকল্যাণে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো ও জৈব প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এর গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বুধবার
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে যা বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার