ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

‘১ অক্টোবর থেকে নিজ বাসায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন প্রধানমন্ত্রী’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ বাসায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন। একই সঙ্গে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল ইউনিয়ন পরিষদে সৌর প্যানেল বসাতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মীর শাহে আলম জানান, শুধু প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নয়, পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের প্রস্তুত থাকা ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডি-এর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে। সভায় এনএসডি-এর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসএস
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
১০০ শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার, প্রত্যেকে পাবেন লাখ টাকা
জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে। সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষক নগদ এক লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ পাবেন। প্রতি বছর ৫ অক্টোবর সারাদেশে একযোগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়ে থাকে। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারিকৃত নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে দিবসটি একযোগে উদযাপন করা হবে। দিবসটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। নীতিমালায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ইউনেস্কো ঘোষিত প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসটি উদযাপন, সমাজের সব স্তরে শিক্ষকদের ভূমিকা ও অবদান তুলে ধরা এবং গুণী শিক্ষক সম্মাননার মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। নীতিমালার ৫.১ ধারা অনুযায়ী, মোট ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে (১০ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন। মাধ্যমিক পর্যায়ে (২০ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ১০ জন, কারিগরি শিক্ষা থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা শিক্ষা থেকে ৫ জন। কলেজ পর্যায়ে (২৫ জন) সাধারণ শিক্ষা থেকে ১৫ জন, কারিগরি থেকে ৫ জন এবং মাদরাসা থেকে ৫ জন।  সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (২০ জন) সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ জন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ জন। বিশেষায়িত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের (২০ জন) মধ্যে চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ জন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্বাচিত ৫ জন শিক্ষক এই সম্মাননা পাবেন। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি সম্মাননার স্তর ও সংখ্যা পরিবর্তন করার এখতিয়ার রাখবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, গুণী শিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিটি ক্যাটাগরির বিপরীতে তিনজনের প্যানেল তৈরি করে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পাঠাবে। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকদের জন্য প্রতিটি ক্যাটাগরির বিপরীতে তিনজনের প্যানেল প্রস্তুত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পেশ করবে। সূত্র: বাসস আরটিভি/আইএম
১০০ শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার, প্রত্যেকে পাবেন লাখ টাকা
সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ, ৬৪ জেলায় শতভাগ বরাদ্দ পাবে কৃষকরা
কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। এর অংশ হিসেবে অক্টোবর মাসের জন্য দেশের ৬৪ জেলার চাহিদার বিপরীতে সারের শতভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে রবি ও বোরো মৌসুমের চাহিদা বিবেচনায় আগাম আমদানি, মজুত, পরিবহন ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিংয়ের সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ, ৬৪ জেলায় শতভাগ বরাদ্দ পাবে কৃষকরা
পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু
দেশের প্রথম পারমাণবিক স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারের অংশ হয়েছে।
পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু
জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘে লাল সবুজের নেতৃত্ব। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে চলা অধিবেশনে প্রথমবার ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রতি বাংলাদেশের আগ্রহ আর প্রত্যাশাও অনেক। মানুষের সেসব প্রত্যাশা ও দেশের অবস্থান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ছাড়বেন তারেক রহমান। ২৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। আর ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। যেখানে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশের লড়াইয়ের চিত্র তুলে ধরবেন সরকার প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ বলেন, যেসব দেশ এই বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী তাদেরকে এই অর্থটা আমাদের দেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। এই জন্য গ্র্যান্ড বেসজড একটি ক্লাইমেট ফিন্যান্স গড়ে তোলার জন্য যতটুকু চেষ্টা করা দরকার সেটা বিএনপি সরকার করছে। এই লক্ষ্যে জাতিসংঘে আমরা যখন ক্লাইমেট নিয়ে কথা বলব তখন গ্র্যান্ড বেসজড এই ফিন্যান্স নিয়ে কথা বলব। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের নেওয়া বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মতো উদ্যোগও তুলে ধরা হবে বিশ্বমঞ্চে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য আমরা দেশে যেসব কাজ করছি, সেই কাজগুলো আমরা পুরো পৃথিবীর সামনে তুলে ধরব। যেমন আমরা পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে আমরা কার্বন ইমিশন কমানোর চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের আশা, জাতিসংঘ অধিবেশন ও সাইড লাইনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং যে সরকার এসেছে তারা উইলিংলি চাচ্ছে এনভায়রনমেন্ট প্রটেক্ট করতে এবং সেই সঙ্গে সঙ্গে পুরো পৃথিবীতে যে ক্লাইমেট ক্রাইসিস রয়েছে, সেখানে কন্ট্রিবিউট করতে চাচ্ছে। তখন তাদের ইন্টারেস্টের সঙ্গে আমাদের ইন্টারেস্টের একটা অ্যালাইমেন্ট হবে। আমরা নতুন বিনিয়োগ আনতে পারব। সফর শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। আরটিভি/এসএস
জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ৯১৮ মেগাওয়াট
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী