ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন বাড়তি মূল বেতনের ৫০ শতাংশ।

তবে নতুন এই বেতনকাঠামোর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে কয়েকটি শ্রেণির ব্যক্তি, কর্মচারী ও শ্রমিককে। ফলে তারা এই আদেশ অনুযায়ী বাড়তি বেতন-ভাতা পাবেন না।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আওতার বাইরে থাকা শ্রেণিগুলো হলো—

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস: বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে নিয়োজিত ব্যক্তিরা এই আদেশের আওতায় থাকবেন না।

প্রতিরক্ষা সার্ভিস: প্রতিরক্ষা প্রাক্কলন থেকে বেতন পাওয়া বেসামরিক কর্মচারী ছাড়া প্রতিরক্ষা সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীরা নতুন বেতনকাঠামোর আওতাভুক্ত নন।

পুলিশ ও বিজিবি: পুলিশ বাহিনী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) নিয়োজিত কর্মচারীরাও এই আদেশের বাইরে থাকবেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক: পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরির শর্তাবলী) আইন, ২০১৮-এর ধারা ২-এর দফা (ঘ)-তে সংজ্ঞায়িত শ্রমিকরা এই বেতনকাঠামোর আওতায় থাকবেন না।

শিক্ষানবিশ ও প্রশিক্ষণার্থী: শিক্ষানবিশ (অ্যাপ্রেন্টিস) বা প্রশিক্ষণার্থী (ট্রেইনি) হিসেবে নিয়োজিত ব্যক্তিরা নতুন বেতনকাঠামোর সুবিধা পাবেন না।

আউটসোর্সিং কর্মী: আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও এই আদেশের বাইরে থাকবেন।

দৈনিকভিত্তিক সাময়িক শ্রমিক: দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা, ২০২৫-এর আওতায় নিয়োজিত শ্রমিকরা নতুন বেতনকাঠামোর সুবিধা পাবেন না।

চুক্তিভিত্তিক ও খণ্ডকালীন কর্মী: চুক্তি অথবা খণ্ডকালীন ভিত্তিতে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও এই আদেশের আওতাভুক্ত নন।

এদিকে, সাধারণ সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে। সাধারণত সাধারণ পে-স্কেলের গেজেটের সঙ্গে অথবা এর পরপরই জুডিশিয়াল সার্ভিস ও অন্যান্যদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পে স্কেল / বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীরা। একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য এই সুবিধা পাবেন। এর বেশি থাকলে পাবেন না। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানের মা কিংবা বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই টাকা যাবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণসংক্রান্ত পে স্কেলের গেজেটে এই সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে বলা হয়েছে, অনধিক দুই সন্তানের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান ভাতা পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলেও সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্যই এ ভাতা দেওয়া হবে। এই ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভাতা গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। অর্থাৎ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়া যাবে না। নতুন বেতনকাঠামো বা নবম পে স্কেলের আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের কতজনের সন্তান প্রতিবন্ধী সে ধরনের তথ্য নেই। তবে এখন তা অর্থ বিভাগের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার বা আইবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিবন্ধী কীভাবে যাচাই হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এটা তারা যাচাই–বাছাই করবেন। সরকারি চাকরিজীবীর মা বা বাবা যত দিন চাকরিতে থাকবেন, তত দিন এই ভাতা পাওয়া যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এ সুবিধা নির্ধারণের ফলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা পরিবারগুলো তাদের সন্তানের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যায় এই টাকা ব্যয় করতে পারবে। এতে তারা কিছুটা স্বস্তি পাবে। এ ভাতা সেই ব্যয়ের একটি অংশ পূরণে সহায়তা করবে। আরটিভি/এমএ
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে মাসে ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ কথা বলেন।
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
নতুন পে-স্কেলে বকেয়া পাবেন সরকারি কর্মচারীরা
সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন এই বেতনস্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে। ফলে ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা।
নতুন পে-স্কেলে বকেয়া পাবেন সরকারি কর্মচারীরা
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ বিভাগ ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ভিত্তিতে এলাকা ও গ্রেডভেদে বাড়িভাতার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্রেড-২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ, গ্রেড-৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকায় বাড়িভাতার হার ঢাকার তুলনায় কম নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব এলাকায় গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৪০ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৩০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। দেশের অন্যান্য এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-১৬ পর্যন্ত মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেড-১৫ থেকে গ্রেড-১০ পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, গ্রেড-৯ থেকে গ্রেড-৫ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড-৪ থেকে গ্রেড-১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন। বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৬৫ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৫ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। মূল বেতন ৯ হাজার ৭০১ টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে ৬০ শতাংশ হারে, তবে ন্যূনতম ৬ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িভাড়া পাওয়া যায়। ১৬ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের ক্ষেত্রে বাড়িভাতার হার ৫৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ৯ হাজার ৬০০ টাকা। আর মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০১ টাকার বেশি হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম বাড়িভাতা ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন প্রজ্ঞাপনে বাড়িভাতার হার মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য এলাকার বর্তমান বাড়িভাতার হার ও ন্যূনতম অঙ্কও নতুন কাঠামোর সঙ্গে পরিবর্তিত হবে। আরটিভি/এসকে
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডি-এর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে। সভায় এনএসডি-এর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসএস
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন
কোন এলাকায় কত শতাংশ বাড়িভাড়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা