
জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ জোরদারে পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ‘ন্যাশনাল ওনারশিপ ইন প্র্যাকটিস: স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ স্টেট ইনস্টিটিউশনস থ্রু ইন্টারন্যাশনাল পিসবিল্ডিং সাপোর্ট’ শীর্ষক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত দুই দশকে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জাতীয় সরকার ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় সহিংসতা প্রতিরোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ তৈরি হয়েছে। শান্তি বিনির্মাণ কমিশনকে এসব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কাজ আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব তিন দশকের বেশি সময়ের। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বৈশ্বিক সম্মান অর্জন করেছে।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
বাংলাদেশের পাঁচ প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—স্থানীয় শিল্পকে বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করে নারী ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শান্তিরক্ষা থেকে শান্তি বিনির্মাণে রূপান্তরে পিবিসির পরামর্শমূলক ভূমিকা জোরদার, নারী-শান্তি-নিরাপত্তা ও যুব-শান্তি-নিরাপত্তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা, ২০২৫ সালের শান্তি বিনির্মাণ কাঠামো পর্যালোচনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
বক্তব্যের শেষে তিনি জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরটিভি/ এসকেডি



