ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

নারীবান্ধব পুলিশিং জোরদারে নানা উদ্যোগ 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২২ পিএম
মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন নারী পুলিশ সদস্যরা। পুরোনো ছবি

নারীবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদার করতে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এর মধ্যে রয়েছে- নারী পুলিশ সদস্যের সংখ্যা বৃদ্ধি, নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য নির্ধারিত সেবা ডেস্কের আধুনিকীকরণ এবং নারী পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গাজী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, অনলাইন সহিংসতা, বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং বুলিং বা হেনস্তার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর ও সংবেদনশীল করে তোলার লক্ষ্যে চলমান পুলিশ সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং সম্প্রসারণে বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রম সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটটি বিভাগীয় শহরে দায়িত্ব পালনরত নারী পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাঁদের শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ৫-এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন)-এর তত্ত্বাবধানে উত্তরায় একটি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে।

এ ছাড়া বিশেষ প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে ৬৪টি জেলার সদর থানার নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য নির্ধারিত সেবা ডেস্কগুলোকে ‘মডেল’ সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগও নিয়েছে পুলিশ।

প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন রেঞ্জ ও মেট্রোপলিটন ইউনিটে ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক নারী পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রতিটি ইউনিটের চাহিদা অনুযায়ী আরও মোতায়েন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ইউএনএফপিএ’র অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রিভেনশন অ্যান্ড রেসপন্স ফর জেন্ডার বেসড ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস (প্রিভিল)’ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, কক্সবাজার, বান্দরবান, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, বরগুনা, জামালপুর, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটসহ ১০টি জেলার ৯২টি থানায় নারী ও শিশু হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে নারী, শিশু ও প্রবীণদের অধিকার এবং আইনি সহায়তা বিষয়ে প্রাথমিক সচেতনতা ও প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৫৪টি জেলা সদর থানার নারী, শিশু ও প্রবীণ সেবা ডেস্কে প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে সেগুলোকে মডেল সেবা কেন্দ্রে রূপান্তরের জন্য কর্তৃপক্ষ একটি নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশে নারী সদস্যের সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৭০ জন যা বাহিনীর মোট সদস্যের ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার সমপর্যায়ের পদসহ বিভিন্ন পদে নারীরা দায়িত্ব পালন করছেন।

অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার মাধ্যমে নারী পুলিশ সদস্যরা প্রতিটি স্তরে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘কনস্টেবল থেকে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে নারী সদস্যরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি অগ্রগতি। কর্মদক্ষতার দিক থেকে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই।’

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে পোশাক খাতে, যেখানে অধিকাংশ শ্রমিকই নারী, সেখানে শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় নারী পুলিশ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘শিল্প খাতে নারী পুলিশ সদস্যদের অবদান ছাড়া শ্রমিক অসন্তোষ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা কঠিন হতো।’

মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিটে কর্মরত এক নারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) বলেন, নারী কর্মকর্তারা বড় ধরনের অপারেশনাল দায়িত্ব পালনে সক্ষম। তবে তাদের দায়িত্বের পাশাপাশি গোয়েন্দা কার্যক্রম, অপরাধ তদন্ত ও অপারেশনাল নেতৃত্বের সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

বাংলাদেশ পুলিশে ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ধীরে ধীরে নারীরা মূলত সীমিত ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। বর্তমানে কনস্টেবল, এএসআই, এসআই, পরিদর্শক, এএসপি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ সুপার, ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক সমপর্যায়ের পদেও নারীরা দায়িত্ব পালন করছেন।

বর্তমানে মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশ ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সিআইডি, পিবিআই, ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রিভার পুলিশ, পুলিশ সদর দপ্তর এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

নারী পুলিশ সদস্যদের পেশাগত উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

বিপিডব্লিউএন’র ২০২৪-২০২৭ মেয়াদের কৌশলগত পরিকল্পনায় পুলিশে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, পেশাগত ও তদন্ত দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বিপিডব্লিউএন’র এই কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি কেবল নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিই নয়, বরং পুরো বাহিনীতে তাদের নেতৃত্ব, তদন্ত ও কার্যক্রম-পরিচালনা সংক্রান্ত ভূমিকার পরিধি সম্প্রসারণের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। 
জ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
শিক্ষায় প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে নৈতিকতা নিশ্চিতের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে নেতৃত্বকে এমনভাবে নিশ্চিত করতে হবে যেন, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির অগ্রগতি সততা, নৈতিকতা এবং মানবিক মর্যাদার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে।
শিক্ষায় প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে নৈতিকতা নিশ্চিতের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, ‘একটি শিশুও বিদ্যালয়ের বাহিরে থাকবে না।’
বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করার কথাও বলেন তিনি।  সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার। আমরা সকলে মিলে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটিকে গড়ি।’  ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম আলাদা হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র সবার। এই রাষ্ট্রে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মটা হতেই পারে আমার একটি ধর্ম, আপনার একটি ধর্ম। কিন্তু রাষ্ট্রটা আমাদের সকলের। বাংলাদেশ নামক যে রাষ্ট্র, এই রাষ্ট্রটি আমাদের সকলের। এই দেশটিতে আপনার যেমন অধিকার আছে, আমারও অধিকার আছে। এই দেশের প্রতি আপনার যেমন কর্তব্য আছে, আমারও এই দেশের প্রতি কর্তব্য আছে।’ রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও নাগরিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়া, ঠিক একইভাবে এই রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে আমাকেও নিরাপত্তা দেওয়া। আমাদের সকলের দায়িত্ব হচ্ছে আমরা একে অপরকে দেখে রাখব। আমরা একে অপরের সঙ্গে কাজ করে এ দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সকলেই এই দেশের সন্তান, এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশি। আমরা প্রত্যেকে মানুষ। এটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে আগের পরিচয়। এখানে উপস্থিত আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশি।’ মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই যুদ্ধে যখন এই দেশের মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনার জন্য, তখন কিন্তু আমরা কেউ দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান। যুদ্ধের মাঠে কিন্তু এটা আমরা দেখিনি, কখনো জিজ্ঞেসও করিনি।’ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র যখন হুমকির মুখে পড়েছিল, মানুষ যখন তার রাজনৈতিক অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য রাজপথে নেমে এসেছিল, তখনো কিন্তু আন্দোলনকারী একজন পাশের জনকে জিজ্ঞেস করেনি, ভাই আপনি কি মুসলমান, নাকি আপনি হিন্দু, নাকি আপনি বৌদ্ধ, নাকি আপনি খ্রিস্টান? কেউ তো জিজ্ঞেস করেনি। সবাই সেদিন সোচ্চার ছিলাম মানুষের কথা বলার অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘বেশি দিন আগের কথা নয়। এই তো মাত্র আড়াই বছরও হয়নি বোধ হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। চোখটা বন্ধ করলেই আমাদের চোখের সামনে সবগুলো দৃশ্য ভেসে ওঠে। সেই গণঅভ্যুত্থানের সময় হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। কেউ কি আমরা কাউকে জিজ্ঞেস করেছি, ভাই আপনি কোন ধর্মের মানুষ?’ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব ধর্মের মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেদিন তো সব ধর্মের মানুষই ছিল। এই যে যারা শহীদ হয়েছেন, আজকেই আমি ওসমানী উদ্যানে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করে এসেছি। সেখানে তো হিন্দু মানুষও আছে, মুসলমান মানুষও আছে, বৌদ্ধও আছে, খ্রিস্টানও আছে। সকলেই তো সেদিন জান কোরবানি দিয়েছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।’ দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই দেশটির যদি পরিবর্তন ঘটে, এ দেশের মানুষের যদি পরিবর্তন ঘটে, তাহলে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, আমিও উপকৃত হব।’ তিনি বলেন, ‘যখন কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন যেমন দেখে না কোন ধর্মের মানুষ, যখন মানুষ ভালো থাকে, তখনো মানুষ দেখে না। শুধু দেখে আপনিও মানুষ, আমিও মানুষ।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা আমাদেরকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি। একজন আরেকজনকে আমরা চিনি, জানি এই দেশের নাগরিক, বাংলাদেশি হিসেবে।’ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব সনাতন ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে একটি আনন্দের অনুষ্ঠান। আজকে এই অনুষ্ঠানটি হচ্ছে একটি মিলনমেলা।’ আরটিভি/ এসকেডি  
সব ধর্মের মানুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পতিত সরকারের আমলে আলেমদের অকথ্য নির্যাতন করা হতো: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,  ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনে রাখা হতো।
পতিত সরকারের আমলে আলেমদের অকথ্য নির্যাতন করা হতো: রাষ্ট্রপতি
আরও পড়ুন
জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ হস্তান্তর, পুরস্কৃত দুই পুলিশ
পুলিশ পদক পাচ্ছেন ৯২ সদস্য
পুলিশের শীর্ষ ও রেঞ্জ পর্যায়ে বড় রদবদল
পুলিশের ৫ কর্মকর্তাকে বদলি