ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রধান চ্যালেঞ্জ: প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির । ছবি: সংগৃহীত

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত বঙ্গোপসাগর সংলাপ-এর ফাঁকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের চ্যালেঞ্জগুলো ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে। তার মতে, আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের কর্মকাণ্ড ভারত বা দুই দেশের সম্পর্কের কোনো উপকারে আসছে না।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হলে সেটি হবে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সফর। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের দিল্লিতে অবস্থান এবং সেখান থেকে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা।

হাসিনাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে তাকে সন্ত্রাসী হিসেবেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা হাসিনা সরকারের পতনে দেশের মানুষ জীবন দিয়েছে। তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সূচনা প্রয়োজন।

তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তার দাবি, ভারত হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর হবে বলে তিনি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী কখনোই ভারত সফরে যাবেন না—এমন কথা বলেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর ভূমিকার প্রশংসা করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দিল্লি তার মতামতকে গুরুত্ব দিলে সব পর্যায়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হিসেবেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে সেই আলোচনা হতে হবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। দুই সরকার জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকায় বসে কেউ ভারতের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না উল্লেখ করে দিল্লির কাছ থেকেও একই ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখবে। তবে পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনও বজায় রাখা হবে। পরিবর্তিত বাংলাদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার’
সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিডব্লিউসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
‘নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার’
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি অতিরিক্ত গেজেট জারি করা হয়।
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লটারির মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে ১৮ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে।
লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ
জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশের প্রাতিষ্ঠানিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার জন্য চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 
জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় এলে দেশে তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বর্তমানে কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। তবে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, তেলের দাম যখন ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে? জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সরকার যে দরে সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমার পেছনের কারণটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, তখন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য একটু কমেছিল। মজার ব্যাপার, তার তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়েছে। আবার ১০৬-১০৭ এ চলে গিয়েছে।  তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা একটা ডেটা পেলাম, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটা বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছেন। তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে। জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার। তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়। তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব। সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি। এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসকে
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
আরও পড়ুন
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী
শিশুদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী
শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী