ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের সব হাসপাতালে জরুরি নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সব হাসপাতালকে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকার হাসপাতালগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্ত্বরে স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সেবা পেতে যাতে কোন ধরনের সমস্য না হয় সে জন্য ঢাকা মেডিকেল থেকে জাতীয় বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে স্থানান্তরের চিন্তা করা হচ্ছে।

গত রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে। সভা শেষে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম জানান, সভায় হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য শয্যা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে বার্ন ইউনিটে কিছু রোগীকে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালটি চালুর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নুরুল ইসলাম আরও বলেন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ডেঙ্গু রোগীর জন্য শয্যা আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিবর্তে কুর্মিটোলা মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিতে বলা হয়েছে। আসলে রোগীতো ঢাকাতেই বেশি তাই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের বেড বাড়াতে বলেছি।

পরিচালক জানান, সংকটের সময়েও সরকারি হাসপাতাল রোগী ফিরিয়ে দেয় না। তবে রোগীর সংখ্যা শয্যা সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেলে রোগীদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেই ভোগান্তি কমাতেই ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোকেও প্রস্তুত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৩৫৬ জন এবং মারা গেছেন ২৮১ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩২ জন এবং নারী ১৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৬২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং নারী ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ঢাকা বিভাগেই ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫ জন, খুলনা বিভাগে ৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯ জন, রংপুর বিভাগে ৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৬টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জামের ওপর সব ধরনের শুল্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হলেও আগের কোনো সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেছেন। বিশেষ জ্বালানি আইন পরবর্তী সংসদে উত্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ জ্বালানি আইন নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। আগের সরকার চুরির উদ্দেশ্যে এ ধরনের আইন করেছিল। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশের গ্রিড আধুনিক নয়। এ গ্রিডে পারমাণবিক, জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক ও নবায়নযোগ্য উৎসের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। কিন্তু পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এখনো এ জন্য প্রস্তুত নয়। বিএনপি সরকার গ্রিড আধুনিকায়ন করতে কাজ শুরু করেছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সহযোগিতা করলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সমস্যা কেউ বুঝতে চায় না। আমরা এখনো সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বেশি দামে কিনে এখনো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিশাল ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে থাকলেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেনা ও জ্বালানি সরবরাহেও সমস্যা রয়েছে। এলএনজি আমদানির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাতারের ওপর নির্ভরশীল থাকার সময় বোমা হামলার কারণে দেশটি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। তখন ১০-১২ ডলারের এলএনজি ৩০ ডলারে কিনতে হয়েছে। সরকার সব দিক সামলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের ভূগর্ভে বিপুল সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে একটি কূপও খনন করা হয়নি। ওই সময়ে অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে দেশকে আরও ৫০ থেকে ৬০ বছর ভুগতে হবে। অনুষ্ঠানে বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক একরামুল হক বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এখন সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, বিশ্বের সব দেশেই জ্বালানি নিয়ে নতুন গবেষণার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯৬ শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর এবং এর বেশির ভাগই আমদানিনির্ভর। ফলে এ খাত বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। একশনএইড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) ও বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (আইইএসডি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’— প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলায় তরুণ, নারী, শ্রমিক, নাগরিক সংগঠন ও জলবায়ু নিয়ে কাজ করা এক হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এ আয়োজনের লক্ষ্য হলো— সরকারি নীতিনির্ধারক, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের একত্র করে মেলা শেষে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা। আরটিভি/এসআর
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমকে সমর্থন করে না সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এ ধরনের বেআইনি পথ বেছে নেওয়াকে সমর্থন করে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কেবল সাজা বা আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করে, কোনো বেআইনি হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে নয়।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমকে সমর্থন করে না সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
‘পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী জাপান’
স্বাধীনতার পর থেকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী জাপান’
স্বাস্থ্য খাতে জাপানি ফাউন্ডেশনকে সহযোগিতার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের টোকিওতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক সেমিনারে বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষাকে প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা, সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং পরিবারভিত্তিক সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি ও ফ্যামিলি কার্ড চালুসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। স্বাস্থ্যকে নিজের পেশাগত ও ব্যক্তিগত আগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র উল্লেখ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। দুই দেশের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতের উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, শিশুদের সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং তাদের সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও জাপান উভয় দেশই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে টেকসই সামাজিক ব্যবস্থা, শক্তিশালী অর্থনীতি, মানসম্মত শিক্ষা এবং সহিংসতা, দারিদ্র্য ও অন্যান্য ঝুঁকি থেকে মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্য কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বাংলাদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ এবং জনকল্যাণমূলক ফাউন্ডেশনগুলোর অবদানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।  চিকিৎসক হিসেবে বাংলাদেশে নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপযুক্ত স্বাস্থ্যনীতি বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্য গবেষণার অগ্রগতি এবং আধুনিক চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশে ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। উদীয়মান স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরো বেশি সম্পদ ও সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্যও তিনি ফাউন্ডেশনটির প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, স্বাস্থ্যোন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলোতে বাংলাদেশ সরকার পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত। আরটিভি/এসআর
স্বাস্থ্য খাতে জাপানি ফাউন্ডেশনকে সহযোগিতার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
আরও পড়ুন
সব বিভাগে ক্যানসার হাসপাতালের কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের উপসর্গ নিয়ে এবার একদিনে ৬ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি
স্বাস্থ্যখাতে বড় উদ্যোগ, আসছে রোবটিক সার্জারি ব্যবস্থা