ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ একনেকে উঠছে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বুধবার (৭ অক্টোবর)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ও অনুদান ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

আজ সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন একনেকের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এটি পঞ্চম সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা। সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি কয়েকটি চলমান প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়ন ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার আরেকটি নতুন প্রকল্প সভায় উঠছে। এতে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ১২১ কোটি ৯৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৪৮০ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। একইসঙ্গে রংপুর সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ ২৮ হাজার টাকার প্রকল্পও রয়েছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থায়ন ২ হাজার ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮৮ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে ব্যয় ৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বিভিন্ন সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে ২ হাজার ৯১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা হয়েছিল। তৃতীয় সংশোধনে তা ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পও একনেকের বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয় করা চ্যান্সারি ভবন ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। পুরো অর্থই সরকারি অর্থায়ন থেকে আসবে।

এতে রয়েছে পঞ্চগড়ের ভজনপুর থেকে পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প । পুরো অর্থ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মূল ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। প্রথম সংশোধনে তা ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ৮৮৯ কোটি ৬২ লাখ ৩২ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ চতুর্থবার বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পও রয়েছে। এর পুরো অর্থ সরকারি অর্থায়নে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৩৭৪ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন রাখা হয়নি।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে ব্যয় ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

প্রথম সংশোধনে ব্যয় ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৫০ লাখ এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ৫ হাজার ৭২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা করা হয়। দ্বিতীয় সংশোধনে আরও ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধু মানবিক উদ্বেগের বিষয় নয়, এর সঙ্গে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ও জড়িত। সেই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আরও জোরালো আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে সফররত একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক জোরদারে এপিপিজির অব্যাহত আগ্রহের প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে হাউস অব লর্ডসের সদস্য শওকত আদম এমপি ও লর্ড কুরবান হুসেইনও ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে এপিপিজির ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা তৈরিতে এপিপিজির সহযোগিতা চান। প্রতিনিধিদলটি বুধবার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবে উল্লেখ করে এপিপিজির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্দশা মোকাবিলায় তাদের সমর্থনের কথা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সোচ্চার থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিনিধিদলটি। আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও বিনিময় জোরদার গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংহতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানো এবং মানবাধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চ্যানেলের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। আরটিভি/এসআর
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
দেশে উচ্চশব্দের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সরকারি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪০ জন সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ পেয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা মহানগর) পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ বাসস-কে জানান, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী, ৭২ হাজার ২০০ জন পরিবহনচালক ও শ্রমিক, ৮ হাজার ১৪০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১ হাজার ৯২০ জন কারখানা ও নির্মাণশ্রমিক, ১ হাজার ৮০০ জন সাংবাদিক এবং ৫ হাজার ৫৮০ জন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন। ফরিদ আহমেদ জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এখন শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন এবং তারা তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করছেন। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন এবং ইমামরা মুসল্লিদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করছেন। শহরাঞ্চলে শব্দের মাত্রা কমাতে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন ও পরিবেশগত শব্দ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার, অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, নীরব এলাকা ঘোষণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। শব্দদূষণ প্রতিরোধ ও কমাতে তাদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে এসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফরিদ আহমেদ জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ৩৬ হাজার ১২০ জনকে শব্দদূষণের ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে অবহিতকরণ ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করতে প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি রেডিওতে নিয়মিত শব্দদূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।  ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শব্দদূষণবিষয়ক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), খুদে বার্তা ও বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। শারীরিক সচেতনতামূলক উপকরণের মাধ্যমেও প্রকল্পটির জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করেছে। শব্দদূষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের জন্য মোট ১২৮টি বিলবোর্ড ও ২১০টি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।  এছাড়া ৭ লাখ লিফলেট, ৭ লাখ অন্যান্য উপকরণ ও ১ হাজার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৭টি মামলার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করেছে। প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতামূলক বেশকিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ‘এক মিনিট নীরবতা’ পালন করা হয়। নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ডিওই ‘যুব উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি জনসচেতনতা আরো বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সর্বত্র শব্দদূষণ কমাতে সহায়ক আচরণ গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করতে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
সরকারের আওতাধীন সব জনসেবা বিভাগ ও দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘মিট দ্য প্রেস’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
দেশের ২২ জেলায় গড়ে তোলা হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরেই দেশের ২২ জেলায় সরকারি উদ্যোগে ‘শিশু স্বর্গ’ গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। 
দেশের ২২ জেলায় গড়ে তোলা হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
‘প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, মহালয়াসহ দুর্গাপূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
‘প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে’
আরও পড়ুন
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক
একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প