ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

আজ একনেকে উঠছে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বুধবার (৭ অক্টোবর)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ও অনুদান ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

আজ সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন একনেকের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের এটি পঞ্চম সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা। সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি কয়েকটি চলমান প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৮৪ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৫৪৯ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়ন ২৩৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ ৩ হাজার টাকার আরেকটি নতুন প্রকল্প সভায় উঠছে। এতে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ১২১ কোটি ৯৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৪৮০ কোটি ৮৩ লাখ ৭১ হাজার টাকা। একইসঙ্গে রংপুর সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসনে ২১০ কোটি ৪৯ লাখ ২৮ হাজার টাকার প্রকল্পও রয়েছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে সরকারি অর্থায়ন ২ হাজার ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮৮ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে ব্যয় ৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বিভিন্ন সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে ২ হাজার ৯১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা হয়েছিল। তৃতীয় সংশোধনে তা ২ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পও একনেকের বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয় করা চ্যান্সারি ভবন ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নে ২১১ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। পুরো অর্থই সরকারি অর্থায়ন থেকে আসবে।

এতে রয়েছে পঞ্চগড়ের ভজনপুর থেকে পঞ্চগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার নতুন প্রকল্প । পুরো অর্থ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।

এছাড়া থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ৩২ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের মূল ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। প্রথম সংশোধনে তা ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ৮৮৯ কোটি ৬২ লাখ ৩২ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ চতুর্থবার বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ১৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন প্রকল্পও রয়েছে। এর পুরো অর্থ সরকারি অর্থায়নে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৩৭৪ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন রাখা হয়নি।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে ব্যয় ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

প্রথম সংশোধনে ব্যয় ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৫০ লাখ এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ৫ হাজার ৭২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা করা হয়। দ্বিতীয় সংশোধনে আরও ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় যুব দিবস আজ
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয় নিয়ে আজ ১ নভেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের আয়োজনে চাকরি মেলা, যুব পুরস্কার প্রদানসহ নানা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। যুব দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক। দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। এবারের জাতীয় যুব দিবসের অন্যতম আকর্ষণ চাকরি মেলা। এতে ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মপ্রত্যাশী তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে ১২ হাজার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি পালন করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র‌্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম, খাল খনন, রক্তদান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুবঋণ বিতরণ। এ ছাড়া সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মাননা এবং প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণের আয়োজনও রয়েছে। বর্তমানে বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা যুবসমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবিলায় কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা বাড়ানো জরুরি। তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। তাদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। জাতীয় যুব দিবস সেই সম্ভাবনা ও দায়িত্বের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। আরটিভি/টিআর
জাতীয় যুব দিবস আজ
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে এ ঘোষণার কথা জানান তিনি। আগামীকাল ১ নভেম্বর দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে।
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আজ (শনিবার) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে শুরু হচ্ছে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়ন করা হয়। এসময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা তার বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করছে।  আর এসময় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যকীয়। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ উদ্দেশ্যে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে। আরটিভি/এসআর
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
কনস্টেবলের স্ত্রী সঙ্গে পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দিনাজপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জানা যায়। বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সম্পর্কের সূত্র ধরে কাজী মিজানুর রহমান ওই নারীকে এক বান্ধবীর বাসায় নিয়ে যান এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাদের পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানো ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ও ছবি ওই কনস্টেবল পাওয়ার পর তাদের পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ডে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে বিভাগীয় তদন্তে উল্লেখ করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।  বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ ও রাষ্ট্রপতির ২৫ অক্টোবরের অনুমোদনের পর এ আদেশ জারি করা হয়। আরটিভি/এসআর
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
আরও পড়ুন
২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নতুন ১০ প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে উঠছে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রস্তাব
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন