ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের চাহিদা পূরণে দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, ময়মনসিংহে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি আধুনিক সিনেপ্লেক্স ও বিনোদনের নানা ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষার্থীরাসহ সব বয়সী মানুষ তথ্য কমপ্লেক্সে বিনোদনের সুযোগ পাবেন।

রোববার ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। নগরীর আকুয়া সারিন্দা সাফারি রিসোর্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে বলে আশা করি। তাদের মেধা, যোগ্যতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

ইয়াসের খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নকল বন্ধ করেছেন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে মেধার ভিত্তিতে সকল পরীক্ষার স্বচ্ছ ফলাফল নিশ্চিত করা হবে। কারচুপি বা নকলের কোনো সুযোগ থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী যে উন্নয়নের রাজনীতি শুরু করেছেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তোমাদের মধ্য থেকেই একদিন রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, এমনকি প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠতে পারে। এ জন্য এখন থেকেই সঠিক পথ বেছে নিতে হবে এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।

ময়মনসিংহে বিমানবন্দর নির্মাণ এবং যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ময়মনসিংহে বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রয়োজনে বিষয়টি আবারও মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করবেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, মাওনা থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ফ্লাইওভার বা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এবং সড়ক প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিভাগের ৩৩ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরসংবলিত ডিও লেটার নেওয়া হয়েছে।
এ প্রকল্পের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, শিগগিরই সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু হবে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং ডিআইজি মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম।

এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকার আবদুল গনি রোডে অবস্থিত সচিবালয় সরিয়ে নেওয়া হবে শেরেবাংলা নগরে। পাশাপাশি বর্তমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালত স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক সভায় সচিবালয় স্থানান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তবে এখনো প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন মেলেনি। সব প্রস্তুতি শেষ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে চায় সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপরতা বেড়েছে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কাজ চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর ইতিমধ্যে প্রস্তাবিত ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি নকশাও প্রস্তুত করেছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। তা অনুসরণ করে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যের প্রকল্পের নঁকশাও প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন। তার ওপর বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব আমলে নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের নকশা নিয়ে কাজ করছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সামনে তিনটি বিকল্প নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদনের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপে তিন বছরের মধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় নতুন স্থানে স্থানান্তরের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে সব ভবন নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগতে পারে। নতুন সচিবালয় নির্মিত হলে রাজধানীর প্রশাসনিক অবকাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তবে প্রকল্পের ব্যয়, নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আরটিভি/টিআর
সরানো হচ্ছে সচিবালয়
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নথিপত্র এখন নিছক ঐতিহাসিক দলিল নয়, বরং এসব নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ বহন করছে বলে উল্লেখ করেছেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এসময় গণভবনে পাওয়া নথিপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পর্যালোচনা করে তিনি বলেন, জাদুঘরটি শুধু বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। স্টিভেন কোলেট বলেন, জুলাই জাদুঘর আমার দেখা সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী জাদুঘর। জুলাই জাদুঘরে দেখানো নথিগুলো এখন নিছক নথিপত্রই নয়; বরং তা ওই সময়ের হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ উপস্থাপন করছে। পরিদর্শনকালে নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের স্মারক ঘুরে দেখেন। এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্র দেখেন তিনি। অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের আত্মত্যাগের কথা তার সামনে তুলে ধরেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি। জাদুঘর পরিদর্শন শেষে স্টিভেন কোলেট বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আমি এই জাদুঘরের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিবাদন জানাই। এই জাদুঘর আমাদের সবাইকে এমন এক ইতিহাসের কথা বলে, যা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, জুলাই জাদুঘর আমাদের মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ করে তোলে। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেল, দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইয়ানা ভান দের লিন্দেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি জাওয়াদ আজওয়ি এবং রাজনীতি ও জনকূটনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন মাসুম উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী
রিয়াদে হামলায় নিহত ২ বাংলাদে‌শির প‌রিচয় জানালো সরকার
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি নাগ‌রি‌কের প‌রিচয় জা‌নি‌য়ে‌ছে প্রবাসী কল‌্যাণ ও বৈ‌দে‌শিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। 
রিয়াদে হামলায় নিহত ২ বাংলাদে‌শির প‌রিচয় জানালো সরকার
জনসমক্ষে দুর্নীতি-অন্যায় তুলে ধরতে সাংবাদিকদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান
সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের নির্ভীক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় জনসমক্ষে তুলে ধরতে আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-এর সভাপতি মানিক মুনতাসির ও সাধারণ সম্পাদক দেলওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির ৪৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতনকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ গড়ে তোলা কঠিন। সাংবাদিকদের যথাযথ কল্যাণ ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে না পারা সমাজের জন্য দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে তিনি পেশাগত স্বার্থরক্ষায় সকল বিভাজন ভুলে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের নির্ভীক ও দায়িত্বশীল হতে হবে এবং অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায় জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে। অপসাংবাদিকতা, অপতথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার প্রতিরোধেও মূলধারার গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঢাকায় কর্মরত ঠাকুরগাঁও জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতি তার ভালোবাসা ও মমত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি যে শিকড় থেকে এসেছি, যে শিকড় থেকে আমার বেড়ে ওঠা, সেই শিকড়কে আমি ধরে রাখতে চাই। ঠাকুরগাঁওকে সাম্প্রদায়িকতা ও মাদকমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি এ লক্ষ্য অর্জনে সাংবাদিকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য ফোরামের সদস্যদের অভিনন্দন জানান। এ সময় দেশ ও ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জেলায় গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে সজাগ থাকা এবং জেলার সাফল্য ও অর্জনগুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য তিনি সংগঠনটির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান। তারা পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় এবং গুরুতর অসুস্থ সদস্যদের জরুরি চিকিৎসার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সংগঠনটির সমৃদ্ধি ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
জনসমক্ষে দুর্নীতি-অন্যায় তুলে ধরতে সাংবাদিকদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান
ভবিষ্যতে দেশে ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজ থাকবে: বিমানমন্ত্রী
দেশের বিমান পরিবহন খাতকে আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, প্রথম ধাপে ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে দেশের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও নতুন প্রজন্মের মেধার বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভবিষ্যতে দেশে ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজ থাকবে: বিমানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান
সরকারি তৎপরতা অব্যাহত, কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’
‘সাংবাদিকতার জন্য নীতিমালা ও কোড অব কন্ডাক্ট দ্রুত করা হবে’