ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশ থেকে ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ২২ হাজার ২৪১ যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৬টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে আকাশসীমা ব্যবস্থাপনা ও ফ্লাইট পরিচালনা (এএসএম ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট) বিভাগের স্কোয়াড্রন লিডার মো. সাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।

সাকিব জানান, সৌদি আরবে বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট মিলিয়ে ১৪৬টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এতে ২২ হাজার ২৪১ জন যাত্রীর যাত্রা বাতিল হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৯টি ফ্লাইট, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি ফ্লাইট, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ১৯টি ফ্লাইট এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের ৩০টি ফ্লাইট, সালাম এয়ারের ৭টি ফ্লাইট, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ১৪টি ফ্লাইট, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি ফ্লাইট ও ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি ও এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার’
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার দেশের প্রতিটি ঘরে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিতে চায় বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার’
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
সাগরপথে ইউরোপ যেতে লিবিয়ায় গিয়ে আটকেপড়া আরও ১৭৪ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে দেশটির রাজধানী ত্রিপোলি থেকে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তাঁদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে অনেকে দেশটিতে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে। দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। প্রত্যাবাসিত প্রত্যেক বাংলাদেশির প্রাথমিক প্রয়োজন মেটাতে আইওএমের পক্ষ থেকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এদিকে, অনিয়মিত পথে বিদেশযাত্রা ও মানবপাচারকারীদের প্রলোভন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তাদের অভিজ্ঞতা বিদেশযাত্রার ঝুঁকি ও সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে সহায়তা করবে। লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে এখনো আটক থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শহর থেকে গ্রামকে ডিজিটাল সংযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে যা লিখলেন সানায়ে তাকাইচি
চারদিনের সফরে জাপানে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এরপরই তারেক রহমানের সঙ্গে তোলা বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন সানায়ে তাকাইচি।  জাপানের প্রধানমন্ত্রী পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন,‘ আজ আমরা জাপানে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি শীর্ষ বৈঠক করেছি। একজন বন্ধু হিসেবে যিনি ‘গণতন্ত্র’ এবং ‘আইনের শাসন’-এর মতো মূল্যবোধ পোষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার অভিষেকের জন্য সরাসরি অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।  ‘গণতান্ত্রিকভাবে সাধারণ নির্বাচনের’ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত তারেক রাহমানের সরকার এবং তার জাতি গঠনের প্রচেষ্টাকে জাপান জোরালোভাবে সমর্থন করবে।’’ ‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত‘বিগ বি’ উদ্যোগ যৌথভাবে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ-জাপান একমত বলে উল্লেখ করেন তিনি। সানায়ে তাকাইচির ভাষ্য, আজ এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) বাস্তবায়নে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এবার আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, আমরা  দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার মূল বিষয় ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ জোন’ এর উদ্যোগ বা ‘বিগ-বি’র উদ্যোগকে বিকশিত করবো এবং প্রধানমন্ত্রী রহমানের সঙ্গে ‘শেয়ারিং সমৃদ্ধি বিগ-বি’ নামে একটি নতুন কৌশলগত সহযোগিতার উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করবো।’ তিনি আর লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ‘শান্তিপূর্ণ জাতি’ হিসেবে জাপানের যাত্রা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রাথমিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের জনগণের কাছে জাপানের একটি বিশেষ উপস্থিতি এবং জাপান সরকার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনগণের প্রদত্ত ব্যাপক সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ‘দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্ত করা বাংলাদেশ, জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে ১৭০ মিলিয়ন মানুষের তরুণ বাজারের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারত্বের’ আওতায় আজ প্রকাশিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’ সরকারি-বেসরকারি প্রয়াসের মাধ্যমে ‘শক্তি ও সমৃদ্ধি’র প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবো।’ আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে যা লিখলেন সানায়ে তাকাইচি
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুতের সরঞ্জামের ওপর সব ধরনের শুল্ক তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হলেও আগের কোনো সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেছেন। বিশেষ জ্বালানি আইন পরবর্তী সংসদে উত্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ জ্বালানি আইন নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। আগের সরকার চুরির উদ্দেশ্যে এ ধরনের আইন করেছিল। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশের গ্রিড আধুনিক নয়। এ গ্রিডে পারমাণবিক, জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক ও নবায়নযোগ্য উৎসের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। কিন্তু পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এখনো এ জন্য প্রস্তুত নয়। বিএনপি সরকার গ্রিড আধুনিকায়ন করতে কাজ শুরু করেছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা সহযোগিতা করলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সমস্যা কেউ বুঝতে চায় না। আমরা এখনো সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বেশি দামে কিনে এখনো কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিশাল ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে থাকলেও ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেনা ও জ্বালানি সরবরাহেও সমস্যা রয়েছে। এলএনজি আমদানির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, কাতারের ওপর নির্ভরশীল থাকার সময় বোমা হামলার কারণে দেশটি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। তখন ১০-১২ ডলারের এলএনজি ৩০ ডলারে কিনতে হয়েছে। সরকার সব দিক সামলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দেশের ভূগর্ভে বিপুল সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে একটি কূপও খনন করা হয়নি। ওই সময়ে অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে দেশকে আরও ৫০ থেকে ৬০ বছর ভুগতে হবে। অনুষ্ঠানে বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক একরামুল হক বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত এখন সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, বিশ্বের সব দেশেই জ্বালানি নিয়ে নতুন গবেষণার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯৬ শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর এবং এর বেশির ভাগই আমদানিনির্ভর। ফলে এ খাত বিভিন্ন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। একশনএইড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) ও বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (আইইএসডি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’— প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলায় তরুণ, নারী, শ্রমিক, নাগরিক সংগঠন ও জলবায়ু নিয়ে কাজ করা এক হাজারের বেশি প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। এ আয়োজনের লক্ষ্য হলো— সরকারি নীতিনির্ধারক, গবেষক, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের একত্র করে মেলা শেষে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা। আরটিভি/এসআর
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নতুন সিদ্ধান্ত সরকারের
আরও পড়ুন
দুই সপ্তাহ পর খুলছে রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দর
টয়লেটে পাওয়া চিরকুট ঘিরে কলকাতা বিমানবন্দরে তোলপাড়, ছিল যে বার্তা 
টানা তৃতীয়বারের মতো সেরা লা গার্ডিয়া বিমানবন্দর
ডালাসের ডিএফডব্লিউ বিমানবন্দরের টার্মিনালে চার গেট চালু