
মিয়ানমারের তুমব্রু সীমান্তে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে দেশটির সীমান্ত রক্ষাবাহিনী বিজিপি। বিজিপি কর্মকর্তারা বলেছেন সেখানে ব্রিজ নয়, মূলত কাটাঁতারের পিলার সংরক্ষণের জন্য কিছু স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের উচিত ছিলো বিজিবিকে আগে থেকে অবহিত করে কাজ শুরু করা। তা তারা করেনি। জানালেন বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আইনুল মোর্শেদ খান পাঠান।
আজ (সোমবার)বিকেলে বিজিবি রিজিয়ন কমান্ডার মিয়ানমারের মংডুতে সীমান্ত বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ফিরে টেকনাফ ট্রানজিট জেটিতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আইনুল মোর্শেদ খান পাঠান বলেন, বিজিপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন আগামীতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুরু করার আগেই বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবিকে জানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক পাচার বিশেষ করে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধ ও মিয়ানমার সীমান্তে পুতেঁ রাখা মাইন অপাসারণে সমন্বিত অপারেশন চালানোর ব্যাপারে সম্মত রয়েছে দু’দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আইনুল মোর্শেদ খান পাঠান। মিয়ানমারে পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার মিয়েন থও।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান বলেন, আলোচনা সভায় দু দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক প্রতিরোধ জোরদার করণ, যৌথ টহল জোরদার, মিয়ানমার সীমান্তের মাইন অপসারণ ও চোরাচালান প্রতিরোধ বিষয়ে পারস্পরিক সমন্বনিত সহযোগিতা বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়। এ ছাড়া দুদেশে আটক অপরাধীদের সাজা শেষে যাতে স্ব স্ব দেশে ফেরত আনা সহজ হয় সে জন্য আগে থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করাসহ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জেএইচ




