ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি আমিরাতের ব্যবসায়ীদের

মাহাবুব হাসান হৃদয়, আমিরাত প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৪৭ এএম
ছবি: নিজস্ব

বাংলাদেশের কয়েকটি প্রকল্পে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা। এই বিনিয়োগ আসবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বন্দর ও অবকাঠামো খাতে। যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে সরকার আশা করছে।

রোববার দুবাইয়ের কনরাড হোটেলে বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের দ্বিতীয় সম্মেলনে এসব প্রকল্প ও বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের আলোচনা হয়।

সালমান এফ রহমান এই সম্মেলনে ২০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সেখানে তার সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গ্রুপেরও আলোচনা হয়, যারা বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্ক গড়ে তোলার আগ্রহ দেখিয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় বাংলাদেশে একটি বন্দর, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কথা রয়েছে আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীদের।

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২৮টি হাই-টেক পার্ক গড়ে তুলছে। গত এক বছরে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৬৮ শতাংশ বেড়ে ৩.৬১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের (বিএইচটিপিএ) প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামে নতুন ২০টি বিনিয়োগ প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সঙ্গে এসব প্রকল্প প্রস্তাব নিয়ে সেখানে বিনিয়োগকারীদের আলোচনা হয়।

সালমান এফ রহমান বলেন, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) গ্রহণে বাংলাদেশ আগের চেয়ে এখন আরও বেশি স্বাগত জানায়।

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : সাপের ছোবলে একসঙ্গে ঘুমিয়ে থাকা সহোদরের মৃত্যু
---------------------------------------------------------------------

তিনি বলেন, আমরা সব সময় চীন, জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় ধরনের বিনিয়োগ দেখে আসছি। এখন আমরা বিশ্বাস করি জিসিসিভুক্ত দেশগুলো বিশেষ করে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়, অপারেশনস এবং উচ্চতর রিটার্নের সুবিধা নেয়া উচিত। যেহেতু বাংলাদেশে প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষ মধ্য আয়ে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে ফলে অভ্যন্তরীন খরচ ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারণে বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমরা বাংলাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ২৮টি হাই-টেক পার্ক উন্নয়ন করেছি। যাতে করে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সর্বনিম্ন শ্রম ব্যয় ও খুব কম অপারেশনাল ব্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। ইউএই ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে আসা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সুযোগসমূহ গ্রহণ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনশর বেশি সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগের গতি বাড়াতে আয়োজিত দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন।

বাংলাদেশিরা আমিরাতের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মালিকানায় বা পরিচালনায় বর্তমানে সেখানে ৫০ হাজারের বেশি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে রয়েছে, যা পরবর্তী কয়েক বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের বেশি করবে। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্রুতবর্ধমান অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ৮ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বাংলাদেশের প্রচুর দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন যা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জিসিসিভুক্ত দেশগুলো হতে পারে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বড় উৎস।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটার ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল। তবে, আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম, পরিচয় প্রকাশ করেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। তিনি বলেন, পাথরঘাটার এই ছয় আসামির বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত এখনো চলছে। আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হলে এ আদেশ আসে। তবে, তাদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে না। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। এমকে
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো নতুন বছর ২০২০। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় নিউজিল্যান্ডে শুরু হয় নববর্ষের আয়োজন। নানা আতশবাজি ফোটানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। এরপর একই উৎসব শুরু হয় অস্ট্রেলিয়াতে। ২০২০ সালের আগমনে সিডনি ঝলমলে হয়ে উঠে নানা রঙের আতশবাজিতে। অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেও থেমে থাকেনি নতুন বছরকে বরণের  আনন্দ-উৎসব। এর আগে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সামোয়া ও কিরিবাতিতে নববর্ষের শুরু হয়। বর্ষবরণ উৎসবে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে জমকালো আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। এছাড়া প্রথমবারের মতো এতে লেজার লাইট ও অ্যানিমেশনের প্রদর্শনী করা হয়। নববর্ষের এসব আতশবাজি উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ অকল্যান্ডের ফেডারেল স্ট্রিটে জড়ো হয়। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে অকল্যান্ডের সিলো পার্ক, বাসটন পয়েন্ট, মাউন্ট ইডেনসহ বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র উৎসবের আয়োজন করেছেন নিউজিল্যান্ডবাসী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় অস্ট্রেলিয়াতে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। প্রতিবছরের মত এবছরও সিডনির অপেরা হাউজে আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। সিডনি হারবারে আতশবাজির এ প্রদর্শনী দেখতে প্রায় ১০ লাখের মত দর্শনার্থী জড়ো হয়। এমকে
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব মো: আলমগীর স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিনকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ২২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করার লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্তগুলো হলো- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের লক্ষ্যে অগ্রিম বাজেট প্রণয়ন; অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতকরণ; এবং নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। এমকে
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।কিন্তু সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিল বলেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘নন্দিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিলেন বলেই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করতে পেরেছি। আর এ কারণেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। এখনকার পুলিশের সঙ্গে ১০ বছর আগের পুলিশের তুলনা করলে হবে না। এখন পুলিশের দক্ষতা-অভিজ্ঞতা অনেক বেড়েছে। তারা যেকোনো বিষয় সামাল দিতে পারে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তারই কন্যা শেখ হাসিনা সব নির্দেশনা দিচ্ছেন । তিনি একের পর এক স্বপ্ন দেখছেন এবং বাস্তবায়ন করছেন। তিনি বলেন, একসময়  সন্ত্রাসী ধরা পড়ার পর অনেক নেতা বলতেন ‘ছেড়ে দাও’। একটি ভবনের নাম করে সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিতে বলা হতো। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, এখনো ধরছো না কেন? এ কারণে জলদস্যু, জঙ্গি, মাদক সবকিছুর নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন। এমকে
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আরও পড়ুন
চারদিনের সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রী
আমিরাতে দুটি বাংলাদেশি স্কুলে জেএসসি পরীক্ষা শুরু
ইরানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আমিরাতেও কম্পন অনুভূত
আবুধাবিতে পাওয়া গেছে আট হাজার বছর আগের মুক্তা