বিতর্কিত কাউন্সিলর রাজীব গ্রেপ্তার হলেও থামেনি তার বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। রাজীবের সাঙ্গপাঙ্গদের কাছে এখনো জিম্মি মোহাম্মদপুর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। তাদের ভয়ে মুখ খুলতে চান না বেশীরভাগ মানুষ। এলাকা ঘুরে জানা যায়, সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি সহ নানা অপকর্ম করে মাত্র চার বছরে অঢেল সম্পদের মালিক হন রাজীব।
কাউন্সিলর হয়ে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলা গাছ হন মোহাম্মদপুরের যুবলীগ নেতা তারিকুজ্জামান রাজীব। নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলে রাজীব ২০১৫ সালের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। সে সময় কোন ব্যবসা ছিল না তার। অথচ এর চার বছরের মাথায় দশ থেকে বারোটি দামী গাড়ির মালিক রাজীব। থাকতেন ডুপ্লেক্স বাড়িতে। মোহাম্মদপুরে রয়েছে তার একাধিক ফ্ল্যাট, জমিসহ বেশ কিছু সম্পত্তি।
অভিযোগ আছে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল রাজীব। জনপ্রতিনিধি হয়ে এলাকার জনগণের সম্পত্তি দখল করে নেয় সে ও তার কর্মী বাহিনী। চাঁদা না দেয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয় বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ। সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এভাবেই এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো রাজীব।
মোহাম্মদপুরের কাটাসুরে রাজীবের এক সহযোগী আমেরিকান প্রবাসী আবুল হকের প্রায় ১৭ শতাংশ জমি দখল করে রেখেছে। গড়ে তুলেছেন ক্লাব।
১৯ অক্টোবর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রাজীবকে আটক করে র্যাব। এরপরও এলাকায় তার প্রভাব কমেনি। রাজীবের কর্মীরা এখনও হুমকি দিচ্ছে এলাকাবাসীকে।
রাজীবের পাশাপাশি তার বাহিনীর সদস্যদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এসজে




