ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি রবিউল হুসাইনের মরদেহ বুধবার সকালে শহীদ মিনারে নেয়া হবে

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:২২ পিএম
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইনের মরদেহ আগামীকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে এবং দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস বাসস’কে একথা জানিয়ে বলেন, এর আগে সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমিতে তাঁর মরদেহ আনা হবে। জোহরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজার পর মরদেহ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও স্থপতি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হবে। বিকেলে তাঁর মরদেহ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন উপকমিটি’র সদস্য রবিউল হুসাইনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বার্তায় শোক প্রকাশ এবং প্রয়াতের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এছাড়াও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী কবির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
জাতীয় কবিতা পরিষদের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কবী রবিউল হুসাইনের মৃত্যুতে পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক কবী তারিক সুজাত গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে প্রখ্যাত কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইনের বাসভবনে গিয়ে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সেখানে কিছু সময় অবস্থান করে তিনি কবির পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও সান্ত¦না দেন।
রবিউল হুসাইন আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। সকালে হাসপাতাল থেকে রবিউল হুসাইনের মরদেহ বাসায় নেয়া হয়। পরে এখান থেকে বারডেমের হিমঘরে রাখা হয়।
জানা গেছে, রবিউল হুসাইন রক্তের সংক্রমণে ভুগছিলেন। দুই সপ্তাহ ধরে তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার তাঁকে সিসিইউতে নেয়া হয়েছিল।
ভাষা ও সাহিত্যে অবদান রাখায় ২০১৮ সালে একুশে পদক পান কবি ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি, স্থপতি রবিউল হুসাইন। পেশা স্থাপত্যশিল্প হলেও তিনি একাধারে স্থপতি, কবি, শিল্প-সমালোচক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক ও সংস্কৃতিকর্মী। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষকও ছিলেন তিনি।
কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস মিলিয়ে দুই ডজনের বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। ১৯৬৮ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং স্থপতি হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
রবিউল হুসাইন ১৯৪৩ সালের ৩১ জানুয়ারিতে ঝিনাইদহের শৈলকুপার রতিডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । কুষ্টিয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে তিনি ভর্তি হন ইস্ট পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজির (বর্তমান বুয়েট) আর্কিটেকচার ফ্যাকাল্টিতে।
রবিউল হুসাইনের নকশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তি ও স্বাধীনতা তোরণ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ফটক, ভাসানী হল, বঙ্গবন্ধু হল, শেখ হাসিনা হল, ওয়াজেদ মিয়া সায়েন্স কমপ্লেক্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ও একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়েছে।
বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য ,শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা, জাতীয় কবিতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ক্রিটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন রবিউল।
রবিউল হুসাইনের লেখা উল্লেখযোগ্য বই হলো ‘কী আছে এই অন্ধকারের গভীরে’, ‘আরও উনত্রিশটি চাঁদ’, ‘স্থিরবিন্দুর মোহন সংকট’, ‘কর্পূরের ডানাঅলা পাখি’, ‘আমগ্ন কাটাকুটি খেলা’, ‘বিষুবরেখা’, ‘দুর্দান্ত’, ‘অমনিবাস’, ‘কবিতাপুঞ্জ’, ‘স্বপ্নের সাহসী মানুষেরা’, ‘যে নদী রাত্রির’, ‘এইসব নীল অপমান’, ‘অপ্রয়োজনীয় প্রবন্ধ’, ‘দুরন্ত কিশোর’, ‘বাংলাদেশের স্থাপত্য সংস্কৃতি’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘গল্পগাথা’, ‘ছড়িয়ে দিলাম ছড়াগুলি’ ইত্যাদি।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটার ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল। তবে, আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম, পরিচয় প্রকাশ করেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। তিনি বলেন, পাথরঘাটার এই ছয় আসামির বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত এখনো চলছে। আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হলে এ আদেশ আসে। তবে, তাদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে না। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। এমকে
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো নতুন বছর ২০২০। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় নিউজিল্যান্ডে শুরু হয় নববর্ষের আয়োজন। নানা আতশবাজি ফোটানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। এরপর একই উৎসব শুরু হয় অস্ট্রেলিয়াতে। ২০২০ সালের আগমনে সিডনি ঝলমলে হয়ে উঠে নানা রঙের আতশবাজিতে। অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেও থেমে থাকেনি নতুন বছরকে বরণের  আনন্দ-উৎসব। এর আগে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সামোয়া ও কিরিবাতিতে নববর্ষের শুরু হয়। বর্ষবরণ উৎসবে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে জমকালো আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। এছাড়া প্রথমবারের মতো এতে লেজার লাইট ও অ্যানিমেশনের প্রদর্শনী করা হয়। নববর্ষের এসব আতশবাজি উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ অকল্যান্ডের ফেডারেল স্ট্রিটে জড়ো হয়। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে অকল্যান্ডের সিলো পার্ক, বাসটন পয়েন্ট, মাউন্ট ইডেনসহ বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র উৎসবের আয়োজন করেছেন নিউজিল্যান্ডবাসী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় অস্ট্রেলিয়াতে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। প্রতিবছরের মত এবছরও সিডনির অপেরা হাউজে আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। সিডনি হারবারে আতশবাজির এ প্রদর্শনী দেখতে প্রায় ১০ লাখের মত দর্শনার্থী জড়ো হয়। এমকে
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব মো: আলমগীর স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিনকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ২২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করার লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্তগুলো হলো- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের লক্ষ্যে অগ্রিম বাজেট প্রণয়ন; অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতকরণ; এবং নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। এমকে
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।কিন্তু সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিল বলেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘নন্দিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিলেন বলেই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করতে পেরেছি। আর এ কারণেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। এখনকার পুলিশের সঙ্গে ১০ বছর আগের পুলিশের তুলনা করলে হবে না। এখন পুলিশের দক্ষতা-অভিজ্ঞতা অনেক বেড়েছে। তারা যেকোনো বিষয় সামাল দিতে পারে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তারই কন্যা শেখ হাসিনা সব নির্দেশনা দিচ্ছেন । তিনি একের পর এক স্বপ্ন দেখছেন এবং বাস্তবায়ন করছেন। তিনি বলেন, একসময়  সন্ত্রাসী ধরা পড়ার পর অনেক নেতা বলতেন ‘ছেড়ে দাও’। একটি ভবনের নাম করে সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিতে বলা হতো। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, এখনো ধরছো না কেন? এ কারণে জলদস্যু, জঙ্গি, মাদক সবকিছুর নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন। এমকে
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০