ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৪০ পিএম

বাণিজ্যিক কোর্স সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছে এবং এতে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ৫২তম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেন, এসব বাণিজ্যিক কোর্সের মাধ্যমে প্রতিবছর হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। এসব ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষার্থীরা কতটুকু লাভবান হচ্ছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন থাকলেও এক শ্রেণির শিক্ষক কিন্তু ঠিকই লাভবান হচ্ছেন। তারা নিয়মিত নগদ সুবিধা পাচ্ছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি সার্বিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন দিনে সরকারি আর রাতে বেসরকারি চরিত্র ধারণ করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সন্ধ্যায় মেলায় পরিণত হয়। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, কিছু শিক্ষক আছেন নিয়মিত কোর্সের ব্যাপারে অনেকটা উদাসীন। কিন্তু ইভিনিং কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্স ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নেয়ার ব্যাপারে তারা খুবই সিরিয়াস। কারণ এগুলোতে নগদ প্রাপ্তি থাকে। কিন্তু মনে রাখবেন বিশ্ববিদ্যালয় চলে জনগণের টাকায়। সুতরাং এর জবাবদিহিও জনগণের কাছে করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা পয়সার সততার সঙ্গে সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব উপাচার্য ও শিক্ষকদের।
কিন্তু কোনও কোনও উপাচার্য ও শিক্ষকের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হয় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসল কাজ কী তা ভুলে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুধু জ্ঞান দান করা নয়। বরং অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোই হচ্ছে আসল কাজ।

গবেষণাকে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে আবদুল হামিদ বলেন, গবেষণার মান নিয়েও এখন নানা কথা উঠে। পদোন্নতির জন্য গবেষণা, না মৌলিক গবেষণা তাও বিবেচনায় নিতে হবে। অনেক বিভাগেই এখন অন্যান্য পদের শিক্ষকের চেয়ে অধ্যাপকের সংখ্যা বেশি। অনেক শিক্ষকই প্রশাসনিক পদ-পদবি পেয়ে নিজে যে একজন শিক্ষক সে পরিচয় ভুলে যান।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সম্প্রতি দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া অমানবিক ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও শিক্ষার্থীদের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করে জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, লাশ হয়ে বা বহিষ্কৃত হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য নয়। কর্তৃপক্ষ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে এসব অপ্রত্যাশিত ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হতো। তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এর দায় একেবারে এড়াতে পারে না।

বাবা-মার আশা-আকাঙ্ক্ষা, কষ্ট ও ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, তোমাদের মূল দায়িত্ব হলো লেখাপড়া করা এবং দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা। তোমরা এমন কোনও কাজ করবে না যাতে তোমাদের পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রথম যখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রেজাল্ট দিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে চান্স পাবে কী পাবে না এই চিন্তা থেকে আগে কলেজে ভর্তি হয়ে যায়। সরকারি কলেজে ভর্তি হতে গেলে প্রায় ৫ হাজার টাকা লাগে বেসরকারি কলেজে ২০-২৫-৩০ হাজার টাকা লাগে। পরে অনেকেই ঢাকাসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে যায়। পরে যেখানে ভর্তি হয়ে আছে, সেখানকার ভর্তি বাতিল করতে টাকা লাগে। অনেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয় অনেক টাকা দিয়ে। ওই ছেলে বা মেয়ে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় তখন সেটা বাতিল করে আসে। তখন মূল মার্কশিট, সনদ ফেরত আনতে ২০-২৫ হাজার দিতে হয়।

সেজন্য ডিসেম্বরের মধ্যে সব পরীক্ষা শেষ করে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তির ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের চান্স পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দমত ভর্তি হবে। অনর্থক অর্থদণ্ড থেকে মুক্তি পাবে। হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে।

ডাকুস নেতাদের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ডাকসু নির্বাচন হলো, আশা করছিলাম, এই ডাকসু নেতারা কথাগুলো বলবে। দাবি-দাওয়া করবে। আমি কেন বলবো? আমি চ্যান্সেলর। আমাকে কেন বলতে হবে? ছাত্রনেতাদের এসব কথা বলা উচিত। তারাতো এ ব্যাপারে কোনও কথা বলে না। বরং তাদের ব্যাপারে অন্য এমনসব কথা শুনি, যেগুলো আমার ভালো লাগে না। এর বেশি কিছু বলে আমি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাই না। তাদের কর্মকাণ্ড আমার ভালো লাগে না। ছাত্রদের কল্যাণ তাদের টপ প্রোয়োরিটি দেয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটির স্পেশাল প্রফেসর ২০১৫ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল জয়ী তাকাকি কাজিতা। সমাবর্তনে প্রফেসর কাজিতাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রি দেয়া হয়।

কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান এবং উপ-উপাচার্য মুহাম্মদ সামাদও বক্তব্য দেন।

সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭১৭ জনকে ডিগ্রি দেয়া হয়। কৃতিদের মধ্যে ৯৮টি স্বর্ণ পদক দেয়া হয়।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটার ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল। তবে, আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম, পরিচয় প্রকাশ করেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। তিনি বলেন, পাথরঘাটার এই ছয় আসামির বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত এখনো চলছে। আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হলে এ আদেশ আসে। তবে, তাদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে না। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। এমকে
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো নতুন বছর ২০২০। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় নিউজিল্যান্ডে শুরু হয় নববর্ষের আয়োজন। নানা আতশবাজি ফোটানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। এরপর একই উৎসব শুরু হয় অস্ট্রেলিয়াতে। ২০২০ সালের আগমনে সিডনি ঝলমলে হয়ে উঠে নানা রঙের আতশবাজিতে। অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেও থেমে থাকেনি নতুন বছরকে বরণের  আনন্দ-উৎসব। এর আগে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সামোয়া ও কিরিবাতিতে নববর্ষের শুরু হয়। বর্ষবরণ উৎসবে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে জমকালো আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। এছাড়া প্রথমবারের মতো এতে লেজার লাইট ও অ্যানিমেশনের প্রদর্শনী করা হয়। নববর্ষের এসব আতশবাজি উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ অকল্যান্ডের ফেডারেল স্ট্রিটে জড়ো হয়। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে অকল্যান্ডের সিলো পার্ক, বাসটন পয়েন্ট, মাউন্ট ইডেনসহ বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র উৎসবের আয়োজন করেছেন নিউজিল্যান্ডবাসী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় অস্ট্রেলিয়াতে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। প্রতিবছরের মত এবছরও সিডনির অপেরা হাউজে আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। সিডনি হারবারে আতশবাজির এ প্রদর্শনী দেখতে প্রায় ১০ লাখের মত দর্শনার্থী জড়ো হয়। এমকে
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব মো: আলমগীর স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিনকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ২২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করার লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্তগুলো হলো- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের লক্ষ্যে অগ্রিম বাজেট প্রণয়ন; অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতকরণ; এবং নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। এমকে
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।কিন্তু সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিল বলেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘নন্দিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিলেন বলেই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করতে পেরেছি। আর এ কারণেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। এখনকার পুলিশের সঙ্গে ১০ বছর আগের পুলিশের তুলনা করলে হবে না। এখন পুলিশের দক্ষতা-অভিজ্ঞতা অনেক বেড়েছে। তারা যেকোনো বিষয় সামাল দিতে পারে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তারই কন্যা শেখ হাসিনা সব নির্দেশনা দিচ্ছেন । তিনি একের পর এক স্বপ্ন দেখছেন এবং বাস্তবায়ন করছেন। তিনি বলেন, একসময়  সন্ত্রাসী ধরা পড়ার পর অনেক নেতা বলতেন ‘ছেড়ে দাও’। একটি ভবনের নাম করে সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিতে বলা হতো। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, এখনো ধরছো না কেন? এ কারণে জলদস্যু, জঙ্গি, মাদক সবকিছুর নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন। এমকে
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আরও পড়ুন
বিজয় দিবসে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা (ভিডিও)
ঈদের আনন্দ যাতে অন্যের জন্য বিষাদের কারণ না হয়: রাষ্ট্রপতি
মৎস্য ও পশু সম্পদ খাতে অনিয়ম প্রতিরোধ করুন: রাষ্ট্রপতি
হজ ব্যবস্থাপনায় অবহেলা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা: রাষ্ট্রপতি