
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও জামিন আবেদনের পক্ষে শুধুমাত্র ৩০ জন করে আইনজীবী আপিল বিভাগে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে আপিল বিভাগ বসার পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আপনারা আমাদের শেষ ভরসাস্থল। এখানে অনেক আইনজীবী ঢুকতে পারেনি।
তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যারা যারা এনরোলড তারাই ঢুকবে। আর যাদের এনরোলমেন্ট নাই তাদের আমরা অ্যালাউ করবো না।
খন্দকার মাহবুব হোসেন তখন বলেন, অনেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলও এখানে আছেন। আমার অনেক আইনজীবী বাইরে। এই বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ফাইল নিয়ে আসতে হয়েছে। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনার জুনিয়র তো অবশ্যই আসবে।
একপর্যায়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, উভয়পক্ষের যারা কেবল এনরোলড তারাই শুধু থাকবে। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ২০ জন অথবা ৩০ জন করে থাকতে পারে।
তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, উভয়পক্ষের ৩০ জন করে থাকেন। এতে অ্যাটর্নি জেনারেল ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং জয়নুল আবেদীন একমত পোষণ করেন।
---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের প্রতিবেদন ভুয়া: খালেদার আইনজীবী
---------------------------------------------------------------
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর)। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় আবেদনটি ১২ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। এদিকে আদালতের নির্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্টটি আদালতে পাঠানো হয়।
এসজে




