ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

পরবর্তী ১২ বছরে তাপমাত্রা বাড়বে দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:৩১ পিএম

বৈশ্বিক উষ্ণতার বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সাল নাগাদ পৃথিবীর তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে। সোমবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এই সতর্কতা জারি করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত তাপমাত্রা কমাতে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি বিশ্বনেতারা। খবর আলজাজিরার।

প্রতিটি দেশের সরকার ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি কীভাবে বাস্তবায়ন করবে তার একটি বৈজ্ঞানিক গাইডলাইন হিসেবে দেখা হচ্ছে জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনকে। প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানোর লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এরপর ২ ডিগ্রি থেকে কমিয়ে এটা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ায় এক সম্মেলনে এটা নির্ধারিত হয়।

নতুন লক্ষ্য নির্ধারণকারী প্যানেল বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে সীমিত রাখতে সমাজের সব স্তরে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। তারা সতর্ক করে বলেন, বর্তমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকলে ২০৩০ থেকে ২০৫২ সালের মধ্যে তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে।

জাতিসংঘ প্রতিবেদনে নীতি নির্ধারকদের উদ্দেশে বলা হয়, দ্রুততার সাথে জীবাশ্ম জ্বালানীর ওপর ভুর্তকি তুলে দিতে হবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তি ও পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

এ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা ‘দ্য এলডার্সের’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রো হারম্যান ব্রান্ডল্যান্ড বলেন, এটা সাধারণ সতর্কতা নয় বরং এটা একটি টাইম-বোমা যা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা কয়েক দশক ধরে বিশ্বনেতাদের প্রয়োজনীয় দায়িত্ব ও পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। কিন্তু যা করার দরকার, তা এখনও পর্যন্ত করা হচ্ছে না। এরপরেও কিছু না পারলে এটা আমাদের বাসভূমি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য বেশ বিপদজনক হবে।

আরও পড়ুন :

ডি/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে আজ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত এটাই চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বইছে, গত শুক্রবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ কোথাও কোথাও তীব্র আকার ধারণ করে। সারাদেশের মতো ঢাকাতেও জেঁকে বসেছে শীত। শীত শুরু হওয়ার পর থেকে তীব্রতা খুব একটা না থাকলেও এখন বেশ শীত পড়ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ‘এবছর তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রির নিতে নামেনি। এটাই এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আপাতত তাপমাত্রা এর নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। আগামী ৩-৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে তারপর শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। আজ সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, একদিন আগে তা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে মাঝারি ও তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির চেয়ে বেশি থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, নওগাঁ, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা এবং বরিশাল অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও ময়মনসিংহ বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পি
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
রাজশাহীতে বইছে শৈত্যপ্রবাহ
রাজশাহীতে বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।শনিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত রাজশাহীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনভর বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়ায় মানুষ অনেকটাই কাবু। সন্ধ্যার পর বাজার ফাঁকা হয়ে যায়। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, গতকাল শুক্রবার দেশের এবং মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়। সারাদিনই হিমেল হাওয়া বইতে থাকে। আকাশ ছিল মেঘমুক্ত পরিষ্কার। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, এর আগের দিন রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছয় দশমিক সাত ডিগ্রি এবং বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাত দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।   আরও পড়ুন : নৌকার প্রচারণার সাত মোটরসাইকেল পোড়ালো বিএনপি কর্মীরা ভারতে যৌন নির্যাতনকারী নাবালক হলেও মৃত্যুদণ্ড জেবি
রাজশাহীতে বইছে শৈত্যপ্রবাহ
দীর্ঘতম রাত আজ, ক্ষুদ্রতম দিন শনিবার
বছরের দীর্ঘতম রাত আজ। বছরের ক্ষুদ্রতম দিন হবে আগামীকাল শনিবার। উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে এ ঘটনা ঘটবে। কিন্তু বিপরীত অবস্থা থাকবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে। সেখানে একই সময় হবে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত। ২১ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করায় এবং উত্তর মেরু সূর্য থেকে কিছুটা দূরে হেলে থাকায় উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত ও ক্ষুদ্রতম দিন হয়ে থাকে। অন্যদিকে দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়। দীর্ঘতম রাত অথবা ক্ষুদ্রতম দিনকে এভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে ২১ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে আমরা পাই দীর্ঘতম দিন আর ক্ষুদ্রতম রাত। সূর্য এ সময় কর্কটক্রান্তি বৃত্তে অবস্থান করে। ক্রান্তি বৃত্তে সূর্যের এই প্রান্তিক অবস্থান বিন্দুকে বলা হয় উত্তর অয়নায়ন। দক্ষিণ গোলার্ধে এর বিপরীত অবস্থা। এর পর থেকে দিন ছোট হতে থাকে আর রাত বড় হতে থাকে। অবশেষে ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য আবার অবস্থান নেয় বিষুব বৃত্তের বিন্দুতে, যেখানে ক্রান্তিবৃত্ত ও বিষুববৃত্ত পরস্পরকে ছেদ করেছে। একে বলা হয় জলবিষুব বিন্দু। এই দিন পুনরায় পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত সমান হয়ে থাকে। আবার এর পর থেকেই উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ রাত বড় হতে হতে সূর্য পৌঁছে যায় ক্রান্তি বৃত্তের দক্ষিণ অয়নায়ন বিন্দুতে। এভাবে ২১ ডিসেম্বর তারিখে উত্তর গোলার্ধে হয় দীর্ঘতম রজনী আর ক্ষুদ্রতম দিবস। এ সময় সূর্য মকর বৃত্তে অবস্থান করে থাকে। আরএস/পি
দীর্ঘতম রাত আজ, ক্ষুদ্রতম দিন শনিবার
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্ভাবাসে জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আজ মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তর তার ওয়েবসাইটে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্ভাবাসে এমন তথ্য জানিয়েছে। পূবার্ভাসে আরও বলা হয়েছে, আন্দামান সাগরের নিম্নচাপ থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'ফেথাই' উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর ও দূর্বল হয়ে ক্রমান্বয়ে গভীর নিম্নচাপ, নিম্নচাপ, সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং সর্বশেষে লঘুচাপে পরিণত হয়। বর্তমানে এটি উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় রাতে সারাদেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। পাশাপাশি দিনে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আজ সকালে ঢাকায় আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। বিকেলে ছিল ৯০ শতাংশ।  আবহাওয়া অফিস আরও বলছে, ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত ও এরপর শৈত্যপ্রবাহের সম্ভবনা রয়েছে। আজ দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটের শ্রীমঙ্গলে ৫১ মিলিমিটার। এমসি/এমকে
আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে
নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কবার্তা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এ জন্য দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মোঃ ওমর ফারুক আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর এবং ঘনীভূত হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি গত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে। মোঃ ওমর ফারুক আরও জানান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। পি
নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কবার্তা
আরও পড়ুন
দশ বছর পর ডুবে যাবে ব্যাংককের ৪০ ভাগ এলাকা