ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

লালমনিরহাটে গণপিটুনিতে নিহত জুয়েলের পরিবারের জন্য সহায়তার আবেদন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২০, ১১:১৮ পিএম
লালমনিরহাটে গণপিটুনিতে নিহত শহিদুন্নবী জুয়েলের জন্য সহযোগিতার আবেদন

লালমনিরহাটে গণপিটুনিতে নিহত শহিদুন্নবী জুয়েল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। জুয়েলের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন ওই বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

এ লক্ষ্যে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন জুয়েলের সহপাঠী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক এস এম জাবেদ আহমেদ। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। জুয়েলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহীদের নিম্নলিখিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

যেভাবে টাকা পাঠাবেন-
অ্যাকাউন্ট নং ০২০০০১৬০৪৯০৯০, অগ্রণী ব্যাংক, বাংলা একাডেমি শাখা, ঢাকা। বিকাশ নম্বর ০১৭১৫-২৬৭৩৮৩ এবং ০১৭৩২- ৫৬২২১৮।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারিতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয়রা। পরে মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে ফেলে তারা। শহিদুন্নবী জুয়েলের দুই সন্তান- মেয়ে জেবা তাসনিয়া ও ছেলে আবু তাহের মো. আশিকুন্নবী। জেবা রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পাস করেছে। তার ছোট ভাই আবু তাহের মো. আশিকুন্নবী একই প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। জেবার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়ার।

অভিভাবক হারিয়ে ইতোমধ্যে অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারটি। একই সঙ্গে দুই সন্তানের পড়ালেখা নিয়ে অনিশ্চয়তার জুয়েলের স্ত্রী। আর এজন্য সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সন্তানের ‘হাইড্রোকাফেলাস’ রোগ, চিকিৎসায় সর্বস্ব বিক্রি করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার!
একমাত্র কন্যা শিশুর জীবন ও সুস্থতার জন্য বাড়ি-ঘরসহ সর্বস্ব বিক্রি করে ও ঋণগ্রস্ত হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে দিনমজুর কাওসার মুসুল্লির পরিবার। একমাত্র কন্যার মুখে ‘মা-বাবা’ ডাক শোনার জন্য ব্যাকুল মা ডালিয়া বেগম। জন্মের পর অতি আদরে নাম রাখেন আরিফা আক্তার। ফুটফুটে শিশুর বয়স যখন তিন মাস অতিক্রম করে তখন আরিফা আক্রান্ত হয়ে পড়ে ‘হাইড্রো কাফেলাস’ রোগে। সময় যতই গড়িয়ে যায় ততই শিশুটির মাথা বড় হতে থাকে। একমাত্র কন্যার সুস্থ্যতা ও জীবন বাঁচাতে চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের তাজেপাড়া গ্রামের রিক্সাভ্যান শ্রমিক পারিবারটি।  সরেজমিন দেখা গেছে, বেলা ভূমি অধ্যুষিত তাজেপাড়া গ্রামটি। খাল-বিল আর সবুজ বন-বনাণীতে ঘেরা গ্রামের প্রতিটি মানুষ ব্যস্ত বাড়ির উঠানো তোলা ধান মাড়াই কিংবা শুকানো কাজে। গৃহিণীরা ব্যস্ত সাংসারিক কাজে ও শিশুর পরিচর্যায়। কিন্তু একমাত্র কন্যা শিশুর মুখে মা ডাক শুনতে ব্যাকুল হতভাগা মা ডালিয়া বেগম আরিফাকে কোলে নিয়ে মাথায় কোমল হাত বুলাচ্ছেন আর ফুঁপিয়ে কাঁদছে ও অঝোর ধারায় দুচোখের পানি ঝরাচ্ছেন। কষ্টে কাতরাচ্ছে শিশুটি। পৌষের মিষ্টি রোদে ঘরের সামনে বসে বসে ঝিমাচ্ছেন অসহায় পিতা কাওসার মুসুল্লি।  এসময় অসুস্থ একমাত্র কন্যার বিষয়ে ডালিয়া বেগম বলেন, লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের আমার পিতা আঃ রশিদ হাওলাদার ২০০৪ সালে একই ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের ইউনুচ মুসুল্লির সেজ ছেলে কাওসার মুসুল্লির সঙ্গে বিয়ে দেয়। বিয়ের আট বছর পর ২০১২ সালে একটি মাত্র ছেলে আরাফাত জন্মগ্রহণ করে। ছয় বছর পর ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল একমাত্র কন্যা আরিফা জন্মগ্রহন করে। আরিফা জন্মের তিন মাস পর তার মাথা দিনে দিনে বড় হতে থাকে। কন্যার এমন পরিস্থিতিতে তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাই পটুয়াখালী, বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে। একপর্যায়ে স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে কন্যার চিকিৎসা করানো হয় এবং আড়াই লাখ টাকা দিয়ে একই ইউনিয়নের তাজেপাড়া গ্রামে চার কড়া জমি ক্রয় করে বসত ঘর তৈরি করে বসবাস শুরু করি। কিন্তু একমাত্র মেয়ের অসুস্থতায় আমাদের দিন খুব খারাপ যাচ্ছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য এবং সংসার পরিচালনার জন্য হীডবাংলাদেশ এনজিও থেকে ৪৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহ করি গতবছর। ইতোমধ্যে ২০ হাজার পরিশোধ করা হয়েছে। আশা এনজিও থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করা হলেও সেখানে ১৫ হাজার টাকা কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামবাসীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা সুদে টাকা এনে আয় রোজগারের জন্য একটি অটোরিকশা ক্রয় করা হয়। কিন্তু আয় কম হওয়ায় ঋণ এবং দেনা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় নিজেদের বসত ঘরসহ জমি বিক্রি করে ঋণ দেওয়া হয়েছে। তবে এখন আর অর্থাভাবে আমার বুকে ধন একমাত্র কন্যার চিকিৎসা করাতে পারছেনা আমার স্বামী।  আরিফার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ডালিয়া বেগম আরও জনায়, দিন যতই যাচ্ছে ততই মেয়ের মাথা বড় হচ্ছে। এখন মাথার চাড়া অস্বাভাবিক ফাঁকা হয়ে গেছে। পানিতে মাথা থলথল করছে। আরিফার এখন তিন বছর বয়স। তিন বছরে ওর শরীর সেই তিন মাসের শিশুর মতোই রয়েছে কিন্তু মাথার ওজন প্রায় ১০ কেজি ওজন হয়েছে। এখন প্রায়ই সে অসুস্থ থাকে। বুকের দুধ পায়না। স্বাভাবিক সকল খাবার তাকে খাওয়ানো হচ্ছে। তবে তার দাঁত শক্ত হয়েছে। পুষ্টিহীনতার কারণে প্রায়ই জ্বর-সর্দি-কাশি থাকে। এখন আমার মেয়ের চোখ দিনে দিনে নীচের দিকে দেবে যাচ্ছে। গালের চামড়া টেনে চোখ মেলে যখন আমাকে না দেখে তখন তার চিৎকার শুরু হয়। আমি একজন মা আমার কন্যার মুখে মা ডাক শোনার  জন্য অপেক্ষায় আছি। কিন্তু আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য আমাদের সর্বস্ব বিক্রি করে এখন পথের ফকির হয়ে গেছি। একমাত্র পুত্র সন্তান আরফাত দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ছে। তাকেও ঠিকমতো লালন পালন করতে পারছিনা অর্থাভাবে। দেনাদারদের পাওনা এবং এনজিও কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় একপ্রকার পালিয়ে বেড়াচ্ছি আমরা। না খেয়ে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছি। এবিষয় অসহায় পিতা কাওসার মুসুল্লি বলেন, আমার একমাত্র কন্যার অসুস্থতার জন্য আমি এখন পথের ফকির হয়ে গেছি। মেয়ের মুখে বাবা ডাক শোনার জন্য এবং সুস্থতার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। এখন আমার চোখের পানি ছাড়া কিছুই নাই যে, যা দিয়ে আমার মেয়েকে চিকিৎসা করাবো। এক বছর ধরে মেয়েকে চিকিৎসা করাতে পারছিনা। মেয়েটি মাথার ব্যথায় দিন-রাত সমানে কান্না করছে। শুধু চেয়ে থাকি কিছুই করার শক্তি আমার নাই। পাষাণ পৃথিবীতে কেন আমাকে আল্লাহ এত বড় শাস্তি দিচ্ছে জানিনা।  এব্যাপারে প্রতিবেশী নান্নু হাওলাদার বলেন, আমরা শিশুটির চিকিৎসার জন্য কিছু টাকা সহায়তা দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। এখন  এই গ্রামের অসচ্ছল পরিবারের মানুষ বেশি। তাদের নিজেদেরই সংসার চলে টানাপোড়নে, অন্যকে আর কতদিন সাহায্য করবে ? আমি একজন পিতা আমি যখন আমার মেয়েকে অতি আদরে কোলে তুলি-আদর করি এবং বাবা ডাক শুনি। এই শিশুর বেলা তা সম্পূর্ণ উল্টো। শিশুটিকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে শিশুটি সুস্থ ও স্বাভাবিক হতে পারবে। বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে এই পরিবারটি। এব্যাপারে কলাপাড়া হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার জে, এইচ , খাল লেলীন বলেন, মাথা বড় হওয়া যে কোন কারণে হতে পারে। এটি জন্মগতকারনেও হতে পারে আবার অন্যকোন কারণেও হতে পারে। তবে আরিফার মাথা বড় হওয়ার মুল কারণ হিসেবে বোঝা যাচ্ছে যে, তার মাথায় সি.এস.এফ জাতীয় একধরনের তরল পদার্থ সৃষ্টি  হয়েছে।। ঢাকায় পিজি হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে নিউরোসার্জানের মাধ্যমে দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা করাতে পারলে শিশুটি সুস্থ হতে পারে। যত বেশি দেড়ি হবে ততই ওই শিশুটির জন্য সমস্যা।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোঃ শহিদুল হক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য যথা সম্ভব সহযোগিতা করবো। তবে সমাজে বিত্তবানদের আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিশুটির দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান করছি। শিশুটির জীবন ও ওই পরিবারটিকে রক্ষার জন্য সমাজের প্রতিটি মানুষ এগিয়ে আসলে পরিবারটি ও শিশুটির জীবন রক্ষা পাবে। জিএ 
সন্তানের ‘হাইড্রোকাফেলাস’ রোগ, চিকিৎসায় সর্বস্ব বিক্রি করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার!
বাঁচতে চান জাহাঙ্গীর আলম
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়ন এর চুরখাই গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৩) বাঁচতে চান। হঠাৎ করেই তার কিডনি দুটি বিকল হয়ে গেছে।   স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, ছোট বেলায় বাবা হারান জাহাঙ্গীর। তার পরিবারের আর্থিক অবস্থাও ভালো না। কিডনি দুটি বিকল হয়ে যাওয়ার পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়। কিছু দিন রাখার পর ডাক্তার বলছে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য। এরপর তার পরিবার একটা ভালো প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন। কিন্তু এখন অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না তারা। ডাক্তার বলছে একটা কিডনি প্রতিস্থাপন করাতে পারলে স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারবেন। তবে জাহাঙ্গীরের পরিবারের পক্ষে এতো টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আর্থিক সাহায্য চেয়ে সমাজের বিত্তবান দানশীল ও সকল ব্যক্তির কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার পরিবার।  জাহাঙ্গীরের মা বলেন, সবার সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে আমার সন্তানের জীবন। সবাই এগিয়ে আসুন।  ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আব্দুল ছাত্তার সোহেল আরটিভি নিউজকে বলেন, ছেলেটি ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  হঠাৎ করে শুনতে পেয়েছি ওর দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। এরপর আমি নিজে তার বাসায় গিয়ে খোঁজ নিয়েছি চিকিৎসার বিষয়ে এবং ব্যক্তিগতভাবে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। দেশের মানুষের কাছে ছেলেটির জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।  জাহাঙ্গীরকে সাহায্য পাঠাতে চাইলে ০১৬৬০১১২৬৭৩ (রোগীর মা, বিকাশ পার্সোনাল) নম্বরে পাঠাতে পারেন। জিএম/জিএ 
বাঁচতে চান জাহাঙ্গীর আলম
চিকিৎসা খরচের সাহায্য চান ক্যানসার আক্রান্ত রেমিটেন্স যোদ্ধা
রেমিটেন্স যোদ্ধা মো. কামরুজ্জামান খলিফা (৪৪)। তিনি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মো. ওমর খলিফার ছেলে। ২০০৭ সাল থেকে তিনি সিঙ্গাপুর প্রবাসী।পরিবার নিয়ে জীবন সংসার ভালো চলছিলো। হঠাৎ করে মুখে ঘা উঠায় ডাক্তারের কাছে যান তিনি। পরীক্ষা করানোর পর তার ক্যানসার ধরা পড়ে। মো. কামরুজ্জামান খলিফা বাঁচতে চান তার ছোট মেয়ের জন্য। ক্যানসার চিকিৎসা করতে গিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব। বন্ধু-বান্ধবসহ নিকট আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্যে নিয়েও তার চিকিৎসা ব্যয়ভার বহন করতে পারছেন না। তাই তিনি সকলের কাছে বাঁচার আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। কামরুজ্জামান খান জানান, ২০০৭ সাল থেকে তিনি সিঙ্গাপুর যান। এর মধ্যে তিনি বেশ কয়েকবার ছুটিতে দেশেও এসেছেন। গত বছর শুরুতে তার মুখের ঘা অনুভব করায় দেশে ফিরে আসেন। এসেই ডাক্তারে সাথে পরামর্শ করেন। ডাক্তারি পরীক্ষায় গত বছরের ১৩ মার্চ তার ক্যান্সার ধরা পরে। ডাক্তার তাকে ঢাকা অথবা ইন্ডিয়ায় গিয়ে উন্নত চিকিৎসা করতে বলেন। খবর শুনে তিনি আতঙ্কিত হন। এতো টাকা জোগান তিনি কিভাবে দিবেন। পরে তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শুরু করেন। ছয় মাস হোমিও ঔষধ খাওয়ার পর সুস্থতা অনুভব করলে ডিসেম্বরের দিকে তিনি পুনরায় সিঙ্গাপুর চলে যান। সিঙ্গাপুর যাওয়ার কয়েক মাস পর তার মুখের ঘা আরও বাড়তে থাকে। পরে সিঙ্গাপুরে পরীক্ষায় তার আবারও ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে তাকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিনি গত দুই মাস যাবত সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ইতি মধ্যে তিনি দুটি ক্যামো থেরাপিও দিয়েছেন। এতে তার মোটা অংকের টাকা খরচ হয়েছে। তাই তিনি সকলের কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন। মো. কামরুজ্জামান খলিফাকে যেকোনো স্থান থেকে বিকাশ অথবা ব্যাংক একাউন্ট সাহায্যে পাঠাতে পারেন। বিকাশ নং ০১৭৪৭২২৩৫২৭, রুপালী ব্যাংক টাঙ্গাইলের নাটিয়া পাড়া শাখার একাউন্ট নং ১০১৬০১০০০৩৯৭১। মো. কামরুজ্জামান খলিফা বলেন, আমি খুবই অসুস্থ। চিকিৎসা করাতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। আমার সম্ভব যা ছিলো তা অনেক আগেই শেষ হয়েছে। আমার ছোট মেয়েকেও মানুষের মতো মানুষ করতে হবে। এখন পরিবারের খরচ ও সংসার কিভাবে চালাবো তা নিয়ে খুব চিন্তিত। আমি সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।  জিএম/জিএ/এম  
চিকিৎসা খরচের সাহায্য চান ক্যানসার আক্রান্ত রেমিটেন্স যোদ্ধা
সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ইরতিজা ফাউন্ডেশনের উপহার
করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়া পর দেয়া হয় লকডাউন। এতে বিপাকে পড়তে হয় অনেক মানুষের। করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিতদের উপহার দিয়েছে ‘ইরতিজা ফাউন্ডেশন’। এক বছর আগে ৫ জুলাই মো. ইরতিজা শাহাদ প্রত্যয় বিদায় নেয় পৃথিবী থেকে। সাত বছর বয়সী এই শিশুর স্মৃতি রক্ষার্থে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবীমূলক সংগঠন ‘ইরতিজা ফাউন্ডেশন’র যাত্রা শুরু হয়।  প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবীমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।  বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর এই দুঃসময়ে ‘ইরতিজা ফাউন্ডেশন’ সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।  তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পুরান ঢাকার লালবাগের কয়েকটি এলাকায় দুই শতাধিক পরিবারকে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী উপহার দেয়া হয়। এই কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মো. শাহেদ রফি পাভেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন হাজী মাহাবুব ইসলাম খান।  উপস্থিত ছিলেন মইনুল ইসলাম খান সৈকত, খালেদ আমিন রুমি, জাকি আজাদ খান। ওয়াই 
সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ইরতিজা ফাউন্ডেশনের উপহার
কেরাণীগঞ্জে ১০ টাকার বাজার
ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ উপজেলার ঘাটারচর এলাকায় করোনাকালে বিপাকে পড়া পরিবারের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ১০ টাকার বাজার। প্রচেষ্টা শান্তি সংঘ’র একক প্রচেষ্টায় শুক্রবার ঘাটারচরের ওলামানগর ন্যাশনাল উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল মাঠে ১০০ অসহায় পরিবারের জন্য এই বাজার আয়োজন করা হয়েছিল।   মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে ১ কেজি আটা, ১ কেজি চাল, ১ প্যাকেট নুডলস, দুটি ডিম ও ১ প্যাকেট বিস্কুট দেয়া হয়। শাক-সবজির মধ্যে ছিল,   ১ পিস মিষ্টি কুমড়া, আধা কেজি ঢেঁড়স, ১ আটি পুই শাক, শাপলা ১ আটি ও ‍দুটি লেবু।  করোনাভাইরাসের প্রকোপে কর্মহীন হয়ে পড়া এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে নাম মাত্র মূল্যে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহে এগিয়ে আসে প্রচেষ্টা শান্তি সংঘ। দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত ছাড়াও বেশ কয়েকটি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারও সহায়তা নিয়েছে। মানুষ যাতে ত্রাণ সামগ্রী না ভাবে, তাই মাত্র ১০টাকার বিনিময়ে এই আয়োজন করা হয়।   সংঘঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রবিউল আলম হাসিব বলেন, লকডাউন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা মানুষের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেছি। এলাকাবাসীকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে। আজকের আয়োজনটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আয়োজন করেছি। সবার সহযোগীতা পেলে এমন আরও কিছু আয়োচন করতে চাই। প্রচেষ্টা শান্তি সংঘের সহ-সভাপতি কাউসারুজ্জামান রনি বলেন, চার মাস ধরে সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি করা হয়েছে। খাদ্য সামগ্রী ছাড়াও বিনামূল্যে মাস্ক, সাবানসহ সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছি। শুরুতে অনেকেই এগিয়ে এসেছিলেন। যাদের মাধ্যমে আমরা একটি ফান্ড গঠন করেছিলাম। আজকের ইভেন্টে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আপাতত আমাদের ফান্ড কমে এসেছে। মানুষের কল্যাণে আমাদের সঙ্গে যদি কেউ সম্পৃক্ত হতে চান তাহলে তাদের স্বাগত জানাই। ইচ্ছা আছে সপ্তাহে একদিন করে এমন নাম মাত্র মূল্যে খাদ্য সামগ্রীর বাজার আয়োজন করার। সংগঠনের কর্মকর্তারা পক্ষ থেকে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।  কাউসারুজ্জামান রনি বলেন, প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হয়ে ঘরে থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকুন।  ওয়াই
কেরাণীগঞ্জে ১০ টাকার বাজার
আরও পড়ুন
রাজধানীতে গাড়িচাপায় এসআই নিহত
সিলেটে ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, বিস্ফোরণে নিহত ৩
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিক নিহত
বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত