ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সংগীতশিল্পী দ্বীপকে বাঁচাতে দরকার ৫০ লাখ টাকা

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০১:২২ পিএম
শিল্পী ভিনসেন্ট দ্বীপ বাড়ৈ

রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা মিশন এলাকার টগবগে প্রাণচাঞ্চল্য এক সঙ্গীত ও আবৃত্তিশিল্পী ভিনসেন্ট দ্বীপ বাড়ৈ (২৭) দীর্ঘদিন ধরে 'উইলসন ডিজিজ' দূরারোগ্য রোগে ভুগছেন।

তাঁর লিভারের এক তৃতীয়াংশ অকেজো।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অপারেশনের জন্য তাঁর ৫০ লাখ টাকা খরচ হবে। কিন্তু অপারেশনের এই বিশাল পরিমাণ অর্থ জোগান কোনোভাবেই সম্ভব নয় তার অসহায় মা-বাবার।

তার বাবা বিশিষ্ট নাট্যকার পরিচালক অভিনেতা জন অশোক বাড়ৈ জানান, পরিবার এরই মধ্যে সকল সম্পদ বিক্রি করে দিয়ে চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন, বর্তমানে আর চিকিৎসা চালানোর মতো অবস্হা নেই তার পরিবারের।

দ্বীপের বন্ধু এস এম ইকরাম হোসেন সোহেল ও শাহাদাত হোসেন বলেন, সকলের ছোট ছোট সহযোগিতা ফিরিয়ে দিতে পারে একটি প্রতিভাবান প্রাণকে।

দ্বীপ বর্তমানে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পুরুষ বিভাগ, ব্লক- ডি, ৫ম তলা, ৫নং বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা-

একাউন্ট নাম:

সুমিতা বাড়ৈ
(দ্বীপের মা)
একাউন্ট নংঃ-৩৪০২২৫৩২, সোনালী ব্যাংক।
সুমিতা বাড়ৈ -০১৭৯৩২৮৫৯২২

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাসপাতালে ছেলের অপেক্ষায় বৃদ্ধা জোবেদা (ভিডিও)
রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় জোবেদা বেগম নামে ৭০ বছরে এক বৃদ্ধাকে পাওয়া গেছে। তার সম্ভাব্য ঠিকানা কুড়িল বিশ্বরোড। তার ছেলের নাম উজ্জল ও জসিম। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলে নিউরোসার্জারি বিভাগে ইউনিট ৫ এ ২০৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। রাজধানীর মগবাজারের আল আমিন ফয়সাল নামের একজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। জোবেদা বেগমের স্বজনদের ০১৩১-৬৩২৫১৫১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এমকে
হাসপাতালে ছেলের অপেক্ষায় বৃদ্ধা জোবেদা (ভিডিও)
মেধাবীছাত্র ফাহিমকে বাঁচাতে দরকার ৩৫ লাখ টাকা (ভিডিও)
২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ফাহিমের। অথচ জীবনের শুরুতেই মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শুয়ে আছে হাসপাতালে। সন্তানকে বাঁচাতে সব রকম চেষ্টাই করে যাচ্ছেন বাবা-মা। বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবীছাত্র ফাহিমকে বাঁচাতে দরকার ৩৫ লাখ টাকা।  বগুড়া জিলা স্কুলের ২০২০ ব্যাচের এসএসসি পরীক্ষার্থী, ফাহিম মোর্শেদকে বাঁচাতে দরকার মাত্র, ৩৫ লাখ টাকা। এই টাকা বাঁচাতে পারে, একজন মেধাবীছাত্রকে।  মুক্তিযোদ্ধা বাবা রণাঙ্গণে হারিয়েছেন, নিজের পা। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, ইতিমধ্যে ভারতে ছেলের চিকিৎসার জন্য খরচ করেছেন, ৪০ লাখ টাকা। আরও দরকার, ৩৫ লাখ টাকা, যা জোগাড় করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই, একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে জাতির কাছে ছেলের চিকিৎসায় সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।  ফাহিমের বাবা মো. হাবিবুর রহমান জানান, দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। নিজের পা হারিয়েছি। এখন নিজের সন্তানের জন্য কিছুই করতে পারছি না।   এমন একজন মেধাবীছাত্রকে ক্যান্সারের কাছে হারতে হবে, তা মানতে পারছেন না ফাহিমের ভাই আবু নাছের মোঃ সালেহ। পরিবারে সবার ছোট ফাহিম এখন ঢাকার ‘সিরাজ-খালেদা মেমোরিয়াল হাসপাতালে’ চিকিৎসাধীন। চিকিৎসার জন্য টাকার পাশাপাশি দরকার, ‘ও পজেটিভ রক্ত’ ও প্ল্যাটিলেট।  সহৃদয় ব্যক্তিরা ফাহিমকে সাহায্য পাঠাতে পারেন:  মোঃ হাবিবুর রহমান, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর : ২৩৫১১০১০০৬৯৫১, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, নিউমার্কেট শাখা, বগুড়া।  এসজে
মেধাবীছাত্র ফাহিমকে বাঁচাতে দরকার ৩৫ লাখ টাকা (ভিডিও)
রাশেদ আরমানের সন্ধান চায় পরিবার
হারিয়ে যাওয়া রাশেদ আরমানের (২৫) সন্ধান চায় তাঁর পরিবার। প্রিয় সন্তান ফিরে আসবে এই প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন তার বাবা। রাশেদ আরমানের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার কটগজতাল গ্রামে। তার বাবা মানিক সরদার। তিনি জানান, রাশেদ আরমান পল্লবী থানার সেকশন- এগারো, ব্লক ধ, রোড ২, বাসা-১১৪ ঠিকানায় তার ভাগ্নির বাসায় থাকতেন। স্থানীয় বঙ্গবন্ধু কলেজে পড়াশোনা করতেন। ১৯ অক্টোবর রাতে চা পানের কথা বলে বের হয়ে সে আর ফেরেনি। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। আত্মীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়েও তার খোঁজ মেলেনি। --------------------------------------------------------------- আরো পড়ুন: রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ --------------------------------------------------------------- মানিক সরদার জানান, ছেলে ফিরে আসবে এই আশায় পথ চেয়ে বসে আসেন তারা। অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে পল্লবী থানায় জিডি করেছেন। জিডি নং ২২৪২। তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৯। ‍ রাশেদ আরমান বাড়ি থেকে বের হবার সময় সাদা রঙের চেক লুঙ্গি ছিল। গায়ের রং ফর্সা বর্ণের। মুখমন্ডল গোলাকার। উচ্চতা পাঁচ ফিট চার ইঞ্চ।  যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পান তাহলে  ০১৭৪৪২৭৯৪৭৪ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। এসজে
রাশেদ আরমানের সন্ধান চায় পরিবার
ফারহাতুলের পূর্ণ সুস্থতার জন্য আরও ২০ লাখ টাকা দরকার
ফারহাতুল মাহমুদ হাসানের বয়স মাত্র ১০ বছর। এই বয়সেই তার শরীরে আস্তানা গেড়েছে ই-বিটা থ্যালাসেমিয়া। শুধু তা–ই নয়, এর সঙ্গে যোগ হয়েছে হেপাটাইটিস সি ভাইরাস ও ব্লাড ক্যানসার। তিনটি জটিল রোগ গুঁড়িয়ে দিতে ফারহাতুলকে সব সময় সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তিন মাস আগে ভারত থেকে চিকিৎসা করে আনা হয়েছে। এখন আবারও যেতে হবে।ফারহাতুলের বাবা সাদেকুল ইসলাম বলেন, ছেলের জন্য এরইমধ্যে কোটি টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে। তার পুরোপুরি সুস্থতার জন্য দরকার আরও ২০ লাখ টাকা। এতো টাকা সংগ্রহ করা কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।  ছেলের চিকিৎসার জন্য টাকার সংস্থান করতে গিয়ে রংপুরের জমি বিক্রি করেছেন। সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক-সংস্থা, বন্ধু-আত্মীয় সবার সহযোগিতায় এ পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসা চালিয়ে এসেছেন। কিন্তু এখন কিছুই নেই। ছেলেকে এ পর্যন্ত চেন্নাই নেয়া হয়েছে পাঁচবার। আর বাংলাদেশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শুরু করে কত হাসপাতাল যে ঘুরেছেন, এর কোনো হিসাব নেই। সাদেকুল জানান, ছেলের পুরোপুরি সুস্থ্যতার সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে আবেদন জানাচ্ছি। ফারহাতুলের চিকিৎসায় কেউ সহায়তা করতে চাইলে: মো. সাদেকুল ইসলাম, সঞ্চয়ী হিসাব-১২৫১১, ইসলামী ব্যাংক, রামপুরা শাখা অথবা সঞ্চয়ী হিসাব-১৯২২১০৭০০১০৪৪০, প্রাইম ব্যাংক, বনশ্রী শাখায় পাঠাতে পারেন। এ ছাড়া ০১৮৬৪২৯১৩২৭ অথবা ০১৮৬৪২৯১৩২৮ বিকাশ নম্বরেও পাঠানো যাবে।
ফারহাতুলের পূর্ণ সুস্থতার জন্য আরও ২০ লাখ টাকা দরকার
কখনও দ্বিতীয় হননি প্রিয়াংকা (ভিডিও)
স্কুল-কলেজের গন্ডিতে কখনও দ্বিতীয় হননি প্রিয়াংকা, তবে জীবন গন্ডি ধমকে দিয়েছে মরণ ব্যাধি ক্যান্সার। প্রাণ প্রিয় সন্তানকে বাঁচাতে নিজেদের সবটুকু বিলিয়ে দিয়েছেন বাবা-মা। তারপরও সেরে উঠছে না প্রিয়াংকা। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের মেধাবি ছাত্রী প্রিয়াংকাকে বাঁচাতে প্রয়োজন মাত্র ৬০ লাখ টাকা। একজন মৃত্যু পথযাত্রীকে বাঁচানোর আবেদন। মাত্র ৬০ লাখ, ৬০ লাখ টাকা পারে একটি স্বপ্নকে বাঁচাতে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী প্রিয়াংকার কথা। পরিবারের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে চিকিৎসা করানো হচ্ছে ভারতের মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে। দরিদ্র স্কুল শিক্ষক বাবার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। তাই বলে নিজের সন্তানকেতো আর এভাবে চলে যেতে দিতে পারেন না! প্রিয়াংকার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে দুহাত পেতে দিলেন তার বাবা-মা। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি। এসএসসি ও এইচএসসিতেও জিপিএ ফাইভ পেয়ে প্রিয়াংকা ভর্তি হয়েছিলেন যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগে। সেখানেও পিয়াংকা রায় ডিপার্টমেন্ট সেরা। এমন মেধাবী ছাত্রীকে মরণ ব্যাধি ক্যান্সার কেড়ে নিয়ে যাবে মানতে পারছে না তার স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহপাঠিসহ পরিবারের সদস্যরা। এমকে
কখনও দ্বিতীয় হননি প্রিয়াংকা (ভিডিও)