ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রেসক্লাবের রাহাত খানের জানাজা সম্পন্ন (ভিডিও)

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২০, ১২:২১ পিএম
আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২০, ০৬:১৪ পিএম
সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত খানে

জাতীয় প্রেস ক্লাবে নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে সিনিয়র সাংবাদিক রাহাত খানের।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে প্রেসক্লাবের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাহাত খান।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন রাহাত খান। করোনাকালে জটিল চিকিৎসা প্রক্রিয়া হওয়ায় তার সার্জারি করা যাচ্ছিল না বলে বাসাতেই অবস্থান করছিলেন গুণী এই সাংবাদিক।

রাহাত খান বাংলাদেশের খ্যাতিমান একজন কথাশিল্পীও। ছোটগল্প ও উপন্যাস উভয় শাখাতেই তার ছিল অবাধ বিচরণ। সাংবাদিক হিসেবেও রাহাত খানের অবদান উল্লেখযোগ্য। ষাটের দশক থেকে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। পত্রিকাটির সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শুভ জন্মদিন এম এম বাদশাহ
বাংলা টেলিভিশনের এ্যাসাইনমেন্ট এডিটর এম এম বাদশাহ’র আজ জন্মদিন। ১৯৭৮ সালের পয়লা জানুয়ারি ঢাকার মান্ডায় তার জন্ম। বাবা সামছুল হক মোল্লা ও মা মমতাজ বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি বড়। পুরো নাম মো. বাদশাহ্ মিয়া। শৈশব থেকেই বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে ঘুরেছেন বিভিন্ন জেলায়। দাদাবাড়ি উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নের যুগিহাটি গ্রামে। শৈশবের বড় একটি সময় কেটেছে বরিশালের আগৈলঝাড়ায়। এম এম বাদশাহ্ বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া বিএইচপি একাডেমী থেকে এসএসসি, মাদারীপুরের খোয়াজপুর সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ থেকে এইচএসসি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগে অনার্সসহ মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তার দ্বিতীয় মাস্টার্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অপরাধ বিজ্ঞান বিষয়ে। স্কুলে পড়া অবস্থাই লেখালেখি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি তার ঝোঁক। বাদশাহ্ ২০০০ সালে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সাবেক সম্পাদক সাংবাদিক আবদার রহমান সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা (বর্তমানে সাপ্তাহিক) ‘শিক্ষা বিচিত্রা’র মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এর পর কাজের ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে দৈনিক মানবজমিনে নিজস্ব প্রতিবেদক, ২০০৪ সালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশনে দীর্ঘমেয়াদী টেলিভিশন সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ শেষে ২০০৫ সালে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল এস’র ঢাকা অফিসে। ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে ইসলামিক টিভিতে নিজস্ব প্রতিবেদক(ক্রাইম), ২০০৮ সালের ১ আগস্ট বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিগন্ত টিভিতে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক (ক্রাইম), পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেডিও তেহরান ইরানের বাংলাদেশ প্রতিনিধি, জাপানের প্রবাসী ম্যাগাজিন ‘দশদিক’র বিশেষ প্রতিনিধি ও ২০১৩ সালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল এসএ টেলিভিশনে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে অপরাধ বিষয়ক বিটে যোগ দেন। সেখানে তিনি একইসঙ্গে ক্রাইম চিফ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে এসএ টেলিভিশনের এ্যাসাইনমেন্ট এডিটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে এসএ টেলিভিশনের এ্যাসাইনমেন্ট এডিটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর হিসেবে কর্মরত আছেন।   এম এম বাদশাহ্ তার আলোচিত কিছু প্রতিবেদনের জন্য বেশকিছু স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ২০০৮ সালে টঙ্গীর নিরপরাধ ট্যাক্সি ড্রাইভার সুজনের জেল খাটার বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য হিউম্যান রাইটস এ্যাওয়ার্ড-২০০৮, অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদনের জন্য এ্যাডকোয়েস্ট সম্মাননা স্মারক-২০০৮, লেবাননে মহিলা শ্রমিক পাঠানোর নামে নারী পাচার শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য ‘মানবাধিকার শাইনিং এ্যাওয়ার্ড-২০০৯, দৃষ্টিহীন শিশুদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অন্তরদৃষ্টি কথা বলে’ শিরোনামে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য সিএসএফ জার্নালিস্ট ফেলোশিপ এ্যাওয়ার্ড-২০১০, তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) প্রজ্ঞা এ্যাওয়ার্ড-২০১১, তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তামাক কোম্পানির কূটকৌশল নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য যাত্রী-টিএফকে ফেলোশিপ-২০১২, ২০১৫ এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে সরকারের গড়িমসির পেছনের কারণ অনুসন্ধানের জন্য প্রজ্ঞা টোব্যাকো কন্ট্রোল জার্নালিজম এ্যাওয়ার্ড-২০১২ পেয়েছেন। একই বছর প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন রিপোর্টের জন্য সিএসএফ-ফ্রেড হলোজ জার্নালিস্ট ফেলোশিপ এ্যাওয়ার্ড-২০১২ পান। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের মাদক পাচারসংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর জার্নালিস্ট (আইসিএফজে–ইউএসএ) ফেলোশিপ-২০১৩ নির্বাচিত হন তিনি। নেপালের কাঠমান্ডুতে অংশ নেন দক্ষিণ এশীয় ইয়ুথ জার্নালিস্ট কনফারেন্সে। ২০১৪, ২০১৫ সালে পেয়েছেন ‘লেপরোসি মিশন জার্নালিজম ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড’। ২০১৭ সালে তিনি বন্ধু মিডিয়া ফেলোশীপ ও ২০১৯ সালে পেয়েছেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন মিডিয়া ফেলোশীপ অ্যাওয়ার্ড।  ২০১৮ সালে তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে তুরস্ক’র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন টিআরটিতে নিউ মিডিয়া ও ডিজিটাল জার্নালিজম কোর্সে অংশ নেন। ২০১৯ সালে জার্মান সংস্থা কনরাডের আয়োজনে দক্ষিণ এশিয়া মোবাইল জার্নালিজম মোজো এশিয়া ২০১৯ এ থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রায় ৩৩ দেশের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে স্পীকার হিসেবে অংশ নিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও মোবাইল জার্নালিজম ও ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন তিনি।এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসেএফজের ফেলো।   পেশাগত কারণে সফর করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ভুটান, ভারত, নেপাল ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চল। সেসব দেশের নানা তথ্য তুলে এনেছেন তার প্রতিবেদনে। এম এম বাদশাহ্ ২০০৩ সালের ৩ জুলাই নাজনীন খানমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির যমজ সন্তান নাবিদ রহমান তুর্য্য ও নওশিন তাবাসসুম তৃণা। স্ত্রীর উৎসাহ আর অনুপ্রেরণায় সাংবাদিকতার নিত্যনতুন অনুসন্ধানী পথে এগিয়ে চলছেন। সামাজিক সংগঠন মিডিয়া মিউজিয়াম ইয়ুথ ক্লাব’র প্রতিষ্ঠাতা। Film Viewrs Society এর প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। মিডিয়া মিউজিয়ামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির আদান প্রদান ও চলচ্চিত্র ডকুমেন্টারি তৈরি প্রদর্শনের কাজও করছেন তারা। সংগঠনপ্রিয় বাদশাহ্ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ২০১৭ সেশনে সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৬ সেশনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ২০১৫ সালে ক্র্যাবের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ক্রাইম রিপোর্টার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির নির্বাচিত পরিচালক হিসেবে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ডিফেন্স জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জার্নালিস্ট ফোরাম ফর মাইগ্রেশন - জেএফএম'র প্রচার সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, রিপোর্টার্স এ্যাগেইনস্ট করাপশন – র‍্যাকের স্থায়ী সদস্য। তার পছন্দের রং নীল ও প্রিয় ফুল গোলাপ। আর খেতে ভালোবাসেন রুটি পিঠা ও গরুর মাংস। আর অবসর সময়ে এই সাংবাদিক ইয়ুথ ক্লাবকেন্দ্রিক কাজ করতে, গান শুনতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে পল্লী ভাটিয়ালী আর ভাবতত্ত্বের গান তার খুবই পছন্দের। বিশ্বাস করেন, ‘বিশ্বাস রেখো বুকের ভেতর প্রত্যয় অনুভবে, স্বপ্ন জয়ের যুদ্ধে এবার সফল তুমি হবেই। জিএ
শুভ জন্মদিন এম এম বাদশাহ
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক ইলিয়াস
জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন ইলিয়াস খান। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে। ভোটগণনা শেষে রাতে নির্বাচন কমিশন ফল ঘোষণা করেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন পেয়েছেন ৫৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল উদ্দিন সবুজ পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস খান পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৩৯৩ ভোট। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ৪১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন হাসান হাফিজ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া ৩৬৭ ও রাশেদ চৌধুরী ১৭৯ ভোট পান। সহ-সভাপতি পদে ৬১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রেজোয়ানুল হক রাজা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার হাসনাত করিম পেয়েছেন ৩৪০ ভোট। যুগ্ম সম্পাদকের দুটি পদে ৫৭৭ ভোট পেয়ে মাইনুল আলম ও আশরাফ আলী ৩৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুল আহসান ৩১৫ ভোট, কল্যাণ সাহা ২৫২ ভোট এবং সৈয়দ আলী আসফার ২১০ ভোট পান। কোষাধ্যক্ষ পদে শাহেদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। ১০টি সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন- আইয়ুব ভুঁইয়া (৫৪৪), রেজানুর রহমান (৪৭৪), কাজী রওনাক হোসেন (৪৫৫), জাহিদুজ্জামান ফারুক (৪৪৩), শাহনাজ বেগম পলি (৪৩০), সৈয়দ আবদাল আহমেদ (৪২১), শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা (৪২০), ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী (৪১১), রহমান মোস্তাফিজ (৩৭৯) এবং বখতিয়ার রানা (৩৬৮)। জাতীয় প্রেসক্লাবে মোট ভোটার এক হাজার ১৫১ জন। যার মধ্যে ১ হাজার জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ৮৬ দশমিক ৮৮ ভাগ ভোট পড়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ ২০২১-২২ সাল পর্যন্ত। নির্বাচনে ফরিদা ইয়াসমিন-ওমর ফারুক পরিষদ ও সবুজ-ইলিয়াস পরিষদ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। মোট ৩৪ জন ১৭টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া কয়েকটি পদে প্যানেলের বাইরে আরও সাতজন প্রার্থী ছিলেন। কেএফ/এফএ
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক ইলিয়াস
জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির ২০২১-২২ মেয়াদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ, বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। বৈশ্বিক করোনা মহামারির ঝুঁকি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভোট। নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে ৪৬ জন প্রার্থী লড়ছেন। নির্বাচনে দুটি প্যানেলে প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন ও বিএফইউজে-বাংলাদেশ সাবেক মহাসচিব ওমর ফারুকের নেতৃত্বে একটি প্যানেল।  এছাড়া ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানের নেতৃত্বাধীন অন্য প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন প্রার্থীরা। এ দুটি প্যানেলের ৩৪ জন প্রার্থী ছাড়াও ১২ জন স্বতন্ত্রভাবে বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন। ক্লাবের মোট ভোটার রয়েছেন এক হাজার ১৫১ জন। ভোটের লড়াইয়ে বিজয়ীরা আগামী দুই বছর জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন। ভোট গ্রহণ ও ফল ঘোষণার জন্য ক্লাবের সহযোগী সদস্য মো. মোস্তফা-ই-জামিলকে চেয়ারম্যান করে সাত সদস্যের একটি নির্বাচন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসএস
জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
আরটিভি ১০ম স্টার অ্যাওয়ার্ড আজ
বহুল প্রত্যাশিত ১০ম আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ অনুষ্ঠিত হবে আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর)। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাজধানীর আগারগাঁও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক (চীন মৈত্রী) সম্মেলন কেন্দ্রে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে তারকাদের হাতে তুলে দেয়া হবে অ্যাওয়ার্ড।  ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরটিভিতে প্রচারিত নাটক-সিরিয়ালের ১৮ টি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠদের হাতে তুলে দেয়া হবে অ্যাওয়ার্ড। মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন ও দেশপ্রেম ক্যাটাগরিতে থাকবে ৬টি পুরস্কার। ১ ঘণ্টার নাটক ও টেলিফিল্মের ক্যাটাগরিতে থাকবে ৬টি পুরস্কার। ধারাবাহিক নাটকের ক্যাটাগরিতে থাকবে ৬টি।  সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য একজন প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বকে দেয়া হবে আজীবন সম্মাননা।  নাচ গানের জমকালো আয়োজনে ভরপুর থাকবে পুরো অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় থাকবেন অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব এবং মারিয়া নূর।  আগত তারকাদের জন্য থাকবে রেড কার্পেট জোন। অনুষ্ঠানের মাঝে মাঝে নৃত্য পরিবেশনায় থাকবেন সাদিয়া ইসলাম মৌ, তমা মির্জা, আঁচল, দীঘি, নুসরাত ফারিয়া, মেহজাবিন চৌধুরী, তানজিন তিশা প্রমুখ।  রিয়েলিটি শো 'বাংলার গায়েন' এর টপ ১৮ পরিবেশন করবে কোরাস। সব কিছু মিলিয়ে দুর্দান্ত জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে আরটিভি ১০ম স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২০। জিএ 
আরটিভি ১০ম স্টার অ্যাওয়ার্ড আজ
নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
শীত আসে। সেই সঙ্গে হাজির হয় পিঠা উৎসব। আর সেই পিঠা উৎসব মাতলেন নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের (এনবিজেএফ) সাংবাদিকরা। আজ শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি পূর্ব গেট সংলগ্ন জে-২৮ এ সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে ‘পিঠা উৎসব-২০২০’আয়োজন। এতে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী সব পিঠাপুলিতে ভিন্ন আবহ তৈরি হয়। নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি মোদাব্বের হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেনের সঞ্চালনায় নর্থ বেঙ্গলের সাংবাদিকরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইবকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি পদপ্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন, জাতীয় প্রেসক্লাবের আরেক সভাপতি পদপ্রার্থী কামাল উদ্দিন সবুজ, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ওমর ফারুক, আরেকজন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ইলিয়াস খানসহ আরও অনেকেই পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের সাংবাদিকদের এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইবকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, বাঙালি সংস্কৃতির লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে পিঠা। নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের পিঠা উৎসব আয়োজন প্রশংসনীয়। পিঠা উৎসব অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকাস্থ সভাপতি মোকছুদার রহমান মাকসুদ, রাজশাহী বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকাস্থ সভাপতি খায়রুজ্জামান কামাল, নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের সহ-সভাপতি নজমুল হক সরকার প্রমুখ। এফএ
নর্থ বেঙ্গল জার্নালিস্ট ফোরামের পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত