ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক তোফাজ্জলের ছেলেকে কারাগারে পাঠানোয় ডিআরইউর উদ্বেগ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০১ পিএম
আহসান হাবীব নাহিদ: ফাইল ছবি

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও দৈনিক খোলা কাগজের বিশেষ প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আহসান হাবীব নাহিদকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ডিআরইউ।

ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ডা. নূরুল ইসলাম হাসিব শনিবার (১১ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আহসান হাবীব নাহিদের মুক্তির পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

গত ২৯ নভেম্বর আহসান হাবীব নাহিদ নিখোঁজ হওয়ার পর মাদারীপুরের রাজৈর থানার ২০১৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এ ঘটনায় ছেলের সন্ধান না পেয়ে গত ২৯ নভেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তোফাজ্জল হোসেনের পরিবার। জিডি নম্বর ২৪১৪।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আহসান হাবীব নাহিদ ২৯ নভেম্বর সকাল পৌনে ৮টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে বের হয়ে রাত পর্যন্ত বাসায় ফেরেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

তোফাজ্জল হোসেন জানান, জিডি করার পরদিন ৩০ নভেম্বর দুপুরে র‌্যাব পরিচয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন দেওয়া হয়। ফোনে বলা হয়, নাহিদ মাদারীপুর জেলে আছেন। কিন্তু মামলার এজাহারে নাহিদের নাম পাওয়া যায়নি। এখনও সে মুক্তি পায়নি।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর আহসান হাবিব নাহিদের মুক্তির দাবিতে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ (ইউডিজেএফবি) সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুন এক বিবৃতিতে নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ২০২০ সালের ১৫ জুন দায়ের হওয়া মাদারীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে (নাহিদ) গ্রেপ্তার দেখানো রহস্যজনক। মাদারীপুরে নাহিদ কখনও যাননি। গত ৩০ নভেম্বর তার পরিবার জানতে পারে র‌্যাব-৮ তাকে গ্রেপ্তার করে মাদারীপুর কারাগারে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ইউডিজেএফবি সুষ্ঠু তদন্ত এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নাহিদের মুক্তির দাবি জানায়। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা’র (আরডিজেএ) সভাপতি মোকছুদার রহমান মাকসুদ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এক যুক্ত বিবৃতিতে নিন্দা ও উদ্বেগ জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০২০ সালের ১৫ জুন মাদারীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আহসান হাবিব নাহিদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এটি শুধু রহস্যজনকই নয়, হাস্যকরও বটে। কারণ তার বাবা সাংবাদিকতার কারণেই তাকে গ্রেপ্তার ও তার পরিবারকে হেনস্তা করা হচ্ছে। কারণ, মামলাটি মাদারীপুরে অথচ সেখানে আহসান হাবিব কখনও যাননি।
আরডিজেএ নেতারা বলেন, একদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতার কথা বলছেন, তখন একটি চক্র সরকারকে বিতর্কিত করতে সাংবাদিক পরিবারের বিরুদ্ধে সুকৌশলে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আহসান হাবিব নাহিদ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস টেকনোলজি (বিইউবিটি) থেকে সদ্য স্নাতক শেষ করেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা।

এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর ডিআরইউ চত্বরে সচেতন সাংবাদিকের ব্যানারে নাহিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও নাহিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

এফএ/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্র্যাবের সভাপতি তমাল, সাধারণ সম্পাদক বিকু
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আসাদুজ্জামান বিকু নির্বাচিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্র্যাবের কার্যালয়ের সামনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৩টি পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নবনির্বাচিত দপ্তর সম্পাদক এস এম ইসমাঈল হুসাইন ইমুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সভাপতি পদে বাংলাদেশ প্রতিদিনের মির্জা মেহেদী তমাল পেয়েছেন ১৪২ ভোট। একই পদে অন্য দুই প্রার্থী নয়াদিগন্তের আবু সালেহ আকন ৭৭ ও  আমাদের সময়ের মিজান মালিক ৫২ ভোট। সহসভাপতি পদে মুহা. জাহাঙ্গীর আলম ১০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহীন আবদুল বারী ১০৩ ও নিত্য গোপাল তুতু পেয়েছেন ৫২ ভোট। এ ছাড়া যুগ্ম সম্পাদক পদে ইমরান হোসেন সুমন ১৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসান-উ-জামান ৭০ ভোট ও আব্দুল লতিফ রানা ৫৯ ভোট পেয়েছেন। অর্থ সম্পাদক পদে সাইফুল ইসলাম মন্টু ১৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মো. এমদাদুল হক খান পেয়েছের ১১৯ ভোট। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে রুদ্র রাসেল সর্বোচ্চ ১৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম ফয়েজ পেয়েছেন ১০৩ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আতাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক পদে ইসমাঈল হুসাইন ইমু, প্রশিক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে সাজ্জাদ মাহমুদ খান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে এস এম মিন্টু হোসেন, কল্যাণ সম্পাদক নাহিদ তন্ময়, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে শাহীন আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে তিনটি পদের বিপরীতে মো. আমানুর রহমান রনি, মোহাম্মদ জাকারিয়া ও সিরাজুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে তাদের ক্রম নির্ধারণে এই পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের রায়ে প্রথম কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে ১৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আমানুর রহমান রনি। এ ছাড়া সিরাজুল ইসলাম ১৬১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় এবং মোহাম্মদ জাকারিয়া ৭৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ক্র্যাব কার্যনির্বাহী কমিটির এই নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে এ রায় দেন। ক্র্যাব নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২২ এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন পারভেজ খান। পরে রাত সোয়া ৯টার দিকে ভোট গণনা শেষে তিনি ফলাফল ঘোষণা করেন। এফএ/টিআই
ক্র্যাবের সভাপতি তমাল, সাধারণ সম্পাদক বিকু
আশুগঞ্জে \'মেঘনা চিত্র\' স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বিজয়ের সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে 'মেঘনা চিত্র' নামে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।  রোববার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি-আশুগঞ্জ ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত স্থানীয় একটি রেষ্টুরেন্টে স্মরণিকাটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।  দৈনিক একুশে আলো পত্রিকার সম্পাদক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি-আশুগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি সাংবাদিক সেলিম পারভেজের সভাপতিত্বে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরবিন্দ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, কে এম আহসানউল্লাহ (জুয়েল) ও সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার।  এছাড়াও সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।  অনুষ্ঠানের শুরুতেই 'মেঘনা চিত্র'-এর মোড়ক উন্মোচন করেন আমন্ত্রিত অতিথি, সংগঠনের সকল সদস্য ও উপস্থিত সাংবাদিকরা।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি-আশুগঞ্জ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আবু আবদুল্লাহ। এনএইচ 
আশুগঞ্জে \'মেঘনা চিত্র\' স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশের (ইউডিজেএফবি) ২০২২-২০২৩ সেশনের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে  দৈনিক সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি অমিতোষ পালকে সভাপতি এবং ঢাকা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার সোহেল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি খালিদ সাইফুল্লাহ (নয়াদিগন্ত), যুগ্ম-সম্পাদক ফয়সাল খান (সময়ের আলো), অর্থ সম্পাদক রাশেদ আহমেদ (দ্যা বিজনেস পোস্ট), সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান ইমন (প্রতিদিনের সংবাদ), দপ্তর সম্পাদক ইয়াছিন রানা (ইনকিলাব), কল্যাণ ও আপ্যায়ন সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সাগর (আরটিভি), প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মাসুদ রানা (বিটিভি), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাশিদুল হাসান ( ডেইলি সান)। কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, জাফর ইকবাল (সংগ্রাম), সাজিদা ইসলাম পারুল (সমকাল), নূরে আলম জিকু ( মানবজমিন), ফারুক আলম (আরটিভি) ও জহুরা আক্তার (সাদাকালো নিউজ)। এর আগে অনুষ্ঠিত দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ। সভায় বিগত দুই বছরের সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।  তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল্লাহ তুহিন। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন, মতিন আব্দুল্লাহ ও জাহাঙ্গীর খান বাবু। এমএন/এসকে
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন
সাংবাদিক ফাহিরের মৃত্যুতে ইউডা সিএমএসের শোক সভা
আজকের পত্রিকা’র সাংবাদিক মো. ফখরুল ইসলাম ভূঁঞা শনিবার (১১ ডিসেম্বর) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। সে আজকের পত্রিকার অনলাইন বিভাগে কাজ করতেন।  ইউনিভারসিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের (ইউডা) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ (সিএমএস) বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ফখরুল ইসলাম ভূঁঞার মৃত্যুতে দোয়া ও শোক সভা আয়োজন হয়। মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সিএমএস বিভাগে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব মুনির আহমেদ, সিএমএস বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ড. মো. মফিদুল আলম খান, ডেপুটি রেজিস্ট্রারার, সিএমএস ডিপার্টমেন্টের লেকচারার ইসমাঈল হোসেন সিরাজী।  আলোচনায় অংশ নেন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ইউডা সিএমএস থেকে স্নাতক শেষ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যায়নরত ছিলেন ২৪ বছর বয়সী ফাহির। গেল ১১ ডিসেম্বর কর্মস্থল থেকে মোহাম্মদপুরের মেসে ফিরে বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে ফাহির। রুমমেটরা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ইবনে সিনা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ফাহিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে। বাবা মো. নজরুল ইসলাম ভূঁঞা ও মা মোসাম্মৎ জুলেখা বেগমের। একমাত্র বড় ভাইয়ের নাম মাইদুল ইসলাম ভূঁঞা। এসকে
সাংবাদিক ফাহিরের মৃত্যুতে ইউডা সিএমএসের শোক সভা
বাজারে এলো ‘দৈনিক নয়া শতাব্দী’
বাজারে এসেছে দেশের প্রথম ডিজিটাল পত্রিকা ‘দৈনিক নয়া শতাব্দী’। রোববার (১২ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে পত্রিকাটি।  শনিবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিক পত্রিকাটির উদ্বোধন করা হয়।   বস্ত্র ও পাটমন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) পত্রিকাটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, সাংবাদিকরা জাতিকে সঠিক পথ দেখায়। আশা করছি ‘নয়া শতাব্দীর’ কাছ থেকে সঠিক খবরগুলো পাব, যাতে দেশ ও জাতি উপকৃত হয়। সেই সাথে আপনাদের সংবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন জেগে ওঠে সেটাই কামনা করছি। নয়া শতাব্দীর সম্পাদক নাঈম সালেহীন বলেন, তরুণ প্রজন্মকে কাছে টানতে নয়া শতাব্দী দীর্ঘ গবেষণা, প্রচেষ্টা ও কারিগরি সহায়তায় দেশের প্রথম ডিজিটাল দৈনিক পত্রিকা নিয়ে এসেছে। কিউআর কোডের মাধ্যমে পত্রিকার পাশাপাশি অডিও শুনতে ও ভিডিও দেখা যাবে। একই সাথে আমরা একটা ডিজিটাল কর্নার করেছি যার প্রতিটি সেগমেন্ট স্ক্যান করে সরাসরি ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারবেন।  প্রকাশক মোহাম্মদ ওয়ালিউর রহমান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশে যখন অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই সময়ে আমরা অনেক বড় সাহস দেখিয়েছি সংবাদপত্রকে ভালোবাসি বলেই। আমরা সত্যকে প্রকাশ করতে চাই, সেই সাথে সত্যকে ধারণ করতে চাই।  উপ-সম্পাদক জিয়া আহমেদ বলেন, নয়া শতাব্দী শুধু একটা পত্রিকা নয়, আমরা এটাকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট, বিভিন্ন ফাংশন, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করতে চাই। সেই সাথে নয়া শতাব্দীর মাধ্যমে সবাইকে সজাগ করতে চাই। যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও রাজনীতির বিষয় তুলে ধরা হবে। আরএ/এসকে
বাজারে এলো ‘দৈনিক নয়া শতাব্দী’
আরও পড়ুন
নিখোঁজ ১৮ দিন পর পুকুরে মিলল সাংবাদিকের ছেলের মরদেহ