ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

৮১ বছর পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিবিসি বাংলা রেডিও

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ ৮১ বছর পর বন্ধ হতে যাচ্ছে বিবিসি বাংলার রেডিও সম্প্রচার। বিবিসি বাংলা রেডিওর শেষ দুটি অধিবেশন প্রচারিত হবে আজ শনিবার রাতে।

সংবাদ ও সাময়িক প্রসঙ্গের অনুষ্ঠান ‘প্রবাহ’ আর ‘পরিক্রমা’ শেষবারের মতো প্রচারিত হবে আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা এবং রাত সাড়ে ১০টায়। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন লন্ডনে মানসী বড়ুয়া আর ঢাকায় আকবর হোসেন।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে ব্যাপক পরিবর্তনের পটভূমিতে বিবিসি বাংলা রেডিও বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে ওয়ার্ল্ড সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বাংলায় রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

বিবিসি বাংলার সম্পাদক সাবির মুস্তাফা বলেন, বিবিসি বেশ কিছু দিন থেকে ডিজিটাল প্লাটফর্মের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে, এখন এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করা হবে।

১৯৪১ সালের ১১ অক্টোবর একটি সাপ্তাহিক নিউজলেটার দিয়ে বিবিসি বাংলা রেডিও যাত্রা শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্রান্তিকালে মিত্র পক্ষের বক্তব্য ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই শুরু হয়েছিল বিবিসি বাংলা রেডিওর যাত্রা।

বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বিবিসি নামটি সব থেকে বেশি পরিচিতি পায় ১৯৭১ সালে, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। বিবিসির খবরের ওপর শ্রোতাদের আস্থা আর বিবিসি বাংলা রেডিওর জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। মানুষ তখন যুদ্ধের খবরের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করত বিবিসি বাংলার ওপর।

বিগত আট দশকে বিবিসি বাংলার রেডিও অনুষ্ঠানমালা এবং ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। রেডিওর চূড়ান্ত সম্প্রসারণ ঘটে ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে যখন চতুর্থ একটি দৈনিক অধিবেশন শুরু করা হয়। তার চার বছরের মাথায় সকালের দুটি রেডিও অধিবেশন লন্ডন থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়, এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিবিসি বাংলার সাংবাদিক সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটে।

তবে রেডিওর শ্রোতা কমে যাওয়ায় বিবিসি বাংলাদেশকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে। চ্যানেল আই-এর সহযোগিতায় ‘বিবিসি প্রবাহ’ নামক সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে ২০১৫ সালে বিবিসি বাংলা বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দশক ধরে রেডিওর শ্রোতা সংখ্যা ক্রমশ কমে আসছে, বিশেষ করে সংবাদ এবং সাময়িক প্রসঙ্গের ক্ষেত্রে। বিবিসির গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন দেশে মানুষ সংবাদের চাহিদা মেটানোর জন্য টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমকে বেছে নিচ্ছেন।

সাবির মুস্তাফা বলেন, বিবিসি বাংলা রেডিও ঘিরে অনেক স্মৃতি, অনেক আবেগ রয়েছে। কিন্তু যারা সংবাদের প্রতি আগ্রহী, তাদের চাহিদা মেটানোর জন্য বিবিসি রেডিও বন্ধ করার মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাস্তবতার আলোকে বিবিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা রেডিও বন্ধ করে লোকবল ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়োজিত করতে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক শ্যামল
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পদে ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক পদে শ্যামল দত্ত নির্বাচিত হয়েছেন। তারা দুজনই আওয়ামী লীগপন্থী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফোরামের প্রার্থী ছিলেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। এরপর ভোট গণনা শেষে রাত ৮টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা-ই-জামিল। ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি পদে জয়ী ফরিদা ইয়াসমিন পেয়েছেন ৫৬৭ ভোট। তার বিপরীতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে কামাল উদ্দিন সবুজ পেয়েছেন ৪০১ ভোট। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী শ্যামল দত্ত পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট। তার বিপরীতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে ইলিয়াস খান পেয়েছেন ৪৭৪ ভোট। একইসঙ্গে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে হাসান হাফিজ (৫৫৯ ভোট), সহ-সভাপতি রেজোয়ানুল হক রাজা (৫৮৩ ভোট), যুগ্ম-সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া (৫৪০ ভোট) ও আশরাফ আলী (৪৯১ ভোট) ও কোষাধ্যক্ষ পদে শাহেদ চৌধুরী (৫৭৬ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচিত ১০ সদস্য হলেন- ফরিদ হোসেন (৪৯৫ ভোট), কাজনী রওনক হোসেন (৪২২ ভোট), শাহনাজ সিদ্দীকি সোমা (৩৯০ ভোট), কল্যাণ সাহা (৩৮২ ভোট), শাহনাজ বেগম পলি (৩৬০ ভোট), সৈয়দ আবদাল আহমদ (৩৪৭ ভোট), জুলহাস আলম (৩৪৫ ভোট), বখতিয়ার রানা (৩৩০ ভোট) মোহাম্মদ মমিন হোসেন (৩৩০) ও সীমান্ত খোকন (২৮৯ ভোট)। নির্বাচিতরা আগামী দুইবছর জাতীয় প্রেস ক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন। এবার কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৭টি পদে ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটার ছিলেন ১ হাজার ১০২ জন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক শ্যামল
জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বরাবরের মতো এবারও দুটি প্যানেলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ১৭টি পদে ৪৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুটি প্যানেলে ৩৪ জন এবং কোষাধ্যক্ষ ও সদস্য পদে ১১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১ হাজার ১০২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম প্যানেল থেকে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন শ্যামল দত্ত। এ ছাড়া এই পরিষদে কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাহেদ চৌধুরী। অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান নির্বাচন করছেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
২০ বছরে প্রায় ১৭০০ সাংবাদিককে হত্যা : আরএসএফ
গত দুই দশকে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতি বছর প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮০ জন। সম্প্রতি রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্সের (আরএসএফ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্যারিস-ভিত্তিক এ সংগঠনটির দাবি, ২০০৩ থেকে ২০২২ সালের মধ্যকার এ দুই দশকে ‘তথ্য জানানোর কাজে নিয়োজিত লোকদের জন্য’ প্রাণঘাতী ছিল। এ জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিল ইরাক ও সিরিয়া। এ দুটি দেশেই নিহত হয়েছেন মোট ৫৭৮ জন সাংবাদিক। এ তালিকায় মেক্সিকো রয়েছে পরের অবস্থানে। এই দেশে হত্যার শিকার হয়েছেন ১২৫ জন। ফিলিপাইনে ১০৭ জন, পাকিস্তানে ৯৩ জন, আফগানিস্তানে ৮১ জন এবং সোমালিয়ায় ৭৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। অপরদিকে ২০১২ ও ২০১৩ সালে হত্যার ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। ২০১২ সালে দেশটিতে ১৪৪ জন ও এর পরের বছর ১৪২ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। তবে এবছরও কম নয়। এ পর্যন্ত ৫৮ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে ২০২১ সালের অবস্থান। সেই বছর ৫১ জনকে হত্যা করা হয়। আরএসএফের মতে, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়েই বেশির ভাগ সাংবাদিক এ হত্যার শিকার হন। খবর : এএফপ
২০ বছরে প্রায় ১৭০০ সাংবাদিককে হত্যা : আরএসএফ
ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে কামরুল-জিয়া
ঢাকায় কর্মরত ভোলা জেলার সাংবাদিকদের নিয়ে ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরাম (ডিবিএসএফ) গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে ১৫ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে চ্যানেল আই অনলাইনের অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর আহসান কামরুল ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তদন্ত চিত্রের সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় একটি রেস্টুরেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহসভাপতি ইউসুফ হোসাইন (বিডি ফাইনান্স), সহসভাপতি রেহমান খালিল (দৃষ্টি একাত্তর), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম ইব্রাহীম খলিল (নিউজ আই বিডি), সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর চৌধুরী (ডব্লিউ নিউজ), কোষাধ্যক্ষ মো. সম্রাট (স্বদেশ প্রতিদিন), দপ্তর সম্পাদক মো. শাহিদুল ইসলাম (আলোচিত সংবাদ) ও প্রচার সম্পাদক এ আর এম মামুন (সময়ের চিত্র)। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন, মো. লুৎফর রহমান (সেরা কণ্ঠ), নাহিয়ান আরেফিন দীপ্ত (নিউজ বাংলা), নাজমুল হাসান (শিক্ষা ডটকম), মেশকাত হোসেন (আলোচিত সংবাদ), খান শান্ত (যমুনা টিভি) ও মোর্শেদ আলম (শেয়ার নিউজ)। কমিটি ঘোষণার পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নবনির্বাচিত সভাপতি আহসান কামরুল বলেন, ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভোলার সাংবাদিকরা কর্মরত থাকলেও তাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ কর্মকাণ্ডের অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। আমরা এই সংগঠনের মাধ্যমে ঢাকায় কর্মরত ভোলা জেলার সাংবাদিকদের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে একসাথে একে অপরের পাশে দাঁড়াব। সর্বোপরি পেশাগত মানোন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শুধু ঢাকা নয়, ভোলার সাংবাদিকদের মানোন্নয়ন এবং অধিকারের বিষয়েও সোচ্চার থাকবে এই ফোরাম। সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, এই কমিটি গতানুগতিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভোলা তথা দক্ষিণাঞ্চলের সমস্যা এবং সম্ভাবনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে এই কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। মফস্বলের সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি সেতুবন্ধন তৈরিতেও কাজ করবে এই ফোরাম। এ ছাড়াও সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকবে ডিবিএসএফ। এসময় ঢাকায় কর্মরত ভোলা জেলার সব সংবাদকর্মীকে সংগঠনের সদস্য হওয়া ও সবাইকে সার্বিক সহযোগী হওয়ার জন্য নবনির্বাচিত নেতারা আহ্বান জানান।
ঢাকাস্থ ভোলা সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে কামরুল-জিয়া
ঢাকা টাইমস সম্পাদকের বাবার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার
জাতীয় দৈনিক ঢাকা টাইমস ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং সাপ্তাহিক এই সময় সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলনের বাবা বিশিষ্ট সমাজসেবক এ এফ এম ওবায়দুর রহমানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর)। ওবায়দুর রহমান ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর ৬৯ বছর বয়সে মারা যান। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী মুন্সী পরিবারের কর্ণধার প্রয়াত কাঞ্চন মুন্সীর সুযোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন তিনি। ফরিদপুরের স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, কবরস্থান, খেলার মাঠসহ এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে মুন্সী পরিবারের অসামান্য অবদান রয়েছে। কর্মজীবনে ওবায়দুর রহমান রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে অবসরে যান। অবসর জীবনে তিনি নানা ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসায় কোরআনখানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া তিন উপজেলার এতিমখানাগুলোতে ছাত্রদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। এছাড়াও সমাজসেবামূলক সংস্থা কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফরিদপুরে এবং দৈনিক ঢাকা টাইমসের উদ্যোগে ঢাকার ৪৪, ইস্কাটন গার্ডেনে বাদ আসর দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। প্রয়াত ওবায়দুর রহমানের রূহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া চেয়েছেন তাঁর স্বজনরা।
ঢাকা টাইমস সম্পাদকের বাবার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার
আরও পড়ুন
বিবিসির জরিপে শতাব্দীর সেরা কাতার বিশ্বকাপ
ডিসেম্বরের শেষে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ জন নারীর তালিকায় প্রিয়াঙ্কা
বিবিসির ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশের সানজিদা