ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ, সূচকে বাংলাদেশের অবনতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আজ ৩ মে (রোববার) বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের দাবিতে প্রতি বছরের এই দিনে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার’।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে দেশের সাংবাদিকরা পেশাগত অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।

১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুসারে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমকর্মীরা দিবসটি পালন করে আসছেন।

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় দিবসটিতে।

প্রতিবছরের মতো এবারও ‘বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক’ প্রকাশ করেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স বা আরএসএফ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে এবার বাংলাদেশের তিন ধাপ অবনতি হয়েছে। এ বছর বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, গত বছর এই অবস্থান ছিল ১৪৯তম।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় র‌্যালি আয়োজন করেছে। সকাল ৯টায় অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে তথ্য ভবন কমপ্লেক্সে গিয়ে শেষ হবে।

এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টায় সার্কিট হাউস রোডে অবস্থিত তথ্য ভবন কমপ্লেক্সের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
টেলিভিশন সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও জনআস্থা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  সেই সঙ্গে দেশ গঠনে ও জনস্বার্থ রক্ষায় যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।  রাষ্ট্রপতি দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তাঁদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।  বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ আহ্বান জানান তিনি।  সাক্ষাৎকালে দেশের ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে দুঃসময়ে পাশে থাকার স্মৃতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।  তিনি বলেন, আপনাদের সাহচর্য, সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন হয়েছে, আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সবসময় আছি। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে গণতন্ত্রচর্চা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা গেলে আমরাও উন্নত দেশগুলোর মতো উপরে উঠতে পারতাম। দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তপাতের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতি ক্ষুদ্র ও রাজনৈতিক স্বার্থ পরিহার করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, এর গুণগত মান বজায় রাখতে হবে। তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করে গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে তিনি নীতিনির্ধারকদের বড় ক্যানভাসে, দীর্ঘমেয়াদে ও দূরদৃষ্টি দিয়ে সমস্যাগুলোকে দেখার ও সমাধানের আহ্বান জানান।  রাষ্ট্রপতি ডিজিটালাইজেশন ও স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে টেকসই হতে পারে,  সে ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বিজেসির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন জানান, বিজেসি ট্রাস্টি সংগঠনের মতো সাংবাদিকদের মূলত কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। এটি সম্প্রচার সাংবাদিকদের পেশাগত গুণগতমান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ প্রদান করে, স্বাস্থ্যসহায়তা, বিমাসহ ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।  তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি বিএনপির মহাসচিব থাকাকালে বিজেসির নানা কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতিকে বিজেসির পাশে থাকার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বাধীনতা ও সক্ষমতায় রাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন।  রাষ্ট্রপতি বিজেসির কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি তাদের আয়বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি বিজেসির উত্তরাত্তর সাফল্যও কামনা করেন।   সাক্ষাৎকালে বিজেসি প্রতিনিধি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টি তালাত মামুন, নির্বাহী জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু, সাইফুল শাহীন, নায়লা পারভীন পিয়া, সদস্য মাহমুদ হাসান, আজিজুর রহমান কিরন, শরিফুল ইসলাম খান ও বেলায়েত হোসেন। আরটিভি/এসআর
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আরও পড়ুন
ইংলিশ পরীক্ষা দিয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের, দেখে নিন পূর্ণাঙ্গ সূচি
২০২৭ বিশ্বকাপের গ্রুপিং চূড়ান্ত, কঠিন প্রতিপক্ষ পেল বাংলাদেশ
মস্কোতে গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃত্বে সোহাগ
চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশের