
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শওকত মাহমুদ বলেছেন, চূড়ান্ত আন্দলোনের মধ্যমে সরকারের পতন হবে। পাবনা থেকেই দেশ আন্দোলন শুরু হবে, আগামীতে চূড়ান্ত আন্দোলন হবে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুতি নিন।
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পাবনা জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, আপনার রাস্তাঘাট বন্ধ করে রেখেছেন, কিন্তু এই সমাবেশে আসা ঠেকাতে পারেনি। আজকে আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো নয়, ইতোমধ্যে পাবনা সদর উপজেলায় ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। আওয়ামী লীগের দিন শেষ হয়ে গেছে, পালানোর পথ নাই। আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে যদি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের মধ্যে সরকারের পতন করা হবে।
বিএনপি নেতা শিমুল বিশ্বাস বলেন, আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে, তারা বাংলাদেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে আমাদের জ্ঞানহীন জাতিতে পরিণত করেছে। অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।
যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ এমপি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হয়েছে বলে গতকাল পাবনা সদরে ইউনিয়নের সবগুলোতে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। দেশের মানুষ জেগে উঠেছে পুলিশ দিয়ে সরকারের পতন ঠেকাতে পারবেন না। পুলিশ ভাইদের বলছি, আপনারা নিরপেক্ষ থাকবেন।
সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ এমপি, প্রধান বক্তা রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. সৈয়দ শাহীন শওকত, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল রহমান চন্দন, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী বিএনপি নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ খান প্রমুখ।
সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে হলেও প্রধান অতিথির বক্তবের আগে সমাবেশস্থলে পাবনা জেলা বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে ছুরিকাহত হন যুবদলের নেতা মনির হোসেন।
এনএইচ/এসকে




