ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ড. কামালকে ‘গণফোরাম’ থেকে অব্যাহতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:০৩ পিএম

ড. কামাল হোসেনকে প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে গণফোরামের একাংশ।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে এক সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ড. কামাল হোসেনকে দলের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মো. মিজানুর রহমানকে সভাপতি পরিষদের সদস্যপদসহ দলের সাধারণ সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত ১৭ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে তাকে গণফোরামের সভাপতি ও মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে যে ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ও অগণতান্ত্রিক। আমরা কখনও ইচ্ছা করলে একটা কমিটি উপহার দিতে পারি না। এটার সম্পূর্ণ এখতিয়ার থাকে কাউন্সিলরদের কাছে।

মন্টু বলেন, কাউন্সিলরদের ইগনোর করে আমরা পরপর দুইটা, একটা রেজা কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে কাউন্সিল হয়েছিল এক বছরের জন্য। পরবর্তী পর্যায়ে মোকাব্বির খানকে সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আ ও ম শফিক উল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক করে একটা কমিটি ঘোষণা করা হলো। আবার গত ১৭ তারিখ সংবাদ সম্মেলন করে ড. কামাল হোসেন নিজে সভাপতি হয়েছেন এবং মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব স্ববিরোধী ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপ। আমি বলছি একটা, করছি আরকেটা। দলের সিনিয়র নেতারা যখন এসব কাজ করেন সাধারণ কর্মীরা হতাশ হয়, জনগণ হতাশ হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি ড. কামাল হোসেনকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে তার যে বিচরণ হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্ত পড়ে শোনান প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক।

সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখলাম যে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে গণফোরামের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্কহীন, দল থেকে পদত্যাগকারী, বিভেদ সৃষ্টিকারী ও নিষ্ক্রিয় কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে গণফোরাম নাম দিয়ে ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি ও মো. মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. কামাল হোসেন গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ষষ্ঠ কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ও মো. মিজানুর রহমানকে সভাপতি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়। তারা কেউই গণফোরামের নির্বাচিত কমিটি থেকে পদত্যাগ না করে স্বঘোষিত একটি গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করেছেন। এমনকি তারা তথাকথিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও প্রতারণা করেছেন।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরামের একাংশ ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে মোস্তফা মহসিন মন্টুকে সভাপতি ও সুব্রত চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৭ সদস্যের কমিটি করা হয়।

গণফোরাম কি জাতীয় পার্টির মতো বিভক্ত কি না প্রশ্ন করা হলে মন্টু বলেন, গণফোরাম এক ও অভিন্ন। এই দলের জন্ম হয়েছিল ১৯৯৩ সালের ২৯ আগস্টে। সাইফুদ্দিন মানিক, আমীরুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, শাহজাহান সিরাজসহ অনেক জাতীয় নেতার সমন্বয়ে এই দল গঠিত হয়েছিল।

মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, দলের একটা নীতি থাকে। দল আমরা ১০টা ভাগ করতে পারি। কিন্তু কর্মী ভিত্তিক যে সংগঠন, মাঠ-পর্যায়ের নেতাকর্মী সম্পৃক্ত যে দলের কমিটি কাউন্সিলের মাধ্যমে হবে সেটাই আসল কমিটি হবে। এখন সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের কমিটি নয়। মাঠ পর্যায়ের মানুষের কাছে যে গণফোরাম অঙ্গীকারবদ্ধ, আমরা গণফোরামের নীতি আদর্শ বাদ দিয়ে কোনো আপোষ করতে রাজি নই।

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের, আইয়ুব খান ফারুক, আব্দুল হাসিব চৌধুরী, খান সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল বারী হামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন ইয়াজদানী, কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, নাসির হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে তিনি ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে ৪৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তায় সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। ভিডিও বার্তায় সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমান সরকারের ২০২২ সালে বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। ক্যাপশনে ২০২২ সালকে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বছর বলে মন্তব্য করেন।  তিনি প্রত্যাশা করেন, ২০২৩ সাল দেশের অগ্রযাত্রার আরও একটি বছর হোক।  প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বছর ২০২২। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা। ২০২৩ সাল হোক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার আরেকটি বছর।’
সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন সজীব ওয়াজেদ জয়
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আর নেই
সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার। এদিকে, প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী খন্দকার মাহবুব হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের ১৯৩৮ সালের ২০ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি। খন্দকার মাহবুব ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের প্রধান কৌঁসুলী ছিলেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আর নেই
দুই নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ছাত্র অধিকারের
ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান সম্রাট এবং ছাত্র পরিষদের সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নাজুমল হুদাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। আবু হানিফ বলেন, সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া ফ্লাইওভারের নিচ থেকে দুজনকে ডিবি পরিচয়ে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল হলেও রিসিভ হচ্ছে না। শুরুতে তাদের ধরা হলে তারা ধস্তাধস্তি করে। এসময় তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দেয়নি। তাদেরকে পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।
দুই নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ছাত্র অধিকারের
এবার খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পদও ছাড়লেন আবদুস সাত্তার
সংসদ থেকে পদত্যাগের পর এবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পদ থেকেও সরে দাঁড়ালেন আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া। গত বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।  আবদুস সাত্তারের ছেলে মাঈনুল হাসান ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি বলেন, আমার বাবা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তার বয়স হয়েছে। তা ছাড়া আমার বাবা টানা ২৭ বছর জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। দলের সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু গত নির্বাচনের পর থেকে কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির কোনো ব্যাপারেই তাকে কোনো কিছু জিজ্ঞাস করা হয় না। নিজ উপজেলা কমিটি গঠনের ব্যাপারে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে কল করলেও ধরেন না। তাই সম্মান থাকতে আমার বাবা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। আবদুস সাত্তার বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সর্বশেষ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এমপি নির্বাচিত হন। দলীয় সিদ্ধান্তে গত ১১ ডিসেম্বর তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। আসনটিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন হবে। উপনির্বাচন সামনে রেখে দল থেকে তার পদত্যাগ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে।
এবার খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা পদও ছাড়লেন আবদুস সাত্তার
মেট্রোরেলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির
মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, এ সরকার মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে দুই দফায় ব্যয় বৃদ্ধি করে ২২ হাজার কোটি থেকে ৩৪ হাজার কোটি টাকা করা ছাড়া বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের বড় কোনো অবদান জনগণের সামনে প্রতিভাত নয়। কলকাতার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি ভাড়া জনগণের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। সরকারকে এই লুটপাট ও দুর্নীতির জবাব একদিন দিতে হবে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ২০০৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলেই বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ঢাকায় স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) তৈরি করে মেট্রোরেলের নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হলেও, তা মুছে ফেলার অক্লান্ত চেষ্টা করছে প্রতিহিংসা পরায়ণ সরকার। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ওয়েবসাইটে এই মেট্রোরেলের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে সবকিছু বিস্তারিত রয়েছে।  যে সরকারই ক্ষমতায় থাকতো এটা নির্মাণ হতো সময় ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে, এটা নতুন কিছু নয় মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বহু দেশে মেট্রোরেল আছে। বিশ্বের বহু দেশের মতো বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী ভারতের বড় শহরগুলোতে মেট্রোরেল ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধান সহযোগীর ভূমিকা নিয়েছে জাপান।
মেট্রোরেলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির
আরও পড়ুন
এবার ড. কামাল হোসেনের ওপর খেপলেন ওবায়দুল কাদের
‘দেশের বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই সরকারের টাকা পাচার’
বিএনপির সঙ্গে থাকার বিষয় পরিষ্কার করল গণফোরাম
সভাপতি হয়ে যে বার্তা দিলেন ড. কামাল