
বাসওয়ালারা এখন আর বিএনপিকে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগুন দিয়ে বাস পোড়ালে কার ভালো লাগে? তারা বিএনপিকে দেখলেই মনে করে আগুন নিয়ে আসছে। বিএনপিকে দেখলেই মনে করে পেট্রলবোমা। এসবের বিরুদ্ধে খেলা হবে।
বুধবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির সমাবেশের সময় পরিবহন ধর্মঘট নিয়ে দলটির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বাস ধর্মঘট কেন হয়েছে শিমুল বিশ্বাসকে (বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান) জিজ্ঞাস করুন। তিনি পরিবহনের নেতা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। আর মালিক সমিতির প্রেসিডেন্ট জাতীয় পার্টির রাঙ্গা এবং সেক্রেটারি আওয়ামী লীগের এনায়েত উল্লাহ। ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের শিমুল বিশ্বাস। তিনি আপনাদের দলের নেতা। তিনি একটা স্টেটমেন্ট দেন না কেন? তাকে জিজ্ঞাস করুন।
এদিন সংসদে সেতুমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, মন্ত্রী প্রায়ই বলছেন খেলা হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর খেলা হবে। আমরা এমন খেলা দেখতে চাই না, যার মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে সভা-সমাবেশ করছে বিএনপি। আপনি কেন পরিবহন বন্ধ করছেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে বলেন, কী কারণে পরিবহন বন্ধ হয়েছে বলতে পারব না। দেশ চালাচ্ছেন কেন আপনারা?
এসময় তিনি ঢাকা-গাজীপুর সড়কে প্রতিনিয়ত জনদুর্ভোগ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। বিএনপির এমপি আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রীদের জন্য যথাযথ ট্রাফিকিং ব্যবস্থাসহ আলাদা প্যাসেজ তৈরিরও দাবি জানান।
এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধী দল হলেই বিরোধিতা করা কালচারে পরিণত হয়ে গেছে। পদ্মা সেতু হয়ে গেছে, মেট্রোরেল হচ্ছে। এলিভেটেড এগিয়ে গেছে, কর্ণফুলী টানেল রেডি। যেদিকে তাকান ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস। আর কী চান? আপনাদের সময়ে কী ছিল? জিরো।
ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে সেতুমন্ত্রী বলেন, গাজীপুরে পানির লাইন খুবই খারাপ। আমি নিজেও ভোগান্তিতে পড়েছি। এটাকে গলার কাটা বলেছি। এইসব স্বীকার করার কালচার আপনাদের মধ্যে নেই। প্রকাশ্যে বলেছি, প্রকল্পটার ডিজাইনে একটু ত্রুটি ছিল। যে কারণে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু ওই রাস্তা এখন স্বাভাবিক। না জেনে কথা বলবেন না।




