
রাত পোহালেই আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। নেতৃত্ব বাছাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনের মঞ্চ সাজাতে প্রাধান্য পেয়েছে ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর চিত্রের।
সম্মেলনের মঞ্চ গড়তে দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার পাশাপাশি মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেলসহ মেগা প্রকল্পগুলোর চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
কৃচ্ছতা অবলম্বনের কারণে আওয়ামী লীগ এবার সম্মেলনের ব্যয় কমিয়েছে ৩০ লাখ টাকা। দলটি প্রতিবার দু’দিনব্যাপি সম্মেলন করলেও এবার তা করা হচ্ছে একদিন।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। জাতীয় পতাকা তুলবেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ও দলের পতাকা তুলবেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এরপরই তারা মঞ্চে উঠবেন।
মঞ্চে ৪টি সারিতে ১২০টি চেয়ার থাকবে। প্রথম সারিতে শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বসবেন।
দ্বিতীয় সারিতে বসবেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জ্যেষ্ঠ নেতা ও সভাপতিমঞ্চলীর সদস্যরা। বাকি দুই সারিতে অন্য নেতারা।
মঞ্চে নেতারা উঠার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে। তারপর শোক প্রস্তাব রাখবেন দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। ওবায়দুল কাদের উপস্থাপন করবেন সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন অভ্যর্থনা কমিটির আহবায়ক শেখ ফজলুল করিম সেলিম।
সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষ হবে সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শুরু হবে কাউন্সিল অধিবেশন। সেখানেই দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে।
সম্মেলনের আয়োজন নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত অর্থ-উপ কমিটির আহ্বায়ক কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, মঞ্চ মূলত নির্মিত হয়েছে নৌকা ও পদ্মা সেতুর আদলে। এছাড়া এ মঞ্চে মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলসহ মেগাপ্রকল্পগুলোর ছাপ থাকবে। ‘এল’ সেপের এই মঞ্চে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, চার জাতীয় নেতা, সজিব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ছবি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলের সফলতাই হচ্ছে এই প্রকল্পগুলো। শেখ হাসিনা এই প্রকল্পগুলো করেছেন। তাই সম্মেলনে এই মেগা প্রকল্পগুলো তুলে ধরেছি।
সম্মেলনের মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির আহবায়ক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, মঞ্চের আয়তন নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ পুট বনাম ৪৪ ফুট। মঞ্চের থাকা এলইডি মনিটরগুলো থেকে সম্মেলনের কার্যক্রম দেখা যাবে।




