
পঞ্চগড়ে পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা আব্দুর রশীদের মৃত্যুতে রাজধানীর নয়াপল্টনে গায়েবানা জানাজার নামাজ পড়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) বাদ আসর দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা শেষে আব্দুর রশীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জানাজায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, বরকত উল্লাহ বুলু, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাপগা) খন্দকার লুৎফর রহমান, যুব জাগপার আমির হোসেন আমু, ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিবুর রহমান রিজু, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান, ১২ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, এনডিপির ক্বারী আবু তাহের, বিএনপির মিডিয়া সেলের শায়রুল কবির খান প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সারাদেশের ন্যায় পঞ্চগড়েও ১০ দফা দাবিতে গণমিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে পুলিশ রাবার বুলেট, টিয়ার শেল এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় বোদার ময়দানদীঘি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রশিদ আরেফিন মারা যান।




