
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। এতে শুধু অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাই নয়, আন্তর্জাতিক বিশ্বেও বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। বিএনপির উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের জন্য শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একটি অংশগ্রহণমূলক ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুললে দেশব্যাপী স্থিতিশীলতা ও আস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যা ভবিষ্যতে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) গুলশানে নিজের বাসভবনে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী জাতীয় নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ এবং সম্ভাব্য সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রস্তাবিত সমুদ্র থেকে ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয় তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, এই খাতে ডেনিশ বিশেষজ্ঞদের ব্যবহার হতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ভূখণ্ড পরিকল্পনায় উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
বৈঠকে সংসদীয় কাঠামো নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ড. মঈন খান উচ্চকক্ষ প্রবর্তন এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির বিষয়েও আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও ইউরোপীয় মডেলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, তবে এসব ব্যবস্থা নিয়ে খোলামেলা ও গঠনমূলক আলোচনা করা দরকার। তিনি এ দুটো ব্যবস্থার সম্ভাব্য সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা ব্যাখ্যা করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিনিধিত্বের ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে যদি একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে ওঠে, তবে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা আরও গভীর হবে। তারা বিশ্বাস করেন, জনগণের স্বার্থে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও আস্থা তৈরিতে একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ অপরিহার্য।
আরটিভি/এএইচ



