ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এলডিসি উত্তরণ ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৪ পিএম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফাইল ছবি

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা প্রায় কাছাকাছি। আগামী বছরের ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের কথা রয়েছে। তবে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট, অর্থনীতি, শিল্প ও ব্যবসা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সময় চাওয়া কোনো অপমান নয়; বরং উত্তরণের ফলে সম্ভাব্য চাপ ও ক্ষতি এড়াতে এটি একটি দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের মত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ‘হাব’ নিয়ে বর্তমান সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তকে ‘সাধারণ’ নয় বলে মনে করছেন তিনি।

তারেক রহমান বলছেন, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটে থাকা সরকারই কেবল চট্টগ্রাম বন্দরের মতো স্থাপনায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে এ সংক্রান্ত পোস্টটি করেন। সেখানে তিনি উদাহরণ টেনে এলডিসি উত্তরণ ও চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে বিশদ বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।

তারেক রহমানের পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো—

গাজীপুরের এক ছোট পোশাক কারখানার মালিককে কল্পনা করুন। দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে শতাধিক কর্মী নিয়োগ করে, অতি ক্ষুদ্র লাভে এক নির্মম বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করে তিনি তার ব্যবসা গড়ে তুলেছেন। কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই যদি তিনি শুল্ক সুবিধা হারান, যা একসময় তার পণ্যের দাম প্রতিযোগিতামূলক রাখত, তাহলে তিনি নিঃশব্দেই হারিয়ে যেতে পারেন। তার অর্ডার কমা, কারখানা চালু রাখা, কর্মীদের বেতন দেওয়া এবং পরিবারকে নিরাপদ রাখা—সব চাপই তার কাঁধে এসে পড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জের এক তরুণ স্নাতককে কল্পনা করে তারেক রহমান বলেন, এবার নারায়ণগঞ্জের এক তরুণ স্নাতককে কল্পনা করুন। তার পরিবারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে গিয়ে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। তার বাবা একটি কারখানায় কাজ করেন। ওভারটাইমের ওপর নির্ভর করে সংসার চালাতে তিনি। কিন্তু রপ্তানির চাপ বাড়লে ওভারটাইমই প্রথমে বন্ধ হয়। তারপর শিফট কমে। তারপর চাকরি হারায়। এগুলো কোনো শিরোনাম হয় না। এগুলো সাধারণ ঘরের ভেতরের নীরব সংকট।

এই সিদ্ধান্তে তারা কখনো ভোট দেয়নি। তাদের কখনো জিজ্ঞেস করা হয়নি। তাদের কখনো প্রকৃত সংখ্যাগুলো দেখানো হয়নি। এই কারণেই বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের বিতর্ক সরকারি বিবৃতির চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপি আগেও বলেছে, এলডিসি স্থগিতের বিকল্পটি খোলা না রেখে ২০২৬ সালের সময়সীমা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। যা এমন একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিচ্ছে যাদের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হওয়ার ম্যান্ডেট নেই। অথচ তারা এমন দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যা আগামী দশক ধরে দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

আমাদের বলা হয় যে বিলম্ব ‘অসম্ভব’, এমনকি স্থগিতের জন্য অনুরোধ করাটাও এক ধরনের ‘অপমান’ হবে, যা জাতিসংঘ (ইউএন) বিবেচনাও করবে না। কিন্তু আমরা যদি আরও নিবিড়ভাবে দেখি, তবে ইতিহাস আরও জটিল গল্প বলে।

অ্যাঙ্গোলা এবং সামোয়ার মতো দেশগুলোর উত্তরণের সময়সূচি রদবদল করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়লে জাতিসংঘের নিয়মাবলীতেই নমনীয়তার সুযোগ রয়েছে। দেশ গঠনের ফলাফল সম্পর্কে সময় চাওয়া কেবল একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল শাসন। কিন্তু আমরা কেন ভান করছি যে, কোনো বিকল্প নেই? আমরা কেন আমাদের ভবিষ্যতকে সীমিত করছি?

স্থগিতের বিকল্পটি প্রকাশ্যে বাতিল করে দিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের দর কষাকষির ক্ষমতা দুর্বল করে দিচ্ছি। আমরা আন্তর্জাতিক আলোচনায় আমাদের হাত আগেই উন্মুক্ত করে প্রবেশ করছি, আলোচনার টেবিলে বসার আগেই নিজেদের সুযোগ (Leverage) বিসর্জন দিচ্ছি।

সরকারের নিজস্ব নথিপত্রও স্বীকার করে যে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক মহল ইতোমধ্যেই ব্যাংকিং খাতে চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ, ক্রমবর্ধমান ঋণের ঝুঁকি এবং রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন।

আরও পড়ুন

এটা উত্তরণের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি নয়। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু উত্তরণের ‘অধিকার’ থাকা আর উত্তরণের জন্য ‘প্রস্তুত’ থাকা এক জিনিস নয়।

আমি মনে করি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো সন্দেহ না থাকাকে প্রকৃত জাতীয় শক্তি বলা যায় না। আসল জাতীয় শক্তি হলো সেই শৃঙ্খলা থাকা, যার মাধ্যমে ক্ষতির মাত্রা অপরিবর্তনীয় হওয়ার আগেই কঠিন প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করা যায়।

এবার চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে তাকান, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবেশদ্বার। সেখানে যা ঘটে, তা যেকোনো রাজনৈতিক বক্তৃতার চেয়েও লাখ লাখ মানুষের জীবনকে বেশি প্রভাবিত করে।

বন্দর সংক্রান্ত সাম্প্রতিক দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্তগুলো সাধারণ নয়। এগুলো একটি জাতীয় সম্পদ নিয়ে কৌশলগত প্রতিশ্রুতি, যা একটি অন্তর্বর্তী সরকার দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে—যার কাছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাধ্য করার মতো গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট নেই।

চট্টগ্রাম বন্দরে আমরা যা দেখছি, তা এলডিসি উত্তরণের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। কৌশলগত বিকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। জনবিতর্ককে একটি সমস্যা হিসাবে গণ্য করা হচ্ছে। বৈধ উদ্বেগগুলোকে গতি এবং ‌‌‌অনিবার্যতার অজুহাতে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।‌‌

আমি খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই, এটা কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিত্বকে আক্রমণ করার বিষয় নয়। এটি প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার এবং এই নীতির ওপর জোর দেয়ার বিষয় যে—যেসব সিদ্ধান্ত দেশের জীবনকে দশক ধরে প্রভাবিত করবে, সেগুলো জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকারের মাধ্যমে নেয়া উচিত।

আরও পড়ুন

কেউ বলছে না যে, আমাদের এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণ বা বন্দরের সংস্কার করা উচিত নয়। যুক্তিটি আরও সরল এবং মৌলিক; একটি জাতির ভবিষ্যৎ এমন একটি সরকার দ্বারা স্থির করা উচিত নয়, যেটিকে জাতি নির্বাচন করেনি।

কৌশলগত ধৈর্য দুর্বলতা নয়। জনপরামর্শ কোনো বাধা নয়। গণতান্ত্রিক বৈধতা বিলম্ব নয়। আর আমার মতে, সম্ভবত এটাই এর নিচে লুকিয়ে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্য।

বাংলাদেশের মানুষ কখনো তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিষ্ক্রিয় ছিল না। তারা কষ্ট সহ্য করেছে এবং ত্যাগ স্বীকার করেছে কারণ তারা মর্যাদা, কণ্ঠস্বর এবং পছন্দে বিশ্বাসী।

তাদের চাওয়া সহজ: শোনা, অংশগ্রহণ করা এবং সম্মানিত হওয়া।

এ কারণেই আমাদের অনেকেই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে—যা বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার, পছন্দ করার এবং একটি সহজ সত্যকে পুনর্ব্যক্ত করার একটি সুযোগ। এই দেশের ভবিষ্যৎ অবশ্যই দেশবাসীর দ্বারা নির্ধারিত হতে হবে, ‌‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এই বিশ্বাস নিয়ে।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  হলফনামায় দেখিয়েছেন তার হাতে বর্তমানে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলে তাদের ২২ লাখ টাকার গহনা আছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে মার্কেটিং কনসালটেন্ট উল্লেখ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৩ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তার হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, ব্যাংকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৮ হাজার ২৭৫ টাকা জমা আছে, তবে স্ত্রীর নামে আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র আছে। বর্তমানে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেননি। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলেও হলফনামা সূত্রে জানা গেছে। আরটিভি/কেএইচ
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ‘প্রিয় তারেক রহমান সাহেব’ সম্বোধন করে মোদি লিখেছেন, আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক—এই কামনা করি। ‘২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় ‘বেগম সাহেবার’ সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা কথা স্মরণ করছি। তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মোদি আরও লিখেছেন, তার (খালেদা জিয়া) মৃত্যুতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তার আদর্শ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন সূচনা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি পথপ্রদর্শক আলো হিসেবে কাজ করবে। ‘জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে আমার ভাবনাও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে আছে, যারা তাদের ইতিহাসে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদা প্রদর্শন করেছেন। আমি নিশ্চিত, তারা তাদের যৌথ মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে এগিয়ে যাবে।’ চিঠির শেষে মোদি লিখেছেন, আবারও আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। এই কঠিন সময়ে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা যেন ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি। আপনার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যও আমার শুভকামনা রইল। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
বিএনপির অনুরোধের প্রেক্ষিতে নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
ডা. তাসনিম জারার পর এবার তার স্বামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে তাকে নির্বাহী কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, এদিন সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে নির্বাহী কমিটির গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ দল থেকে পদত্যাগ না করেই দল থেকে পদত্যাগ করা তার স্ত্রী তাসনিম জারার নির্বাচনে সহযোগিতা করেছেন। কোনো প্রকার অনুমতিও নেননি তিনি। আমরা আশঙ্কা করছি তিনি এখান থেকে তথ্যও পাচার করতে পারেন। সেজন্য আমরা দলের সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ দিলে তিনি গ্রুপ থেকে বের করেন। পরে তিনি রাতে পদত্যাগপত্র দেন। আহবায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে কোনো কারণ উল্লেখ না করেই খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেন, আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। এর আগে, গত শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাসনিম জারা এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, একই কমিটির সদস্য ছিলেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত দুজনই এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। আরটিভি/এমএ
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ঢাকায় সফররত শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বিরাক্কোডি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক