ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদীর ফেসবুক পোস্ট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম
মাহদী আমিন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে তারেক রহমানের এই উপদেষ্টা ফেসবুকে লিখেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, দেশবাসীর অনিঃশেষ দোয়া-আন্তরিকতা ও কূটনীতিকদের সহযোগিতায় তার শারীরিক অগ্রগতি হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। উন্নত ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ম্যাডামকে শিগগিরই লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই চিকিৎসা প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন ডা. জোবাইদা রহমান, যিনি লন্ডন থেকে সার্বিক সমন্বয় করে যাচ্ছেন। তিনি আজই দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে কাল সকালে ঢাকা পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন, যেন সাথে থেকে দেশনেত্রীকে কাতারের অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডন নিয়ে যেতে পারেন। তবে তার আগেই যদি ফ্লাইট ব্যবস্থা করা যায় কিংবা তার আসা না হয়, সেই বিবেচনায় লন্ডনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বিল ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন। ম্যাডামের পুত্রবধু শর্মিলা রহমান, কয়েকজন চিকিৎসক ও কর্মকর্তাও এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সার্বক্ষণিক পাশে থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

চলমান প্রক্রিয়ার প্রতিটি বিষয়, অর্থাৎ মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত ব্রিফিং, লন্ডনের বিশেষায়িত হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের প্রস্তুতি, দেশনেত্রী ও ডা. জোবাইদা রহমানের ভ্রমণের ব্যবস্থাপনা — সবকিছুর তত্ত্বাবধান করছেন তারেক রহমান।

তিনি শুধু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নন; একাধারে শহীদ জিয়া ও আপোষহীন নেত্রীর আদর্শবাহী সন্তান; যার কাছে দায়িত্ববোধ, মাতৃস্নেহ ও দেশপ্রেম একে অপরের পরিপূরক। তারেক রহমান যদি পপুলার পলিটিক্সকে প্রাধান্য দিয়ে দেশে ছুটে আসতেন, তাহলে তিনি চিকিৎসক স্ত্রীর সঙ্গে একযোগে নিখুঁতভাবে যে তদারকি করছেন, তা কি এভারকেয়ার হাসপাতালের হৈচৈ, ভিড়, বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে করা যেত?

তারেক রহমানের দেশে আসা মানেই লাখ-লাখ মানুষের ঢল, জনসমুদ্রের উত্তাল আবেগ, যা জনগণের আবেগ ও ভালোবাসা হলেও, অন্যান্য রোগী, চিকিৎসা পরিবেশ, এমনকি দেশনেত্রীর নিজের জন্যও কতটা ভালো হতো?

সিসিইউতে থাকা মায়ের জন্য এমন কোন যৌক্তিক দায়িত্ব ছিল, যা তারেক রহমান দেশে গণমানুষের ভালোবাসায় সৃষ্ট ভিড়ের মাঝে করতে পারতেন; কিন্তু নিরিবিলিতে লন্ডন থেকে বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় নিশ্চিত করে আরও সুচারুভাবে করছেন না?

ম্যাডাম যখন চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাবেন ইনশাআল্লাহ, যদি দেশে আসতেন, তখন কি তারেক রহমান এখানে থেকে যেতেন, নাকি মায়ের সঙ্গে চলে যেতেন? থেকে গেলে অতিউৎসাহী গোষ্ঠী বলতো, তিনি মায়ের সাথে কেন গেলেন না; আর চলে গেলে বলতো, তিনি নির্বাচনের জন্য কেন থাকলেন না?

সুতরাং তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়, মায়ের সুস্থতা ও দেশের স্থিতির স্বার্থে। তিনি একইসঙ্গে সন্তানের দায়িত্ববোধে নিবেদিত, আবার জাতীয় নেতার দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ। মনে রাখা প্রয়োজন, তারেক রহমানের কাছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রথমে মা, তারপর নেত্রী। মায়ের প্রতি তার ভালোবাসার সাথে আমাদের কারো ভালোবাসার তুলনা করা অন‍্যায়, অবিচার। তিনি তার মায়ের জন‍্য যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটিই করছেন, সেটিই করে যাবেন।

তারেক রহমানকে দল ও দেশের স্বার্থ একই সাথে দেখতে হচ্ছে। অগণতান্ত্রিক আধিপত‍্যবাদিদের ষড়যন্ত্র কখনোই শেষ হওয়ার নয়। সেটিকে প্রজ্ঞা ও বাস্তবতার সাথে প্রতিহত করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব। বেগম খালেদা জিয়ার সারা জীবনের সংগ্রামের মূল প্রতিজ্ঞা হলো, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মধ‍্য দিয়ে জনগণের অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা।

সেই ঐতিহ্যগত অভিযাত্রায়, ব‍্যক্তিগত আবেগকে ধারণ করলেও তারেক রহমানকে যুক্তিকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। ম্যাডাম ইনশাআল্লাহ নিরাপদে লন্ডনে পৌঁছালে, উনাকে একটু সেটেল করে দিয়ে ও স্থানীয় সব ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করে, শিগগিরই তিনি দেশে ফিরবেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিতে প্রস্তুত বিএনপি, প্রস্তুত প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ।

আসুন, এই কঠিন সময়ে অপপ্রচারকে পেরিয়ে, আমরা দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য আন্তরিক দোয়া করি। আল্লাহ তাকে সুস্থ করুন এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আমাদের মাঝে দীর্ঘকাল রাখুন, আমিন।

Capture

আরটিভি/আরএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  হলফনামায় দেখিয়েছেন তার হাতে বর্তমানে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলে তাদের ২২ লাখ টাকার গহনা আছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে মার্কেটিং কনসালটেন্ট উল্লেখ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৩ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তার হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, ব্যাংকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৮ হাজার ২৭৫ টাকা জমা আছে, তবে স্ত্রীর নামে আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র আছে। বর্তমানে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেননি। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলেও হলফনামা সূত্রে জানা গেছে। আরটিভি/কেএইচ
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ‘প্রিয় তারেক রহমান সাহেব’ সম্বোধন করে মোদি লিখেছেন, আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক—এই কামনা করি। ‘২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় ‘বেগম সাহেবার’ সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা কথা স্মরণ করছি। তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মোদি আরও লিখেছেন, তার (খালেদা জিয়া) মৃত্যুতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তার আদর্শ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন সূচনা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি পথপ্রদর্শক আলো হিসেবে কাজ করবে। ‘জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে আমার ভাবনাও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে আছে, যারা তাদের ইতিহাসে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদা প্রদর্শন করেছেন। আমি নিশ্চিত, তারা তাদের যৌথ মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে এগিয়ে যাবে।’ চিঠির শেষে মোদি লিখেছেন, আবারও আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। এই কঠিন সময়ে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা যেন ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি। আপনার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যও আমার শুভকামনা রইল। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
বিএনপির অনুরোধের প্রেক্ষিতে নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
ডা. তাসনিম জারার পর এবার তার স্বামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে তাকে নির্বাহী কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, এদিন সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে নির্বাহী কমিটির গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ দল থেকে পদত্যাগ না করেই দল থেকে পদত্যাগ করা তার স্ত্রী তাসনিম জারার নির্বাচনে সহযোগিতা করেছেন। কোনো প্রকার অনুমতিও নেননি তিনি। আমরা আশঙ্কা করছি তিনি এখান থেকে তথ্যও পাচার করতে পারেন। সেজন্য আমরা দলের সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ দিলে তিনি গ্রুপ থেকে বের করেন। পরে তিনি রাতে পদত্যাগপত্র দেন। আহবায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে কোনো কারণ উল্লেখ না করেই খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেন, আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। এর আগে, গত শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাসনিম জারা এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, একই কমিটির সদস্য ছিলেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত দুজনই এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। আরটিভি/এমএ
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ঢাকায় সফররত শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বিরাক্কোডি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক