ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘এবার ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার নির্বাচন’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ফাইল ছবি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে পথসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা এলাকার ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে ফ্যাসিস্টদের প্রতিহত করেছিল। আমাদের এই গণঅভ্যুত্থান কেবল সরকার বদলের জন্য ছিল না। আমরা জীবন দিয়েছিলাম রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র, ইনসাফ, সাম্য প্রতিষ্ঠা ও ক্ষমতার কাঠামো পরিবর্তনের জন্য।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে উৎখাত করে নতুন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য আমরা জীবন ও রক্ত দিইনি। এক চাঁদাবাজ চলে যাবে, আরেকজন সে জায়গা দখল করবে—এজন্য ছাত্র-জনতা রক্ত দেয়নি। এবারের নির্বাচন সেই ক্ষমতা কাঠামো পরিবর্তন এবং ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার নির্বাচন।

আরও পড়ুন

ঢাকা-১১ (রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা) আসনের ১০ দলীয় ঐক্যের এই প্রার্থী এরপর বলেন, একটি দল ছাত্র-জনতার গণজোয়ার দেখে ভয় পেয়ে এখন বিভ্রান্তিকর কথা বলছে। অপপ্রচার ও ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে তারা। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১২ ফেব্রয়ারি বিজয় জনগণেরই হবে।

গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে এগিয়ে নিতে ১০ দলীয় ঐক্যজোটকে বিজয়ী করার কোনো বিকল্প নেই বলেও এসময় মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, সুবিধাবঞ্চিত ঢাকা-১১ আসনের উন্নয়ন করা হবে। এই এলাকার ট্রাফিক জ্যাম, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস প্রতিহত করা হবে। দখল হওয়া খাল ও জমি উদ্ধার করে যুবসমাজের জন্য খেলার মাঠ তৈরি করা হবে।

এর আগে, সকালে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মাঠে হাঁটতে ও প্রাতঃভ্রমণে আসা নাগরিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নাহিদ ইসলাম। এছাড়া, রাজধানীর বাঁশতলা থেকে রামপুরা পর্যন্ত গণমিছিল হয়। এতে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
দ্বিতীয় দফায় মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।  গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল। তিনি জানান, মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারও আগে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার মস্তিষ্কে রক্তঃক্ষরণ হয়েছে। পরে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দেড় মাস চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরটিভি/টিআর
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার অসহায় নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না। যেখানেই ফ্যাসিস্টদের ছায়া দেখা যাবে, সেখানেই প্রশাসনকে অবহিত করে তাদের ধরিয়ে দিতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক ডাকসু নেতা আমানউল্লাহ আমান বলেন, যেখানে ফ্যাসিস্টের ছায়া দেখবেন, প্রশাসনকে বলে তাদের ধরিয়ে দেবেন। কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে দেওয়া যাবে না। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা প্রত্যেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবেন। জনগণের সঙ্গে সর্বদা নিবেদিত থাকবেন। জনগণকে রাস্তায় দেখলে সালাম দেবেন, সম্মান করবেন। সমাজকে সম্মান করলে সম্মান পাবেন। ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে এবং থাকবে, সরকার তা নিশ্চিত করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন আমরা ঘটাব। আমরা সবাই হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমান অধিকার ভোগ করব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর  
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।   বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় তার ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন সবার কাছে বাবার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরপর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে দলের নেতাকর্মীরা সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ এলাকা রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে। সেখানে বিকেল ৩টায় তার তৃতীয় ও শেষ জানাজা হয়। উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সালাহউদ্দিন আহমেদ রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা শোক প্রকাশ করেন।  আরটিভি/এসআর  
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে যা জানালেন ইসি
প্রথম ধাপে ৮০০ ইউপিতে ভোট, বিশৃঙ্খলা ও প্রভাব বিস্তারে তাৎক্ষণিক শাস্তি
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা