ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ধানাই-পানাই মানব না: জামায়াত আমির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ পিএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় ব্যর্থ হলে জনগণ গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা হারাবে এবং জনগণ সরকারকে ধিক্কার দেবে।

তিনি বলেন, জনগণের ধিক্কারের পাত্র বিরোধীদল হতে চায় না। এ দায়িত্ব আমরা (বিরোধীদল) নেব না। এজন্যই আমাদের লড়াই, আমাদের সংগ্রাম।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে ‘রক্তাক্ষরে জুলাই’ প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি দল স্বাধীন বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন চায় না, নির্বাচন কমিশন চায় না। আগের ফ্যাসিবাদী আলোকে সবকিছু রাখতে চায়। এজন্য তারা গণভোটের গণরায় মানতে চায় না। আমরা পরিস্কার বলে দিচ্ছি- এ রায় বাংলার জমিনে বাস্তবায়ন হবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, জনগণকে অপমান করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। ৭০ ভাগ মানুষ যে রায় দিয়েছে, আল্লাহর মেহেরবানীতে তা অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে। আমরা সংসদে ও রাজপথে লড়াই করব। দাবি সংসদে আদায় হলে আলহামদুলিল্লাহ, না হলে রাজপথে আন্দোলন করে দাবি আদায়ে বাধ্য করা হবে।

আমিরে জামায়াত বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কোনো ছাড় নাই। কোনো ধানাই পানাই মানবো না। আমাদের অনেক লোভ দেখানো হয়েছে-সব ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছি। জনগণের সাথে আমরা বেইমানি করব না। জনগণের রায়কে অপমান করব না। আর যদি গণভোটের রায় ব্যর্থ হয়-জনগণ গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা হারাবে। জনগণ ধিক্কার দেবে, সেই ধিক্কারের পাত্র বিরোধীদল হতে চায় না। এ দায়িত্ব আমরা নেব না। এজন্যই আমাদের লড়াই, আমাদের সংগ্রাম।

তিনি বলেন, সরকার এখন স্বৈরশাসকের ভাষায় বিভিন্ন কথা বলছে। তাদের চেলাচামুন্ডারা ও বটবাহিনী মানুষের ইজ্জত নিয়ে খেলে। আবার সেই ফ্যাসিবাদ!

আরও পড়ুন

আমীরে জামায়াত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর গণরুম হতে দেওয়া হবে না। গণরুম, গেষ্টরুমের কবর হয়ে গেছে চব্বিশে-সেটা আর ফিরে আসবে না। এখন কেউ ফিরিয়ে আনতে চাইলে তাদেরই ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আর এটা হবে না।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এখনো রাজনৈতিক অপচর্চামুক্ত হয়নি। রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেক জায়গায় অনেক কিছু করা হচ্ছে। আমরা চুপচাপ আছি বলে মনে করবেন না ঘুমিয়ে গেছি, সতর্ক করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের স্বার্থের সাথে কোনো আপস হবে না। কোনো অপশক্তির কাছে মাথাও নত করা হবে না। দেশীয়, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক-এটা যাই হোক। যুবকদের প্রত্যাশার, আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ার জন্য বাকী জীবনকে আমরা উজার করে দেব। যুবকদের সাথে লড়াই করব। যুবকদের সাথে ও সম্মুখভাগে থেকে মুক্তির আন্দোলন চলবে। এ আন্দোলন কেউ বন্ধ করতে পারবে না- প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ওয়াদা করে গেলাম, বলেন তিনি।

এসময় আমিরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন ও সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মহিউদ্দিন খানসহ ডাকসু নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্র ও মহানগরীর বিপুল সংখ্যাক নেতা-কর্মী।

পরে আমিরে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে ডাকসু নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন এবং ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর
মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সব ধরনের রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলমানের প্রাণস্পন্দন ও চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা কোনো রাষ্ট্রীয় রাজনীতির বিষয় নয়। ফলে পবিত্র দুই নগরীর নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর। মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল মক্কা-মদিনায় যখন সতর্কতামূলক সাইরেন বেজেছে, তখন গোটা মুসলিম উম্মাহ থমকে গিয়েছিল। হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের প্রাণের স্পন্দন। এটি আমাদের চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা সব রাষ্ট্র-রাজনীতির ঊর্ধ্বের বিষয়। চরমোনাই পীর বলেন, স্বস্তির বিষয় হলো, হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার প্রতি কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি না করার বার্তা পাওয়া গেছে। এই অবস্থানের ওপর তাদের অটল থাকতে হবে। একই সঙ্গে সৌদি সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু ইসলামের প্রধান দুই পবিত্র স্থানের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সৌদি সরকার পালন করছে, সেহেতু এমন কোনো রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়, যাতে পবিত্র দুই শহরের প্রতি কোনো ধরনের হুমকি তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, মক্কা-মদিনা ও জাজিরাতুল আরবের শান ও মর্যাদা রক্ষা করাও সৌদি সরকারের দায়িত্ব। হারামাইনের নিরাপত্তার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, হারামাইনের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা, বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো। আরটিভি/এসআর  
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা, জামায়াত আমিরের তীব্র নিন্দা
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর হামলার চেষ্টার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা, জামায়াত আমিরের তীব্র নিন্দা
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী
ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়া এবং ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের শঙ্কার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে, তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ করে দিতে পারে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পতিত স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’- এর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট ও গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অথচ দেশের বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত সরকারের সমালোচনা ও চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও সেখানে সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা ছিল। কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং বিমসটেকের প্রধান হিসেবে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সাইডলাইনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশের মর্যাদা রক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের চরম সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরদিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্টের ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসে। অথচ এর সুইচ রয়েছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ ও চালু করতে পারে।’ তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?’ শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বহু অপরাধী ভারতে পালিয়ে রয়েছে। পূর্বে একটি ঘটনায় সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চরম প্রশ্ন জেগেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে রিজভী দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি চলমান সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে এবং মধুর ক্যান্টিনকে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানাতে চাইছে। তাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, এই দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যে কোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে। আরটিভি/এসএস
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আবারও মালয়েশিয়া যাচ্ছেন ।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস
আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা, চাঁদাবাজির জন্যই সবকিছুর এত দাম: এটিএম আজহার
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ঈদের সময় জিনিসপত্রের দাম বাড়ে, কিন্তু এখন বাড়ছে কেন? আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা। এই চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমে যাবে।
আসতে চাঁদা যাইতে চাঁদা, চাঁদাবাজির জন্যই সবকিছুর এত দাম: এটিএম আজহার
আরও পড়ুন
বাধাহীন লংমার্চ, রাজনীতিতে সহনশীলতার বার্তা
দাবি না মানলে সরকার পতনের আন্দোলন: শফিকুর রহমান
জামায়াত এমপির ‘পদ বাতিল’ নিয়ে যা বললেন ইসি
সেই নারীকে নিয়ে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য