
গাজীপুর সিটি নির্বাচন স্থগিতাদেশ নিয়ে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের নথিপত্র আসতে বিলম্ব হওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি হবে। মঙ্গলবারের কার্যতালিকার প্রথম দিকে রয়েছে তার আবেদন।
হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। সোমবার সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। এদিন দুপুর দুইটায় এ শুনানির কথা ছিল।
এর আগে সোমবার বেলা ১২টার দিকে চেম্বার আদালতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের আইনজীবী সগির হোসেন লিয়ন আবেদন করেন।
আওয়ামী লীগের মেয়র প্রাথী জাহাঙ্গীর আলমও সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে একই আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন।
সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ হাইকোর্টে রোববার রিট করেন। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি। নির্বাচন স্থগিতে চারটি যুক্তি আদালতে তুলে ধরেন তিনি।
একইদিন রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ছয়টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা গেজেট এবং গাজীপুর সিটি নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সিটি করপোরেশন-২), ঢাকা জেলা প্রশাসক, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
উল্লেখ্য, এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ সাভার থানা আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক।
এমসি/পি




