ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা (আপডেট)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১১:৫৮ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়নের চিঠি দেয়া হচ্ছে বিএনপি প্রার্থীরা। গতকাল সোমবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের এই চিঠি দেয়া হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত যারা মনোনয়ন পেয়েছেন, তারা হলেন:

ঢাকা বিভাগ
আমানউল্লাহ আমান (ঢাকা-২), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সালাহউদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৪), নবীউল্লাহ নবী (ঢাকা-৫), আবুল বাশার (ঢাকা-৬), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৮), হাবীব-উন নবী সোহেল (ঢাকা-৯), আবদুস সালাম (ঢাকা-১৩)।

খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১), সানাউল্লাহ মিয়া (নরসিংদী-৩)।

চট্টগ্রাম বিভাগ
মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মামুনুর রশীদ (নোয়াখালী-১), জয়নুল আবদিন ফারুক ও জাফর ইকবাল (নোয়াখালী-২), বরকত উল্লাহ বুলু ও ডা. কাজী মাজহারুল ইসলাম (নোয়াখালী-৩), শাহিনুর বেগম (নোয়াখালী-৪), মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), ফজলুল আজিম (নোয়াখালী-৬)।

হাসিনা আহমেদ (কক্সবাজার-১), লুৎফর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩), শাহজাহান চৌধুরী ও মো. সালাহ্উদ্দিন (কক্সবাজার-৪), সাচিং প্রু জেরি ও উম্মে কুলসুম সুলতানা (বান্দরবান), দীপেন দেওয়ান ও মনি স্বপন দেওয়ান (রাঙামাটি), আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (খাগড়াছড়ি)।

শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১, এলডিপি), আবুল খায়ের ভুঁইয়া (লক্ষ্মীপুর-২), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), আশরাফ উদ্দিন নিজান (লক্ষ্মীপুর-৪)।

খালেদা জিয়া (ফেনী-১), জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২,ভিপি জয়নাল), আব্দুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩)।

রাজশাহী বিভাগ

ফয়সাল আলিম ও ফজলুর রহমান (জয়পুরহাট-১), ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা ও আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান (জয়পুরহাট-২)।

কাজী রফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ শোকরানা (বগুড়া-১), আব্দুল মুহিত তালুকদার ও মাসুদা মোমেন (বগুড়া-৩), গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ও জানে আলম খোকা (বগুড়া-৫), খালেদা জিয়া(বগুড়া-৬ ও ৭)।

কামরুন নাহার শিরিন ও তাইফুল ইসলাম টিপু (নাটোর-১), সাবিনা ইয়াসমিন ও রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), দাউদ আর মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন আনু (নাটোর-৩), আবদুল আজিজ (নাটোর-৪)।

শাহজাহান মিয়া ও বেলাল ই বাকী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), আনোয়ারুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), আবদুল ওয়াহেদ ও হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩)।

ডা. ছালেক চৌধুরী ও মাসুদ রানা এবং মোস্তাফিজুর রহমান (নওগাঁ-১), সামসুজ্জোহা খান ও খাজা নজীবুল্লাহ চৌধুরী (নওগাঁ-২), পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি ও রবিউল আলম বুলেট (নওগাঁ-৩), শামসুল আলম প্রামাণিক ও ডা. ইকরামুল বারি টিটো (নওগাঁ-৪), জাহিদুল ইসলাম ও নাজমুল হক সনি (নওগাঁ-৫), আলমগীর কবির ও শেখ রেজাউল ইসলাম (নওগাঁ-৬)।

ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু ও সাঈদ হাসান (রাজশাহী-২), শফিকুল হক মিলন ও মতিউর রহমান মন্টু (রাজশাহী-৩), আবু হেনা ও আবদুল গফুর (রাজশাহী-৪), নাদিম মোস্তফা ও নজরুল মণ্ডল (রাজশাহী-৫), আবু সাঈদ চাঁদ ও নুরুজ্জামান খান মানিক (রাজশাহী-৬)।

কনকচাঁপা ও নাজমুল হাসান রানা (সিরাজগঞ্জ-১), রোমানা মাহমুদ ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২), ভিপি আইনুল হক ও আবদুল মান্নান তালুকদার (সিরাজগঞ্জ-৩), সিরাজগঞ্জ-৪ (২০ দল), আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও রকিবুল করিম খান পাপ্পু (সিরাজগঞ্জ-৫), কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস ও ডা. এমএ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬)।

একেএম সেলিম রেজা হাবিব (পাবনা-২), কেএম আনোয়ারুল ইসলাম (পাবনা-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব ও সিরাজুল ইসলাম (পাবনা-৪), অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (পাবনা-৫)।

বরিশাল বিভাগ
জহির উদ্দিন স্বপন ও ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১), সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও শহীদুল হক জামাল (বরিশাল-২), সেলিমা রহমান ও জয়নাল আবেদীন (বরিশাল-৩), মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও রাজিব আহসান (বরিশাল-৪), মুজিবর রহমান সরোয়ার ও এবায়দুল হক চান (বরিশাল-৫), আবুল হোসেন খান ও রশিদ খান (বরিশাল-৬)।

আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও তার স্ত্রী সুরাইয়া আলতাফ চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), শহীদুল আলম তালুকদার ও তার স্ত্রী সালমা আলম (পটুয়াখালী-২), গোলাম মাওলা রনি, হাসান মামুন ও মো. শাজাহান (পটুয়াখালী-৩), এবিএম মোশাররফ হোসেন ও মনিরুজ্জামান মনির (পটুয়াখালী-৪)।

আন্দালিব রহমান পার্থ (ভোলা-১), হাফিজ ইব্রাহিম (ভোলা-২), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩), নাজিমউদ্দিন আলম (ভোলা-৪)।

শাহজাহান ওমর বীর উত্তম (ঝালকাঠি-১), রফিকুল ইসলাম জামাল, ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ও জেবা খান (ঝালকাঠি-২)।

ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন (পিরোজপুর-১), রুহুল আমিন দুলাল ও কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিয়া (পিরোজপুর-৩)। মতিউর রহমান তালুকদার ও নজরুল ইসলাম মোল্লা (বরগুনা-১), নুরুল ইসলাম মনি (বরগুনা-২)।

সিলেট বিভাগ
তাহসিনা রুশদীর লুনা (সিলেট-২), সুলতান মুহাম্মদ মনসুর (মৌলভীবাজার-২, ঐক্যফ্রন্ট)।

ময়মনসিংহ বিভাগ

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও এম আবু ওহাব আকন্দ (ময়মনসিংহ-৪)।

তফসিল অনুসারে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারিত রয়েছে ৯ ডিসেম্বর।

রংপুর বিভাগ
মঞ্জুরুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ (দিনাজপুর-১), সাদিক রিয়াজ (দিনাজপুর-২), সৈয়দ জাহাঙ্গীর ও মোজাম্মেল হোসেন দুলাল (দিনাজপুর-৩), হাফিজুর রহমান ও আক্তারুজ্জামান মিয়া (দিনাজপুর-৪), রেজাউল হক ও এসএম জাকারিয়া বাচ্চু (দিনাজপুর-৫), লুৎফর রহমান মিন্টু ও শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল (দিনাজপুর-৬)।

ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও তৌহিদুল ইসলাম (পঞ্চগড়-১), জাহিদুর রহমান, ফরহাদ হোসেন আজাদ ও জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান (পঞ্চগড়-২)।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), মো. আবদুস সালাম ও জুলফিকার মুর্তাজা চৌধুরী তুলা (ঠাকুরগাঁও-২), জাহিদুর রহমান ও জিয়াউল ইসলাম জিয়া (ঠাকুরগাঁও-৩)।

মোকাররম হোসেন সুজন (রংপুর-১), ওয়াহেদুজ্জামান মামুন ও মোহাম্মদ আলী (রংপুর-২), মোজাফফর আহমদ ও রিটা রহমান (রংপুর-৩), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), সোলাইমান আলম ও ডা. মমতাজ (রংপুর-৫), সাইফুল ইসলাম (রংপুর-৬)।

সালাউদ্দিন হেলাল (লালমনিরহাট-২); আসাদুল হাবিব দুলু (লালমনিরহাট- ৩)।

সিলেট বিভাগ
তাহসিনা রুশদীর লুনা (সিলেট-২), সুলতান মুহাম্মদ মনসুর (মৌলভীবাজার-২, ঐক্যফ্রন্ট)।

আরও পড়ুন :

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট: ড. কামাল
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আগামী ৩ জানুয়ারি জোটের প্রার্থীসহ সকল বিরোধী দলের প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়ে আমরা কর্মসূচি ঘোষণা করবো। এসময় তিনি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবি জানান। নির্বাচনের ফলাফলে বিপুল ভোটে পরাজয়ের পর আজ এক সোমবার লিখিত বিবৃতিতে মাঠে কর্মসূচি দেওয়ার কথা বললেন ড. কামাল। বিবৃতিতে ড. কামাল বলেন, “গতকাল ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নামে যে প্রহসনমূলক নাটক মঞ্চস্থ হলো, তা সমগ্র দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন এবং তা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে কিভাবে ধ্বংস করতে হয়েছে, তা এদেশের মানুষসহ সমগ্র বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং তাদের আজ্ঞাবহ প্রধান নির্বাচন কমিশনার।’ ‘এই কথিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারকে বিজয়ী দেখালেও প্রকারান্তরে হেরেছে বাংলাদেশ ও তার ১৭ কোটি মানুষ। এর মধ্য দিয়ে কবর রচিত হয়েছে আমাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের।’ কর্মসূচি ঘোষণার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কথিত নির্বাচনের ফলাফল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। এই নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে আগামী ৩ জানুয়ারি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীগণসহ সকল বিরোধী দলের প্রার্থীগণ নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান করবেন এবং কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’ পি
নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট: ড. কামাল
প্রশ্নবিদ্ধ ভোটের ফলাফল নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি
একাদশ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতায় ১৯ জন নিহত এবং বলপ্রয়োগসহ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ফলে ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ লঙ্ঘনের যে সব অভিযোগ গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে সংস্থাটি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সোমবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা ও বলপ্রয়োগসহ নির্বাচনী আচরণবিধির বহুমুখী লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগের কারণে নির্বাচন ও ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর ভিত্তি করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা শুরু থেকেই সব পক্ষের জন্য সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে এসেছি। কিন্তু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। এমনকি নির্বাচনের আগের রাতে এবং নির্বাচনের দিনও এমন হয়রানি চলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে বড় আশঙ্কার বিষয় হলো, এতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি দেশের জনগণের আস্থাহীনতা সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’ টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ‘একটি জোটের পোলিং এজেন্টরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে আসতে না পারার অভিযোগের বিষয়টি যেভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন তা একদিকে যেমন বিব্রতকর, অন্যদিকে তার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালন করতে পেরেছে কিনা সে উদ্বেগ আরও ঘনীভূত করেছে।’ ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ লঙ্ঘন করে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির নামে ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে খোদ রাজধানীতেই। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে যেভাবে সচিত্র প্রতিবেদন আকারে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে তাকে অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। এছাড়াও ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই ব্যালট পেপার ভর্তি বাক্স নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া, বহু ভোটার ভোট দেয়ার আগেই ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া, প্রার্থীকে ভোট কেন্দ্রে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা ইত্যাদি ঘটনার প্রতিটির সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে টিআইবি।’ অভূতপূর্ব নির্বাচনের মাধ্যমে সৃষ্ট অভূতপূর্ব ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে যে নতুন সরকার গঠিত হবে তার আত্মবিশ্বাস, মর্যাদা, আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার স্বার্থেই এ তদন্ত অবশ্যকরণীয় বলে মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। আরো পড়ুন :  সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা পি
প্রশ্নবিদ্ধ ভোটের ফলাফল নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম সৈয়দ মোহাম্মদ দাউদ সম্রাট (৩৮)। আজ সোমবার বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দাউদ পৌরসভার মধ্য মহদেবপুর ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড দিয়ে দাউদ সম্রাট বিকেলে সহযোগীদের নিয়ে যাওয়ার সময় তার প্রতিপক্ষ তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তার দুই সহযোগীও আহত হয়। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, বিকেল ৫টার দিকে কলেজ এলাকায় দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দাউদ সম্রাট নামে এক যুবলীগ নেতা খুন হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আরএস/পি
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে পরাজিত হলে ফলাফল মানে না। যুক্তি ছাড়াই পুনঃনির্বাচনের দাবি তোলে। এটাই তাদের ইতিহাস। বললেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ডাক বাংলো বাসভবনে কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হওয়ার পর শুভেচ্ছা গ্রহণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ইনু বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে। এবার জাতীয় পতাকা হাতে গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাবে। যেভাবে ভোটের মাধ্যমে দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত ঐক্যফ্রন্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ। এসময় ইনু আরও বলেন, বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে দেশবাসী যে দায়িত্ব শেখ হাসিনা ও আমাদেরকে দিয়েছে সেই দায়িত্ব পালনে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। রাজনৈতিক শান্তি বজায় রাখতে হবে। বৈষম্য-দুর্নীতি রোধ করতে সুশাসনের জন্য আরও শক্ত হাতে কাজ করব। কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন হাসানুল হক ইনু। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরএস/পি
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
এ নির্বাচন কলঙ্কিত হয়ে থাকবে: ফখরুল
কখনোই দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না এটাই প্রমাণিত হয়েছে। এ নির্বাচন কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। বললেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন সুপরিকল্পিতভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পরপরই প্রশাসনের সহযোগিতায় ব্যালটে আগেই সিল মারা হয়েছিল। তাই আমরা এ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করছি। এসময় প্রত্যাখ্যান শব্দটি কয়েকবার উচ্চারণ করেন মির্জা ফখরুল। বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের দলের ২১ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শত শত মামলা দেওয়া হয়েছে। এ নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এত নির্যাতনের পরেও বিএনপি নির্বাচনে গিয়েছিল, গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে। নতুন নির্বাচনের জন্য শিগগিরই কর্মসূচি দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পরে নেতাকর্মীদের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়াসহ হামলা ভাংচুর করা হচ্ছে। সারাদেশে বিএনপির ২১ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ঢাকার বাইরের কারাগারগুলোতেও একই অবস্থা। অবিলম্বে এসব বন্দীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি। এসময় লিগ্যালি কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্দোলনও চলবে বলে জানান ফখরুল। গতকাল রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরমধ্যে স্থগিত রয়েছে একটি আসনের ফল। প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয়নি একটিতে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট জয় পেয়েছে ২৮৮টি আসনে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন মহাজোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭টি আসনে জয় পেয়েছে।  পরে রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ভোট প্রত্যাখান করে। এমসি/পি
এ নির্বাচন কলঙ্কিত হয়ে থাকবে: ফখরুল
আরও পড়ুন
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
এ নির্বাচন কলঙ্কিত হয়ে থাকবে: ফখরুল
নির্বাচনে ১৯ নারী প্রার্থী বিজয়ী
কে কোন আসন থেকে জয়ী হলেন